জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

সবধরনের আলোচনা বাতিল

ইরানে ট্রাম্পের ‘সাহায্য’ আসছে

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচার দমন-পীড়নের অভিযোগে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ইরানি নাগরিকদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন—‘সাহায্য আসছে।’

ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানি দেশপ্রেমিকরা, প্রতিবাদ চালিয়ে যান। আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন।’ তিনি হত্যাকারী ও নির্যাতনকারীদের নাম সংরক্ষণ করে রাখার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এদের চড়া মূল্য দিতে হবে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর ‘হত্যাযজ্ঞ’ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো বৈঠক হবে না। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, মার্কিন হামলার হুমকির মুখে ইরান আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিল। যদিও ‘সাহায্য’ বলতে তিনি কী বুঝিয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি।

ইরানে জ্বালানি ভর্তুকি কমানোর জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাতে সংবাদমাধ্যমে ৬০০ জন নিহতের খবর এলেও এক ইরানি কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে।

তবে কারা নিহত হয়েছেন তা স্পষ্ট করে বলেননি এই কর্মকর্তা। তাছাড়া রয়টার্স ওই কর্মকর্তার নামও প্রকাশ করেনি। আবার এই কর্মকর্তা নিজেই নাম প্রকাশ না করতে বলেছেন কিনা তাও পরিষ্কার করেনি। প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে, ইরানি এক কর্মকর্তা নিহতের সংখ্যাটি জানিয়েছেন।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছিলেন, দেশের পরিস্থিতি এখন ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’। তিনি অভিযোগ করেন, সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত খুঁজতেই পশ্চিমা শক্তি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে সহিংস ও রক্তাক্ত করে তুলেছে।

সোমবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি সতর্ক করে বলেন, ওয়াশিংটন যদি ইরানকে ‘পরীক্ষা’ করতে চায়, তবে তেহরান তার জন্য প্রস্তুত। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের চ্যানেল এখনো খোলা আছে, তবে ইরান সব ধরনের বিকল্পের জন্যই তৈরি। তাঁর দাবি, গত বছরের যুদ্ধের তুলনায় এখন ইরানের সামরিক প্রস্তুতি অনেক বেশি শক্তিশালী।

Ad 300x250

সম্পর্কিত