আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ দিনটিকে কেন্দ্র করে নানা সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘কর্মস্থলে ডায়াবেটিস বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করুন’।
স্ট্রিম ডেস্ক

একসময় বাংলাদেশে ডায়াবেটিসকে ভাবা হতো বড়লোকের রোগ। কিন্তু সেই ধারণা এখন অতীত। নগরায়ণ, পরিবর্তিত জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের ফলে ডায়াবেটিস এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে এক নীরব মহামারির রূপ নিয়েছে। শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত এই রোগ দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিভিন্ন সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্য ও গবেষণাপত্রগুলো বলছে, পরিস্থিতি কেবল উদ্বেগজনকই নয়, রীতিমতো আশঙ্কাজনক। এই রোগ এখন আর কেবল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যও বিরাট হুমকি।
পরিসংখ্যানের আয়নায় বাংলাদেশের চিত্র
ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ) চলতি বছরের শুরুর ‘ডায়াবেটিস অ্যাটলাস’ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি। তবে এর চেয়েও ভয়ের কারণ হলো, এদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই জানেন না যে তারা এই রোগে আক্রান্ত। এই বিশালসংখ্যক অনাবিষ্কৃত রোগী বা ‘আন-ডায়াগনোসড কেস’ নীরবে শরীরকে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বাডাস) বিভিন্ন সমীক্ষা ও গবেষণাও একই চিত্র তুলে ধরে। তাঁদের তথ্যমতে, শুধু ডায়াবেটিসই নয়, এর আগের ধাপ অর্থাৎ ‘প্রি-ডায়াবেটিস’-এ আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও প্রায় সমান। প্রি-ডায়াবেটিস হলো যখন রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, কিন্তু ডায়াবেটিস হিসেবে চিহ্নিত করার মতো নয়। সময়মতো জীবনযাত্রায় পরিবর্তন না আনলে এই প্রি-ডায়াবেটিক জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশই আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে পূর্ণ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবে।
বেসরকারি উন্নয়ন ও গবেষণা সংস্থা এমিনেন্সের জরিপগুলো বলছে, কায়িক শ্রমের অভাব, প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি আসক্তি ও স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব গ্রামীণ এলাকাতেও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।
কেন এই নীরব সুনামি, কারণ অনুসন্ধান
বাংলাদেশের ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এতটা জটিল হওয়ার পেছনে একক কোনো কারণ নেই। এর পেছনে রয়েছে বহুমুখী আর্থ-সামাজিক, জিনগত ও জীবনযাপনের জটিল মিশ্রণ। দ্য ল্যানসেট-এর গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের জিনগতভাবেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি, যা ‘থ্রিফটি ফেনোটাইপ হাইপোথিসিস’ দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়। এই অঞ্চলের মানুষের শরীর শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে বেশি পারদর্শী, যা আধুনিক উচ্চ-ক্যালরির খাদ্যাভ্যাসের যুগে স্থূলতা ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দ্রুত নগরায়ণ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন। গ্রাম ছেড়ে শহরে আসার প্রবণতা, কায়িক শ্রম কমে যাওয়া, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে কাজ করা, ফাস্টফুড ও কোমল পানীয়ের প্রতি আসক্তি—এই সবকিছুই ডায়াবেটিসের ঝুঁকিকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।
পাশাপাশি, সচেতনতার অভাব পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করেছে। বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল বুলেটিনের প্রতিবেদন মতে, দেশের একটি বড় অংশের মানুষ ডায়াবেটিসের লক্ষণ, ভয়াবহতা ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন। ফলে রোগ শনাক্ত হওয়ার আগেই শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, যেমন—কিডনি, চোখ, হৃৎপিণ্ড বা স্নায়ুতন্ত্রের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যায়। দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে ডায়াবেটিস নির্ণয় ও ব্যবস্থাপনার সুযোগ এখনো সীমিত এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার খরচও অনেকের নাগালের বাইরে।
সাম্প্রতিক গবেষণা কী বলছে?
সাম্প্রতিককালে প্রকাশিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় জার্নালের গবেষণাপত্রগুলো কিছু নতুন প্রবণতার দিকে ইঙ্গিত করছে, যা ভবিষ্যতের জন্য আরও বড় সতর্কবার্তা। অত্যন্ত উদ্বেগজনক প্রবণতা হলো, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এখন আর শুধু বয়স্কদের রোগ নেই; স্থূলতা ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কারণে ৩০ বছরের কম বয়সী, এমনকি শিশু-কিশোরদের মধ্যেও এই রোগ দেখা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বাড়ছে, যা পরবর্তী সময়ে মা ও সন্তান উভয়েরই টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
সমন্বিত লড়াইয়ের আহ্বান
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ইন ডায়াবেটিস, এন্ডোক্রাইন অ্যান্ড মেটাবলিক ডিসঅর্ডারস (বারডেম) বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নীরব মহামারিকে রুখতে হলে সমন্বিত ও বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা অপরিহার্য। সরকারকে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অবিচ্ছেদ্য অংশ করতে হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে স্ক্রিনিং কর্মসূচি চালু করে যত বেশি সম্ভব অনাবিষ্কৃত রোগীকে শনাক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে, স্কুল-কলেজের পাঠ্যসূচি থেকে শুরু করে গণমাধ্যম—সব জায়গায় ডায়াবেটিস প্রতিরোধের বার্তা পৌঁছে দিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।
স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার জন্য পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ডায়াবেটিসের কারণ ও প্রতিরোধের উপায় নিয়ে আরও গভীর ও বিস্তৃত গবেষণার জন্য সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।

একসময় বাংলাদেশে ডায়াবেটিসকে ভাবা হতো বড়লোকের রোগ। কিন্তু সেই ধারণা এখন অতীত। নগরায়ণ, পরিবর্তিত জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের ফলে ডায়াবেটিস এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে এক নীরব মহামারির রূপ নিয়েছে। শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত এই রোগ দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিভিন্ন সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্য ও গবেষণাপত্রগুলো বলছে, পরিস্থিতি কেবল উদ্বেগজনকই নয়, রীতিমতো আশঙ্কাজনক। এই রোগ এখন আর কেবল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যও বিরাট হুমকি।
পরিসংখ্যানের আয়নায় বাংলাদেশের চিত্র
ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ) চলতি বছরের শুরুর ‘ডায়াবেটিস অ্যাটলাস’ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি। তবে এর চেয়েও ভয়ের কারণ হলো, এদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই জানেন না যে তারা এই রোগে আক্রান্ত। এই বিশালসংখ্যক অনাবিষ্কৃত রোগী বা ‘আন-ডায়াগনোসড কেস’ নীরবে শরীরকে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বাডাস) বিভিন্ন সমীক্ষা ও গবেষণাও একই চিত্র তুলে ধরে। তাঁদের তথ্যমতে, শুধু ডায়াবেটিসই নয়, এর আগের ধাপ অর্থাৎ ‘প্রি-ডায়াবেটিস’-এ আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও প্রায় সমান। প্রি-ডায়াবেটিস হলো যখন রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, কিন্তু ডায়াবেটিস হিসেবে চিহ্নিত করার মতো নয়। সময়মতো জীবনযাত্রায় পরিবর্তন না আনলে এই প্রি-ডায়াবেটিক জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশই আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে পূর্ণ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবে।
বেসরকারি উন্নয়ন ও গবেষণা সংস্থা এমিনেন্সের জরিপগুলো বলছে, কায়িক শ্রমের অভাব, প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি আসক্তি ও স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব গ্রামীণ এলাকাতেও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।
কেন এই নীরব সুনামি, কারণ অনুসন্ধান
বাংলাদেশের ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এতটা জটিল হওয়ার পেছনে একক কোনো কারণ নেই। এর পেছনে রয়েছে বহুমুখী আর্থ-সামাজিক, জিনগত ও জীবনযাপনের জটিল মিশ্রণ। দ্য ল্যানসেট-এর গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের জিনগতভাবেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি, যা ‘থ্রিফটি ফেনোটাইপ হাইপোথিসিস’ দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়। এই অঞ্চলের মানুষের শরীর শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে বেশি পারদর্শী, যা আধুনিক উচ্চ-ক্যালরির খাদ্যাভ্যাসের যুগে স্থূলতা ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দ্রুত নগরায়ণ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন। গ্রাম ছেড়ে শহরে আসার প্রবণতা, কায়িক শ্রম কমে যাওয়া, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে কাজ করা, ফাস্টফুড ও কোমল পানীয়ের প্রতি আসক্তি—এই সবকিছুই ডায়াবেটিসের ঝুঁকিকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।
পাশাপাশি, সচেতনতার অভাব পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করেছে। বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল বুলেটিনের প্রতিবেদন মতে, দেশের একটি বড় অংশের মানুষ ডায়াবেটিসের লক্ষণ, ভয়াবহতা ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন। ফলে রোগ শনাক্ত হওয়ার আগেই শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, যেমন—কিডনি, চোখ, হৃৎপিণ্ড বা স্নায়ুতন্ত্রের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যায়। দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে ডায়াবেটিস নির্ণয় ও ব্যবস্থাপনার সুযোগ এখনো সীমিত এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার খরচও অনেকের নাগালের বাইরে।
সাম্প্রতিক গবেষণা কী বলছে?
সাম্প্রতিককালে প্রকাশিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় জার্নালের গবেষণাপত্রগুলো কিছু নতুন প্রবণতার দিকে ইঙ্গিত করছে, যা ভবিষ্যতের জন্য আরও বড় সতর্কবার্তা। অত্যন্ত উদ্বেগজনক প্রবণতা হলো, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এখন আর শুধু বয়স্কদের রোগ নেই; স্থূলতা ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কারণে ৩০ বছরের কম বয়সী, এমনকি শিশু-কিশোরদের মধ্যেও এই রোগ দেখা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বাড়ছে, যা পরবর্তী সময়ে মা ও সন্তান উভয়েরই টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
সমন্বিত লড়াইয়ের আহ্বান
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ইন ডায়াবেটিস, এন্ডোক্রাইন অ্যান্ড মেটাবলিক ডিসঅর্ডারস (বারডেম) বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নীরব মহামারিকে রুখতে হলে সমন্বিত ও বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা অপরিহার্য। সরকারকে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অবিচ্ছেদ্য অংশ করতে হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে স্ক্রিনিং কর্মসূচি চালু করে যত বেশি সম্ভব অনাবিষ্কৃত রোগীকে শনাক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে, স্কুল-কলেজের পাঠ্যসূচি থেকে শুরু করে গণমাধ্যম—সব জায়গায় ডায়াবেটিস প্রতিরোধের বার্তা পৌঁছে দিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।
স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার জন্য পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ডায়াবেটিসের কারণ ও প্রতিরোধের উপায় নিয়ে আরও গভীর ও বিস্তৃত গবেষণার জন্য সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
৯ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১১ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে