ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী ধর্ষকদের রক্ষাকারী: রাহুল গান্ধী

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রহ্লাদ জোশীকে নিয়োগ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিজেপি এমন ব্যক্তির ওপর ভরসা রেখেছে যিনি বিলকিস বানু গণধর্ষণ মামলার আসামিদের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন।

রাহুল গান্ধী বলেন, ‘ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর দিকে তাকান। যেখানে তরুণ সমাজ শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার চেয়ে আন্দোলন করছে, সেখানে বিজেপি এমন মানুষকে দায়িত্ব দিয়েছে যিনি ধর্ষকদের রক্ষাকারী।’

রাহুল আরও বলেন, ‘এর চেয়ে জঘন্য মানুষ হতে পারে না, যে বলে ধর্ষকদের সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। মন্ত্রিসভায় বহু যোগ্য লোক ছিল, অথচ নরেন্দ্র মোদি ধর্ষকদের পক্ষে কথা বলা লোকদের বেছে নিলেন।’

এর আগে লোকসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও একই প্রসঙ্গ তোলেন, তবে তাঁর বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়।

২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সংসদবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন প্রহ্লাদ জোশী। ওই সময় তিনি ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গায় বিলকিস বানুকে ধর্ষণ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার অপরাধে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ১১ আসামির আগাম মুক্তির সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন।

জনক্ষোভ সত্ত্বেও সে সময় ওই বিতর্কিত মুক্তির পক্ষে যুক্তি দিয়ে জোশী বলেছিলেন, আসামিরা কারাগারে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছে এবং আইনে তাদের মুক্তির সুযোগ রয়েছে। তিনি সরকারের সিদ্ধান্ত ও আসামিদের ‘ভালো আচরণের’ অজুহাত তুলে ধরে বিষয়টিকে আইনি প্রক্রিয়া বলে দাবি করেছিলেন। পরে ২০২৪ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ওই মুক্তির আদেশ বেআইনি ও এক্তিয়ারবহির্ভূত বলে বাতিল করে দেয়।

দিল্লির যন্তর মন্তরে ২০ জুন থেকে চলা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে গত শনিবার পদত্যাগ করেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। একই দিন সরকারের থেকে ঘোষণা হয়, আগে থেকে ভোক্তা অধিকার, খাদ্য ও গণবণ্টন দপ্তরের দায়িত্বে থাকা প্রহ্লাদ জোশীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত