জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

স্ট্রিম নাগরিক সংলাপ

উপকূলের মানুষের জন্য ক্লাইমেট জাস্টিস নিশ্চিত করার দাবি

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

অনুষ্ঠানে কথা বলছেন হেলভেটাস বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রামস মাহমুদুল হাসান। স্ট্রিম ছবি

ঢাকা শহরে ফ্লাশের কাজে যে পানি ব্যবহার করা হয়, উপকূলের মানুষ তার চেয়ে হাজার গুণ খারাপ পানি পান করছে বলে মন্তব্য করেছেন হেলভেটাস বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রামস মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেছেন, জুলাই-আগস্টের জমানো বৃষ্টির পানি খেয়ে তাদের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পার করতে হয়। উপকূলের মানুষের এই দুর্দশা লাঘবে ‘ক্লাইমেট জাস্টিস’ বা জলবায়ু সুবিচার নিশ্চিত করতে হবে ।

রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইশতেহারে উপকূলীয় অঞ্চলের সংকট অন্তর্ভুক্তি’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহমুদুল হাসান বলেন, একই দেশে বাস করে ৩৬৫ দিন নিরাপদ পানি পাওয়ার অধিকার সবার আছে। কিন্তু উপকূলবাসী আজ দ্বিমুখী অন্যায্যতার শিকার। তারা বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের দায় না নিয়েও চরম মূল্য দিচ্ছে। আবার অভ্যন্তরীণ বাজেটেও তারা চরম বৈষম্যের শিকার। ১৮ কোটি মানুষের দেশে ‘ওয়াশ’ বাজেট মাত্র ১০ হাজার কোটি টাকা, যা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য। পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাওয়ায় উপকূলের নারীরা এখন ইউনিয়ন পরিষদে বাজেটের হিসাব চাইতে বাধ্য হচ্ছেন।

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে মাহমুদুল হাসান বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর তালিকা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক হতে হবে। প্রকৃত দুস্থরা যেন সহায়তা পায়, তা নিশ্চিত করা রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব। তিনি সতর্ক করেন, জলবায়ু উদ্বাস্তুর কারণে মানুষ শহরমুখী হলে উপকূলীয় জনমিতি বদলে যাবে। তখন রাজনীতির মাঠও থাকবে না। তাই জনপদ রক্ষা করা রাজনীতির অস্তিত্বেরই প্রশ্ন।

রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে জাতিসংঘে জমা দেওয়া ‘এনডিসি’ ও ‘ন্যাপ’ দলিলের প্রতিফলন ঘটানোর আহ্বান জানান মাহমুদুল হাসান। জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি তরুণ সংগঠনগুলোকে পরিবেশ রক্ষার ‘ভ্যানগার্ড’ বা অগ্রসেনানী হিসেবে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।

লোকাল এনভায়রনমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ সোসাইটি (লিডার্স) ও মিডিয়া স্ট্রিমের যৌথভাবে আয়োজিত এই সংলাপ অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল ঢাকা স্ট্রিম।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত