স্ট্রিম ডেস্ক

বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং জানিয়েছেন, তিনি আর নতুন কোনো প্লেব্যাক গানের কাজ নেবেন না। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সংগীত থেকে সরে যাচ্ছেন না। বরং আবার নতুন করে শুরু করতে চান বাঙালি এই গায়ক, ফিরতে চান ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে। ‘তুম হি হো’, ‘কেশরিয়া’, ‘ছান্না মেরেয়া’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়ে কয়েক প্রজন্মের শ্রোতাদের মন জয় করা এই শিল্পীর ঘোষণায় ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় ও আবেগের সৃষ্টি হয়েছে। খবর: টাইমস অব ইন্ডিয়া
ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় অরিজিৎ সিং তাঁর শ্রোতাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি লেখেন, ‘সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। এত বছর ধরে একজন শ্রোতা হিসেবে আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এখন থেকে আর প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে নতুন কোনো কাজ নেব না। আমি এখানেই ইতি টানছি। এটা ছিল দারুণ এক যাত্রা।’
এই ঘোষণার পরই দেশজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। পরে নিজের ব্যক্তিগত ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে দেওয়া একাধিক পোস্টে অরিজিৎ সিং সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটিমাত্র কারণ নয়, একাধিক কারণ আছে এবং তিনি অনেক দিন ধরেই এটা করতে চাচ্ছিলেন।
তিনি লেখেন, ‘খুব সাধারণ একটা কারণ হলো আমি খুব তাড়াতাড়ি বোর হয়ে যাই। সে কারণেই একই গান মঞ্চে গাইতে গিয়ে বারবার তার অ্যারেঞ্জমেন্ট বদলাই। সত্যি কথা বলতে, আমি বোর হয়ে গেছি। বাঁচার জন্য আমাকে অন্যরকম সংগীত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, নতুন কণ্ঠশিল্পীদের উঠে আসতে দেখতেও তিনি আগ্রহী। তাঁর কথায়, ‘আরেকটা কারণ হলো, আমি চাই নতুন কেউ আসুক, যে আমাকে নতুন করে অনুপ্রেরণা দেবে।’
ভক্তদের আশ্বস্ত করে অরিজিৎ সিং জানান, সংগীতই তাঁর আসল ঠিকানা। তিনি বলেন, ‘আমি আবার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে ফিরতে চাই। আমি আবার নতুন করে গান তৈরি করতে চাই। আবার শুরু করতে চাই।’
এখন পর্যন্ত যাত্রা নিয়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঈশ্বর আমার প্রতি খুব দয়ালু ছিলেন। আমি ভালো সংগীতের একজন ভক্ত। ভবিষ্যতে আরও শিখব এবং নিজের মতো করে আরও কাজ করব—একজন সাধারণ শিল্পী হিসেবেই।’
তবে অরিজিৎ সিং এও জানিয়েছেন, যেসব কাজ আগে থেকে চুক্তিবদ্ধ আছে, সেগুলো তিনি শেষ করবেন। তিনি বলেন, ‘আমার কিছু পেন্ডিং কমিটমেন্ট আছে, সেগুলো শেষ করব। তাই এ বছরও হয়তো কিছু গান মুক্তি পেতে পারে। পরিষ্কার করে বলছি, আমি গান করা বন্ধ করছি না।’
প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে ‘ফেম গুরুকুল’ নামে একটি রিয়েলিটি শোতে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে সংগীতজীবন শুরু করেন অরিজিৎ সিং। ২০১১ সালে ‘মার্ডার ২’ ছবির ‘ফির মহব্বত’ গানের মাধ্যমে বলিউডে প্লেব্যাক যাত্রা শুরু হলেও ২০১৩ সালে ‘আশিকি ২’-এর ‘তুম হি হো’ গান তাঁকে তারকাখ্যাতি এনে দেয় এবং এনে দেয় তাঁর প্রথম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। এরপর ‘চান্না মেরেয়া’, ‘আগার তুম সাথ হো’, ‘রাবতা’, ‘কেশরিয়া’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘তেরে ইয়ার হুঁ ম্যায়’, ‘তুঝে কিতনা চাহনে লাগে’—এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে ‘বর্ডার ২’ ছবির ‘ঘর কব আওগে’ গানও শ্রোতাদের ছুঁয়েছে।

বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং জানিয়েছেন, তিনি আর নতুন কোনো প্লেব্যাক গানের কাজ নেবেন না। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সংগীত থেকে সরে যাচ্ছেন না। বরং আবার নতুন করে শুরু করতে চান বাঙালি এই গায়ক, ফিরতে চান ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে। ‘তুম হি হো’, ‘কেশরিয়া’, ‘ছান্না মেরেয়া’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়ে কয়েক প্রজন্মের শ্রোতাদের মন জয় করা এই শিল্পীর ঘোষণায় ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় ও আবেগের সৃষ্টি হয়েছে। খবর: টাইমস অব ইন্ডিয়া
ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় অরিজিৎ সিং তাঁর শ্রোতাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি লেখেন, ‘সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। এত বছর ধরে একজন শ্রোতা হিসেবে আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এখন থেকে আর প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে নতুন কোনো কাজ নেব না। আমি এখানেই ইতি টানছি। এটা ছিল দারুণ এক যাত্রা।’
এই ঘোষণার পরই দেশজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। পরে নিজের ব্যক্তিগত ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে দেওয়া একাধিক পোস্টে অরিজিৎ সিং সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটিমাত্র কারণ নয়, একাধিক কারণ আছে এবং তিনি অনেক দিন ধরেই এটা করতে চাচ্ছিলেন।
তিনি লেখেন, ‘খুব সাধারণ একটা কারণ হলো আমি খুব তাড়াতাড়ি বোর হয়ে যাই। সে কারণেই একই গান মঞ্চে গাইতে গিয়ে বারবার তার অ্যারেঞ্জমেন্ট বদলাই। সত্যি কথা বলতে, আমি বোর হয়ে গেছি। বাঁচার জন্য আমাকে অন্যরকম সংগীত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, নতুন কণ্ঠশিল্পীদের উঠে আসতে দেখতেও তিনি আগ্রহী। তাঁর কথায়, ‘আরেকটা কারণ হলো, আমি চাই নতুন কেউ আসুক, যে আমাকে নতুন করে অনুপ্রেরণা দেবে।’
ভক্তদের আশ্বস্ত করে অরিজিৎ সিং জানান, সংগীতই তাঁর আসল ঠিকানা। তিনি বলেন, ‘আমি আবার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে ফিরতে চাই। আমি আবার নতুন করে গান তৈরি করতে চাই। আবার শুরু করতে চাই।’
এখন পর্যন্ত যাত্রা নিয়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঈশ্বর আমার প্রতি খুব দয়ালু ছিলেন। আমি ভালো সংগীতের একজন ভক্ত। ভবিষ্যতে আরও শিখব এবং নিজের মতো করে আরও কাজ করব—একজন সাধারণ শিল্পী হিসেবেই।’
তবে অরিজিৎ সিং এও জানিয়েছেন, যেসব কাজ আগে থেকে চুক্তিবদ্ধ আছে, সেগুলো তিনি শেষ করবেন। তিনি বলেন, ‘আমার কিছু পেন্ডিং কমিটমেন্ট আছে, সেগুলো শেষ করব। তাই এ বছরও হয়তো কিছু গান মুক্তি পেতে পারে। পরিষ্কার করে বলছি, আমি গান করা বন্ধ করছি না।’
প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে ‘ফেম গুরুকুল’ নামে একটি রিয়েলিটি শোতে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে সংগীতজীবন শুরু করেন অরিজিৎ সিং। ২০১১ সালে ‘মার্ডার ২’ ছবির ‘ফির মহব্বত’ গানের মাধ্যমে বলিউডে প্লেব্যাক যাত্রা শুরু হলেও ২০১৩ সালে ‘আশিকি ২’-এর ‘তুম হি হো’ গান তাঁকে তারকাখ্যাতি এনে দেয় এবং এনে দেয় তাঁর প্রথম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। এরপর ‘চান্না মেরেয়া’, ‘আগার তুম সাথ হো’, ‘রাবতা’, ‘কেশরিয়া’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘তেরে ইয়ার হুঁ ম্যায়’, ‘তুঝে কিতনা চাহনে লাগে’—এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে ‘বর্ডার ২’ ছবির ‘ঘর কব আওগে’ গানও শ্রোতাদের ছুঁয়েছে।
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
৯ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১১ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে