ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি
স্ট্রিম ডেস্ক

ইসরায়েলকে সতর্ক করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দখলকৃত পশ্চিম তীরকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা চালালে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের সমর্থন হারাতে পারে। ইসরায়েলের পার্লামেন্টে এই অঞ্চলকে নিজেদের অধীনে আনার জন্য একটি বিল পাসের উদ্যোগের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এই কঠোর হুঁশিয়ারি এলো। ট্রাম্পের এই অবস্থানের প্রতিধ্বনি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্সও।
গত ১৫ অক্টোবর টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েল যদি পশ্চিম তীর সংযুক্ত করার পথে অগ্রসর হয়, তবে তিনি মার্কিন সহায়তা বন্ধ করে দিতে পারেন।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘এমনটি ঘটলে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তার সমস্ত সমর্থন হারাবে।’
ট্রাম্প জোর দিয়ে আরও বলেন, ‘এটা ঘটবে না। এটা ঘটবে না, কারণ আমি আরব দেশগুলোকে কথা দিয়েছি।’
ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তার প্রতিধ্বনি করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইসরায়েল সফরের আগে বলেন, পশ্চিম তীরকে সংযুক্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলতি মাসের শুরুতে হওয়া যুদ্ধবিরতিকে হুমকির মুখে ফেলবে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) রুবিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন আমরা এই মুহূর্তে এমন কাজ সমর্থন করব না। আমরা মনে করি এটি শান্তি চুক্তির জন্য সম্ভাব্য হুমকি।’ রুবিও আরও বলেন, নেসেটে এই বিল নিয়ে অগ্রসর হওয়া ‘বিপরীত ফল’ দিবে।
নেসেটের এই ভোটকে একটি ‘নির্বোধ রাজনৈতিক স্টান্ট’ বলে অভিহিত করে রুবিও বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে এতে কিছুটা অপমানিত বোধ করছি। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি হলো পশ্চিম তীর ইসরায়েলে সংযুক্ত হবে না।’
এই কঠোর সতর্কতা এমন এক সময়ে এলো, যখন ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে গতকাল বুধবার ২৫–২৪ ভোটে বিলটি অনুমোদন ইতিমধ্যে অনুমদন পেয়েছে। এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার জন্য চার ধাপে ভোটাভুটির প্রয়োজন। বুধবার ছিল এর প্রথম ধাপ।

ইসরায়েলকে সতর্ক করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দখলকৃত পশ্চিম তীরকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা চালালে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের সমর্থন হারাতে পারে। ইসরায়েলের পার্লামেন্টে এই অঞ্চলকে নিজেদের অধীনে আনার জন্য একটি বিল পাসের উদ্যোগের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এই কঠোর হুঁশিয়ারি এলো। ট্রাম্পের এই অবস্থানের প্রতিধ্বনি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্সও।
গত ১৫ অক্টোবর টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েল যদি পশ্চিম তীর সংযুক্ত করার পথে অগ্রসর হয়, তবে তিনি মার্কিন সহায়তা বন্ধ করে দিতে পারেন।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘এমনটি ঘটলে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তার সমস্ত সমর্থন হারাবে।’
ট্রাম্প জোর দিয়ে আরও বলেন, ‘এটা ঘটবে না। এটা ঘটবে না, কারণ আমি আরব দেশগুলোকে কথা দিয়েছি।’
ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তার প্রতিধ্বনি করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইসরায়েল সফরের আগে বলেন, পশ্চিম তীরকে সংযুক্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলতি মাসের শুরুতে হওয়া যুদ্ধবিরতিকে হুমকির মুখে ফেলবে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) রুবিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন আমরা এই মুহূর্তে এমন কাজ সমর্থন করব না। আমরা মনে করি এটি শান্তি চুক্তির জন্য সম্ভাব্য হুমকি।’ রুবিও আরও বলেন, নেসেটে এই বিল নিয়ে অগ্রসর হওয়া ‘বিপরীত ফল’ দিবে।
নেসেটের এই ভোটকে একটি ‘নির্বোধ রাজনৈতিক স্টান্ট’ বলে অভিহিত করে রুবিও বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে এতে কিছুটা অপমানিত বোধ করছি। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি হলো পশ্চিম তীর ইসরায়েলে সংযুক্ত হবে না।’
এই কঠোর সতর্কতা এমন এক সময়ে এলো, যখন ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে গতকাল বুধবার ২৫–২৪ ভোটে বিলটি অনুমোদন ইতিমধ্যে অনুমদন পেয়েছে। এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার জন্য চার ধাপে ভোটাভুটির প্রয়োজন। বুধবার ছিল এর প্রথম ধাপ।

পবিত্র রমজান শুরুর আগেই মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, তা তেহরান স্পষ্ট করেনি।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
২০ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
২ দিন আগে