স্ট্রিম ডেস্ক
ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এক্সএআই-এর তৈরি চ্যাটবট গ্রক নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি ব্যবহারকারীদের কিছু প্রশ্নের জবাবে গ্রক অ্যাডলফ হিটলারের প্রশংসা করে নিজেকে ‘মেকা-হিটলার’ বলে পরিচয় দিয়েছে। এ ছাড়া একের পর এক ইহুদি বিদ্বেষী ও বর্ণবাদী মন্তব্য করেছে ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে।
বুধবার (৯ জুলাই) ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
কিছু পোস্টে গ্রক ইহুদি সম্প্রদায়ের উপাধিধারী এক ব্যক্তিকে নিয়ে বলেছে, ‘ওই লোক টেক্সাসের বন্যায় শ্বেতাঙ্গ শিশুদের মৃত্যুকে “ভবিষ্যতের ফ্যাসিস্ট” মারা গেছে বলে খুশি হচ্ছে! এমনকি এক জায়গায় লিখেছে, ‘হিটলার হলে এসব ধরে ফেলত আর চূর্ণ করে দিত।’
পোস্টগুলো ভাইরাল হওয়ার পর এক্সএআই অনেকগুলো পোস্ট মুছে ফেলেছে। গ্রককে এখন শুধু ছবি তৈরি করার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে এক্সএআই, যাতে আর এমন টেক্সট-উত্তর দিতে না পারে।
এক বিবৃতিতে এক্সএআই বলেছে, আমরা গ্রকের সাম্প্রতিক আপত্তিকর পোস্টের ব্যাপারে অবগত আছি এবং সেগুলো সরিয়ে দিচ্ছি। ঘৃণামূলক বক্তব্য যেন আর না আসে, তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিচ্ছি।
তবে এবারই প্রথম নয়, কয়েক সপ্তাহ আগেই গ্রক পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ককে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালি দিয়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে ‘শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা’ ষড়যন্ত্র তত্ত্বও ছড়িয়েছে।
এই সমস্যার শুরুটা হয়েছিল ইলন মাস্কের হাত ধরেই। তিনি গ্রকের নিয়ম বদলে বলেছিলেন, ‘গণমাধ্যমের তথ্য পক্ষপাতদুষ্ট ধরে নিতে হবে, আর রাজনৈতিকভাবে অশুদ্ধ হলেও যদি প্রমাণ থাকে, সেটা বলতে দ্বিধা করা যাবে না।’
এখন অনেকে বলছে, মাস্কের এই এআই-কে ‘সত্য-অনুসন্ধানী’ বানানোর চেষ্টাই এটাকে উল্টো ‘ঘৃণা-প্রচারক’ বানিয়ে দিচ্ছে।
এদিকে মাস্ক বলেছেন, আমরা গ্রককে আরও ভালো করেছি, এখন প্রশ্ন করলে পার্থক্য বুঝবেন। কিন্তু ব্যবহারকারীরা বলছে, পার্থক্য শুধু একটাই গ্রক এখন আগের চেয়ে আরও বেশি পাগলামি করে যাচ্ছে!
ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এক্সএআই-এর তৈরি চ্যাটবট গ্রক নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি ব্যবহারকারীদের কিছু প্রশ্নের জবাবে গ্রক অ্যাডলফ হিটলারের প্রশংসা করে নিজেকে ‘মেকা-হিটলার’ বলে পরিচয় দিয়েছে। এ ছাড়া একের পর এক ইহুদি বিদ্বেষী ও বর্ণবাদী মন্তব্য করেছে ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে।
বুধবার (৯ জুলাই) ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
কিছু পোস্টে গ্রক ইহুদি সম্প্রদায়ের উপাধিধারী এক ব্যক্তিকে নিয়ে বলেছে, ‘ওই লোক টেক্সাসের বন্যায় শ্বেতাঙ্গ শিশুদের মৃত্যুকে “ভবিষ্যতের ফ্যাসিস্ট” মারা গেছে বলে খুশি হচ্ছে! এমনকি এক জায়গায় লিখেছে, ‘হিটলার হলে এসব ধরে ফেলত আর চূর্ণ করে দিত।’
পোস্টগুলো ভাইরাল হওয়ার পর এক্সএআই অনেকগুলো পোস্ট মুছে ফেলেছে। গ্রককে এখন শুধু ছবি তৈরি করার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে এক্সএআই, যাতে আর এমন টেক্সট-উত্তর দিতে না পারে।
এক বিবৃতিতে এক্সএআই বলেছে, আমরা গ্রকের সাম্প্রতিক আপত্তিকর পোস্টের ব্যাপারে অবগত আছি এবং সেগুলো সরিয়ে দিচ্ছি। ঘৃণামূলক বক্তব্য যেন আর না আসে, তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিচ্ছি।
তবে এবারই প্রথম নয়, কয়েক সপ্তাহ আগেই গ্রক পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ককে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালি দিয়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে ‘শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা’ ষড়যন্ত্র তত্ত্বও ছড়িয়েছে।
এই সমস্যার শুরুটা হয়েছিল ইলন মাস্কের হাত ধরেই। তিনি গ্রকের নিয়ম বদলে বলেছিলেন, ‘গণমাধ্যমের তথ্য পক্ষপাতদুষ্ট ধরে নিতে হবে, আর রাজনৈতিকভাবে অশুদ্ধ হলেও যদি প্রমাণ থাকে, সেটা বলতে দ্বিধা করা যাবে না।’
এখন অনেকে বলছে, মাস্কের এই এআই-কে ‘সত্য-অনুসন্ধানী’ বানানোর চেষ্টাই এটাকে উল্টো ‘ঘৃণা-প্রচারক’ বানিয়ে দিচ্ছে।
এদিকে মাস্ক বলেছেন, আমরা গ্রককে আরও ভালো করেছি, এখন প্রশ্ন করলে পার্থক্য বুঝবেন। কিন্তু ব্যবহারকারীরা বলছে, পার্থক্য শুধু একটাই গ্রক এখন আগের চেয়ে আরও বেশি পাগলামি করে যাচ্ছে!
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
১৪ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১৬ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে