বাংলা স্ট্রিম

প্রতিদিনের মত গতকালও ভোরের আলো ফুটেছিল। এই ভোরেই নিভে গেল সংগীতজগতের এক আলো। ঢাকার বনানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মুস্তাফা জামান আব্বাসী। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ছিলেন সুরকার, সংগীত সংগ্রাহক, গবেষক ও লেখক। আর সবকিছুর ওপরে ছিলেন একজন মানুষ, যিনি সারা জীবন বাংলা গান আর লোক-সংস্কৃতির জন্য কাজ করে গেছেন।
মুস্তাফা জামান আব্বাসী তাঁর বাবা কিংবদন্তি শিল্পী আব্বাসউদ্দিন আহমদের মতই ভাওয়াইয়া গানকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর কণ্ঠে ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালী, দেহতত্ত্ব, মুর্শিদী, চটকা, মারফতীসহ গ্রামবাংলার লোকগীতি শ্রোতাপ্রিয় হয়েছে। বাবার সাথে গ্রাম থেকে শহর, শহর থেকে গ্রামে ঘুরে ঘুরে লোকগানের সুর শুনেছেন। আব্বাসউদ্দিনের মৃত্যুর পর সেই সুরসাধনার ধারা তিনি শুধু বজায়ই রাখেননি, একে নিয়ে গেছেন গবেষণার পরিসরে।
ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক আবহে বড় হয়েছিলেন তিনি। আব্বাসউদ্দিন আহমদ তো একাই বটবৃক্ষ। এছাড়া তাঁর চাচা ছিলেন পল্লীগীতি শিল্পী আব্দুল করিম। বোন ফেরদৌসী রহমান পল্লীগীতি, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুল সংগীত ও আধুনিক গানের শিল্পী। আবার কলকাতায় তাঁদের বাড়িতে কবি গোলাম মুস্তাফা, কবি জসীমউদ্দীন, আসাদউদ্দৌলা শিরাজী, কবি তালিম হোসেন, বেদার উদ্দীন আহমদ, সোহরাব হোসেনসহ আরও অনেক কবি-শিল্পীর যাতায়াত ছিল। ঢাকার বাসায় সান্নিধ্য পেয়েছেন কবি সুফিয়া কামাল, ইব্রাহীম খাঁ, আবদুল লতিফ, আবদুল হালিম চৌধুরী, নাজির আহমদ, আবদুল আহাদ, ফতেহ লোহানী, জাহানারা আরজু, শামসুর রাহমানের মত মানুষদের।
১৯৩৭ সালের ৮ ডিসেম্বর ভারতের কুচবিহার জেলার বলরামপুর গ্রামে মুস্তাফা জামান আব্বাসীর জন্ম। পড়াশোনা করেছেন বলরামপুর হাই স্কুল, কুচবিহারের জেনকিনস্ স্কুল, পার্ক সার্কাসের মডার্ন স্কুলে। ঢাকাপর্বে সেন্ট গ্রেগরিজ হাইস্কুল আর ঢাকা কলেজ। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে পড়াশোনা করেছিলেন।
আব্বাসীর শৈশব ও কৈশোর ছিল স্মৃতিমাখা। শৈশবের বেশিরভাগ সময় কেটেছিল বলরামপুরে। গ্রাম ও বেড়ে ওঠা সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, ‘সবচেয়ে সুমধুর, সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে মায়ার অঞ্জন ছড়ানো একটি নাম বলরাম। নামটি উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বসন্তের সমীরণ যেন বয়ে যায় শিরায় শিরায়।

দেশভাগের বেদনা সাথে করে ১৯৪৭ সালে আব্বাসউদ্দিন আহমদ সপরিবারে ঢাকায় চলে আসেন। পুরান ঢাকার নারিন্দায় ধোলাই খালের পাড়ে ৭৭ নম্বর ঋষিকেশ দাস রোডে তাঁরা থাকতেন। এরপরের ঠিকানা ৬৮/১, পুরানা পল্টন, হীরামন মঞ্জিল। তাই কৈশোরর স্মৃতিতে জমা ছিল আমাদের পুরান ঢাকা।
মুস্তাফা জামান আব্বাসী সংগীতে তালিম নিয়েছিলেন ওস্তাদ মুহাম্মদ হোসেন খসরু, ওস্তাদ গুল মোহাম্মদ খানসহ বিখ্যাত অনেক সংগীতগুরুর কাছে। ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সংগীতে তালিম ছিল তাঁর। কিন্তু তাঁর খ্যাতি মূলত লোকসংগীতেই। ছয় দশক ধরে তিনি লোকসংগীত শিল্পী হিসেবে মাতিয়ে রেখেছেন আমাদের।
ভাওয়াইয়া গানের শ্রোতাপ্রিয় শিল্পীর পাশাপাশি একজন গবেষক হিসেবেও ভাওয়াইয়াকে সব মহলে পৌঁছাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা ছিল তাঁর। শুধু লোকসংগীত নয়, নজরুল ইসলামের ইসলামি গানকে তিনি সবার কাছে নিয়ে যান। নজরুলের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞও ছিলেন তিনি। তিনি বলতেন, ‘আমার শরীরের প্রতি লোমকূপ নজরুলের কাছে ঋণী।’
এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষে বেশ কয়েকটি সিনেমায় তিনি প্লেব্যাক করেছেন। হিন্দি, উর্দু গানও গেয়েছেন। আবার গজলও গেয়েছেন। গজলের কিংবদন্তি মেহেদি হাসানের সঙ্গে তাঁর আন্তরিক সম্পর্ক ছিল। মোস্তাফা জামান আব্বাসী পাকিস্তানে কর্মরত অবস্থায় মেহেদি হাসানের সাথে তাঁর দেখা হয়। মেহেদি হাসান এয়ারফোর্সের কর্মচারী ছিলেন, তখন কেউ চিনতেন না তাকে। গলা শুনে মেহেদি হাসানকে ক্ল্যাসিক্যাল সংগীত শেখার পরামর্শ দিয়েছিলেন আব্বাসী। আব্বাসী এই প্রসঙ্গে বলতেন, ‘আজও যখন সেই শিল্পীর গান শুনি তখন মনে হয়, এই তো আমার বন্ধুর গান শুনছি।’
মুস্তাফা জামান আব্বাসীর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৫০টির বেশী। ‘আমার ঠিকানা’ ও ‘ভরা নদীর বাঁকে’ নামে দুটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তিনি। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের শুরু থেকেই সংগীত ও সংস্কৃতির নানা বিষয় নিয়ে তিনি অসংখ্য অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মুস্তাফা জামান আব্বাসী ১৯৯৫ সালে সংগীতে অবদানের জন্য একুশে পদক পেয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি চ্যানেল আই নজরুল মেলা আজীবন সম্মাননা ,মানিক মিয়া অ্যাওয়ার্ড, নজরুল পদক, আব্বাসউদ্দীন স্বর্ণ পদক, সিলেট সংগীত পদক, লালন পরিষদ অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য পুরস্কার ও পদকে ভূষিত হয়েছিলেন।
তাঁর এই চলে যাওয়া মানে শুধু একজন গুণী মানুষকে হারানো নয়, মানে হলো এক চলমান ইতিহাস, এক জীবন্ত জ্ঞানভাণ্ডারকে হারানো। যাঁরা গানকে শুধু গাওয়ার জিনিস না ভেবে, গবেষণা আর মমতা দিয়ে আগলে রেখেছেন, মোস্তাফা জামান আব্বাসী তাঁদের পথ দেখিয়েছেন।

প্রতিদিনের মত গতকালও ভোরের আলো ফুটেছিল। এই ভোরেই নিভে গেল সংগীতজগতের এক আলো। ঢাকার বনানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মুস্তাফা জামান আব্বাসী। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ছিলেন সুরকার, সংগীত সংগ্রাহক, গবেষক ও লেখক। আর সবকিছুর ওপরে ছিলেন একজন মানুষ, যিনি সারা জীবন বাংলা গান আর লোক-সংস্কৃতির জন্য কাজ করে গেছেন।
মুস্তাফা জামান আব্বাসী তাঁর বাবা কিংবদন্তি শিল্পী আব্বাসউদ্দিন আহমদের মতই ভাওয়াইয়া গানকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর কণ্ঠে ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালী, দেহতত্ত্ব, মুর্শিদী, চটকা, মারফতীসহ গ্রামবাংলার লোকগীতি শ্রোতাপ্রিয় হয়েছে। বাবার সাথে গ্রাম থেকে শহর, শহর থেকে গ্রামে ঘুরে ঘুরে লোকগানের সুর শুনেছেন। আব্বাসউদ্দিনের মৃত্যুর পর সেই সুরসাধনার ধারা তিনি শুধু বজায়ই রাখেননি, একে নিয়ে গেছেন গবেষণার পরিসরে।
ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক আবহে বড় হয়েছিলেন তিনি। আব্বাসউদ্দিন আহমদ তো একাই বটবৃক্ষ। এছাড়া তাঁর চাচা ছিলেন পল্লীগীতি শিল্পী আব্দুল করিম। বোন ফেরদৌসী রহমান পল্লীগীতি, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুল সংগীত ও আধুনিক গানের শিল্পী। আবার কলকাতায় তাঁদের বাড়িতে কবি গোলাম মুস্তাফা, কবি জসীমউদ্দীন, আসাদউদ্দৌলা শিরাজী, কবি তালিম হোসেন, বেদার উদ্দীন আহমদ, সোহরাব হোসেনসহ আরও অনেক কবি-শিল্পীর যাতায়াত ছিল। ঢাকার বাসায় সান্নিধ্য পেয়েছেন কবি সুফিয়া কামাল, ইব্রাহীম খাঁ, আবদুল লতিফ, আবদুল হালিম চৌধুরী, নাজির আহমদ, আবদুল আহাদ, ফতেহ লোহানী, জাহানারা আরজু, শামসুর রাহমানের মত মানুষদের।
১৯৩৭ সালের ৮ ডিসেম্বর ভারতের কুচবিহার জেলার বলরামপুর গ্রামে মুস্তাফা জামান আব্বাসীর জন্ম। পড়াশোনা করেছেন বলরামপুর হাই স্কুল, কুচবিহারের জেনকিনস্ স্কুল, পার্ক সার্কাসের মডার্ন স্কুলে। ঢাকাপর্বে সেন্ট গ্রেগরিজ হাইস্কুল আর ঢাকা কলেজ। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে পড়াশোনা করেছিলেন।
আব্বাসীর শৈশব ও কৈশোর ছিল স্মৃতিমাখা। শৈশবের বেশিরভাগ সময় কেটেছিল বলরামপুরে। গ্রাম ও বেড়ে ওঠা সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, ‘সবচেয়ে সুমধুর, সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে মায়ার অঞ্জন ছড়ানো একটি নাম বলরাম। নামটি উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বসন্তের সমীরণ যেন বয়ে যায় শিরায় শিরায়।

দেশভাগের বেদনা সাথে করে ১৯৪৭ সালে আব্বাসউদ্দিন আহমদ সপরিবারে ঢাকায় চলে আসেন। পুরান ঢাকার নারিন্দায় ধোলাই খালের পাড়ে ৭৭ নম্বর ঋষিকেশ দাস রোডে তাঁরা থাকতেন। এরপরের ঠিকানা ৬৮/১, পুরানা পল্টন, হীরামন মঞ্জিল। তাই কৈশোরর স্মৃতিতে জমা ছিল আমাদের পুরান ঢাকা।
মুস্তাফা জামান আব্বাসী সংগীতে তালিম নিয়েছিলেন ওস্তাদ মুহাম্মদ হোসেন খসরু, ওস্তাদ গুল মোহাম্মদ খানসহ বিখ্যাত অনেক সংগীতগুরুর কাছে। ভারতীয় উচ্চাঙ্গ সংগীতে তালিম ছিল তাঁর। কিন্তু তাঁর খ্যাতি মূলত লোকসংগীতেই। ছয় দশক ধরে তিনি লোকসংগীত শিল্পী হিসেবে মাতিয়ে রেখেছেন আমাদের।
ভাওয়াইয়া গানের শ্রোতাপ্রিয় শিল্পীর পাশাপাশি একজন গবেষক হিসেবেও ভাওয়াইয়াকে সব মহলে পৌঁছাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা ছিল তাঁর। শুধু লোকসংগীত নয়, নজরুল ইসলামের ইসলামি গানকে তিনি সবার কাছে নিয়ে যান। নজরুলের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞও ছিলেন তিনি। তিনি বলতেন, ‘আমার শরীরের প্রতি লোমকূপ নজরুলের কাছে ঋণী।’
এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষে বেশ কয়েকটি সিনেমায় তিনি প্লেব্যাক করেছেন। হিন্দি, উর্দু গানও গেয়েছেন। আবার গজলও গেয়েছেন। গজলের কিংবদন্তি মেহেদি হাসানের সঙ্গে তাঁর আন্তরিক সম্পর্ক ছিল। মোস্তাফা জামান আব্বাসী পাকিস্তানে কর্মরত অবস্থায় মেহেদি হাসানের সাথে তাঁর দেখা হয়। মেহেদি হাসান এয়ারফোর্সের কর্মচারী ছিলেন, তখন কেউ চিনতেন না তাকে। গলা শুনে মেহেদি হাসানকে ক্ল্যাসিক্যাল সংগীত শেখার পরামর্শ দিয়েছিলেন আব্বাসী। আব্বাসী এই প্রসঙ্গে বলতেন, ‘আজও যখন সেই শিল্পীর গান শুনি তখন মনে হয়, এই তো আমার বন্ধুর গান শুনছি।’
মুস্তাফা জামান আব্বাসীর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৫০টির বেশী। ‘আমার ঠিকানা’ ও ‘ভরা নদীর বাঁকে’ নামে দুটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তিনি। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের শুরু থেকেই সংগীত ও সংস্কৃতির নানা বিষয় নিয়ে তিনি অসংখ্য অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মুস্তাফা জামান আব্বাসী ১৯৯৫ সালে সংগীতে অবদানের জন্য একুশে পদক পেয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি চ্যানেল আই নজরুল মেলা আজীবন সম্মাননা ,মানিক মিয়া অ্যাওয়ার্ড, নজরুল পদক, আব্বাসউদ্দীন স্বর্ণ পদক, সিলেট সংগীত পদক, লালন পরিষদ অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য পুরস্কার ও পদকে ভূষিত হয়েছিলেন।
তাঁর এই চলে যাওয়া মানে শুধু একজন গুণী মানুষকে হারানো নয়, মানে হলো এক চলমান ইতিহাস, এক জীবন্ত জ্ঞানভাণ্ডারকে হারানো। যাঁরা গানকে শুধু গাওয়ার জিনিস না ভেবে, গবেষণা আর মমতা দিয়ে আগলে রেখেছেন, মোস্তাফা জামান আব্বাসী তাঁদের পথ দেখিয়েছেন।
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
১৬ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১৮ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
২ দিন আগে