সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, সিরির নতুন সংস্করণে গুগলের জেমিনি এআই মডেলকে ভিত্তি হিসেবে নিতে যাচ্ছে অ্যাপল। এর আগে তারা ওপেন এআই বা অ্যান্থ্রোপিকের সঙ্গে আলোচনা চালালেও শেষ পর্যন্ত গুগলকেই বেছে নিয়েছে।
এখানে প্রশ্ন আসতেই পারে, সিরি কি তবে গুগলের হাতে চলে যাচ্ছে?
মিনহাজ রহমান পিয়াস

টেক ইন্ডাস্ট্রিতে এমন কিছু চুক্তি থাকে, যেগুলো শুধু দুইটা কোম্পানির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এগুলো পুরো ইকোসিস্টেমের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দেয়। অ্যাপল–গুগলের ‘জেমিনি চুক্তি’ ঠিক তেমনই একটি ঘটনা। কারণ, এটা শুধু একটা এআই মডেল লাইসেন্সের গল্প না। এখানে একসঙ্গে জড়িত তিনটা বড় বিষয়। ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের ভবিষ্যৎ, মোবাইল প্ল্যাটফর্মে এআইয়ের মানদণ্ড আর ব্যবহারকারীর ডেটা-প্রাইভেসি।
সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, সিরির নতুন সংস্করণে গুগলের জেমিনি এআই মডেলকে ভিত্তি হিসেবে নিতে যাচ্ছে অ্যাপল। এর আগে তারা ওপেন এআই বা অ্যান্থ্রোপিকের সঙ্গে আলোচনা চালালেও শেষ পর্যন্ত গুগলকেই বেছে নিয়েছে।
এখানে প্রশ্ন আসতেই পারে, সিরি কি তবে গুগলের হাতে চলে যাচ্ছে? সমীকরণটি আসলে এত সরল নয়। অ্যাপল ও গুগলের রিপোর্ট ও যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অ্যাপল নিজস্ব অন-ডিভাইস প্রসেসিং এবং প্রাইভেট ক্লাউড সিস্টেম ব্যবহার করেই জেমিনি যুক্ত করবে। অর্থাৎ, অ্যাপলের ব্র্যান্ড-ডিএনএ ‘প্রাইভেসি ফার্স্ট’, এটাই এই চুক্তির সবচেয়ে বড় শর্ত।
ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই চুক্তির অংশ হিসেবে অ্যাপল প্রতি বছর গুগলকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার দেবে। মজার ব্যাপার হলো, এতদিন উল্টো চিত্র ছিল। আইফোন বা ম্যাকে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন থাকার জন্য গুগলই অ্যাপলকে টাকা দিত। রয়টার্সের এক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, এই অর্থের পরিমাণ বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের চোখে তাই দুটি ডিল একসঙ্গে, একটি সার্চে, আরেকটি এআই-এ মিলে এটা গুগলের একটা বড় কামব্যাক মনে হচ্ছে।
গত দুই বছরে এআই রেসে ‘কে এগিয়ে’ এই আলোচনা চলেছে ওপেন এআই, অ্যান্থ্রোপিক এবং গুগলকে ঘিরে। অ্যাপলের সঙ্গে গুগলের এই চুক্তি গুগলের জন্য তিনটি উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
১। ডিস্ট্রিবিউশন: আইফোন বা আইপ্যাডে জেমিনি ‘ডিফল্ট এক্সপেরিয়েন্স’ হয়ে উঠতে পারে।
২। ইন্ডাস্ট্রি সিগন্যাল: অ্যাপলের মতো কোম্পানি যখন বলে ‘কেয়ারফুল ইভাল্যুশন’–এর পর জেমিনিকে বেছে নেওয়া হচ্ছে, তখন ডেভেলপার আর বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে সেটার গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়।
৩। মার্কেট রিঅ্যাকশন: অ্যাপলের দেওয়া ঘোষণার পর গুগলের মার্কেট-ক্যাপ চার ট্রিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। এমনই রিপোর্ট এসেছে ব্যারনসহ বিভিন্ন ফাইন্যান্স মিডিয়াতেও।

দ্যা ভার্জ এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে সিরির একটি ‘পারসোনালাইজড’ ও ‘ক্যাপেবল’ সংস্করণ আসার কথা, যেখানে প্রশ্নোত্তরের বাইরে গিয়ে অ্যাপ-টু-অ্যাপ অ্যাকশন, বড় ও জটিল কুয়েরি, এবং ‘সহকারী’–ধাঁচের কাজ বাড়বে।
অ্যাপল–গুগলের আগের ‘সার্চ চুক্তি’ নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রে অ্যান্টিট্রাস্ট প্রশ্ন ছিল। এবার এআই পার্টনারশিপ যুক্ত হওয়ায় সেই নজরদারি আবার বাড়তে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। দ্যা ভার্জও এই সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে।
সব মিলিয়ে, এই চুক্তিকে ‘অ্যাপলের সিরি আপগ্রেশন’ বললে ছোট করে দেখা হবে। বাস্তবে এটা মোবাইল প্ল্যাটফর্মে এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তার একটি বড় পরীক্ষা। অ্যাপল হয়ত দেখাতে চায়, সবচেয়ে শক্তিশালী মডেল নিলেও ডেটার লাগাম থাকবে অ্যাপলের প্রাইভেসি আর্কিটেকচারের ভেতরে। অন্যদিকে গুগল হয়ত দেখাতে চায়, মডেল আর প্রাইভেসি শুধু ভালো হলেই হয় না, বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনজিউমার প্ল্যাটফর্মে পৌঁছাতে পারাটাই আসল কথা।

টেক ইন্ডাস্ট্রিতে এমন কিছু চুক্তি থাকে, যেগুলো শুধু দুইটা কোম্পানির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এগুলো পুরো ইকোসিস্টেমের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দেয়। অ্যাপল–গুগলের ‘জেমিনি চুক্তি’ ঠিক তেমনই একটি ঘটনা। কারণ, এটা শুধু একটা এআই মডেল লাইসেন্সের গল্প না। এখানে একসঙ্গে জড়িত তিনটা বড় বিষয়। ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের ভবিষ্যৎ, মোবাইল প্ল্যাটফর্মে এআইয়ের মানদণ্ড আর ব্যবহারকারীর ডেটা-প্রাইভেসি।
সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, সিরির নতুন সংস্করণে গুগলের জেমিনি এআই মডেলকে ভিত্তি হিসেবে নিতে যাচ্ছে অ্যাপল। এর আগে তারা ওপেন এআই বা অ্যান্থ্রোপিকের সঙ্গে আলোচনা চালালেও শেষ পর্যন্ত গুগলকেই বেছে নিয়েছে।
এখানে প্রশ্ন আসতেই পারে, সিরি কি তবে গুগলের হাতে চলে যাচ্ছে? সমীকরণটি আসলে এত সরল নয়। অ্যাপল ও গুগলের রিপোর্ট ও যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অ্যাপল নিজস্ব অন-ডিভাইস প্রসেসিং এবং প্রাইভেট ক্লাউড সিস্টেম ব্যবহার করেই জেমিনি যুক্ত করবে। অর্থাৎ, অ্যাপলের ব্র্যান্ড-ডিএনএ ‘প্রাইভেসি ফার্স্ট’, এটাই এই চুক্তির সবচেয়ে বড় শর্ত।
ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই চুক্তির অংশ হিসেবে অ্যাপল প্রতি বছর গুগলকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার দেবে। মজার ব্যাপার হলো, এতদিন উল্টো চিত্র ছিল। আইফোন বা ম্যাকে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন থাকার জন্য গুগলই অ্যাপলকে টাকা দিত। রয়টার্সের এক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, এই অর্থের পরিমাণ বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের চোখে তাই দুটি ডিল একসঙ্গে, একটি সার্চে, আরেকটি এআই-এ মিলে এটা গুগলের একটা বড় কামব্যাক মনে হচ্ছে।
গত দুই বছরে এআই রেসে ‘কে এগিয়ে’ এই আলোচনা চলেছে ওপেন এআই, অ্যান্থ্রোপিক এবং গুগলকে ঘিরে। অ্যাপলের সঙ্গে গুগলের এই চুক্তি গুগলের জন্য তিনটি উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
১। ডিস্ট্রিবিউশন: আইফোন বা আইপ্যাডে জেমিনি ‘ডিফল্ট এক্সপেরিয়েন্স’ হয়ে উঠতে পারে।
২। ইন্ডাস্ট্রি সিগন্যাল: অ্যাপলের মতো কোম্পানি যখন বলে ‘কেয়ারফুল ইভাল্যুশন’–এর পর জেমিনিকে বেছে নেওয়া হচ্ছে, তখন ডেভেলপার আর বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে সেটার গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়।
৩। মার্কেট রিঅ্যাকশন: অ্যাপলের দেওয়া ঘোষণার পর গুগলের মার্কেট-ক্যাপ চার ট্রিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। এমনই রিপোর্ট এসেছে ব্যারনসহ বিভিন্ন ফাইন্যান্স মিডিয়াতেও।

দ্যা ভার্জ এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে সিরির একটি ‘পারসোনালাইজড’ ও ‘ক্যাপেবল’ সংস্করণ আসার কথা, যেখানে প্রশ্নোত্তরের বাইরে গিয়ে অ্যাপ-টু-অ্যাপ অ্যাকশন, বড় ও জটিল কুয়েরি, এবং ‘সহকারী’–ধাঁচের কাজ বাড়বে।
অ্যাপল–গুগলের আগের ‘সার্চ চুক্তি’ নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রে অ্যান্টিট্রাস্ট প্রশ্ন ছিল। এবার এআই পার্টনারশিপ যুক্ত হওয়ায় সেই নজরদারি আবার বাড়তে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। দ্যা ভার্জও এই সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে।
সব মিলিয়ে, এই চুক্তিকে ‘অ্যাপলের সিরি আপগ্রেশন’ বললে ছোট করে দেখা হবে। বাস্তবে এটা মোবাইল প্ল্যাটফর্মে এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তার একটি বড় পরীক্ষা। অ্যাপল হয়ত দেখাতে চায়, সবচেয়ে শক্তিশালী মডেল নিলেও ডেটার লাগাম থাকবে অ্যাপলের প্রাইভেসি আর্কিটেকচারের ভেতরে। অন্যদিকে গুগল হয়ত দেখাতে চায়, মডেল আর প্রাইভেসি শুধু ভালো হলেই হয় না, বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনজিউমার প্ল্যাটফর্মে পৌঁছাতে পারাটাই আসল কথা।
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
৯ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১১ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে