যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। মূলত মা মীরা নায়ার ও বাবা মাহমুদ মামদানির ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবন জোহরানকে প্রভাবিত করেছে, জোহরানও একাধিকবার তা উল্লেখ করেছেন।
রাতুল আল আহমেদ

দীঘল কাজল টানা চোখের বাঙালি সাজে ‘তাবু’র কথা কেই-বা ভুলতে পেরেছে! ইরফান খানের সঙ্গে ‘নেমসেক’ সিনেমায় নিউইয়র্ক প্রবাসী বাঙালি পরিবারের গল্পকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন তাবু। ভাবছেন, নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনের সঙ্গে এ সিনেমার সম্পর্ক কোথায়? কিন্তু, জানতেন কি ঝুম্পা লাহিড়ীর নেমসেক উপন্যাস অবলম্বনে এ সিনেমা বানানোই হতো না, যদি না জোহরান মামদানি জোর খাটিয়ে তাঁর মা-কে রাজি করাতেন!
২০১৮ সালে ভারতের ‘জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল’-এ সাংবাদিক বীর সাংভি-কে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে মামদানির মা প্রখ্যাত নির্মাতা মীরা নায়ার ঠিক এমনটাই জানিয়েছিলেন। সে সাক্ষাতকারে তিনি জানান, ২০০৭ সালে তিনি যখন নেমসেক বানানোর পরিকল্পনা শুরু করবেন, ঠিক তখনই বিখ্যাত হ্যারি পটার সিরিজের পঞ্চম পর্ব 'অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স' সিনেমা পরিচালনার প্রস্তাব আসে তাঁর কাছে।
বিখ্যাত ফ্র্যাঞ্চাইজি, সঙ্গে অর্থপ্রাপ্তির সংখ্যাটাও মন্দ নয়। মীরা তখন দ্বিধায় ভুগছেন। তখন এগিয়ে এলেন তাঁর ১৪ বছরের কিশোর সন্তান জোহরান মামদানি। নিজে হ্যারি পটার ভক্ত হয়েও মা-কে বললেন, ‘আরও অনেক ভাল ভাল পরিচালক আছেন যারা হ্যারি পটার বানাতে পারবেন। কিন্তু নেমসেক একজনই বানাতে পারবে, আর সেটা তুমি!’
আর এভাবেই জন্ম নিলো হাজারো বাঙালির প্রিয় সিনেমা ‘নেমসেক’।
নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির মা মীরা নায়ার একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র পরিচালক। ১৯৫৭ সালে পাঞ্জাবি হিন্দু পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আর বেড়ে ওঠেন উড়িষ্যায়। তিনি কলকাতা ও দিল্লিতে পড়াশোনার পর যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে যান। এরপর ফ্রান্সে যান সিনেমা নিয়ে উন্নত প্রশিক্ষণ নিতে।
নেমসেক ছাড়াও মীরার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘সালাম বম্বে’ (১৯৮৮), ‘মিসিসিপি মাসালা’ (১৯৯১), ‘মনসুন ওয়েডিং’ (২০০১)। এই সিনেমাগুলোতে মীরা নায়ার অভিবাসী জীবন, পারিবারিক সম্পর্ক, সামাজিক বৈষম্য এবং সাংস্কৃতিক সংযোগের বিষয়গুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরেছেন। তাঁর কাজগুলো দর্শকের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা ও সহমর্মিতা সৃষ্টি করে। ৯/১১-এর পর যুক্তরাষ্ট্রের মুসলমান অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা এবং বৈচিত্র্য তাঁর কাজের মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
মীরা নায়ার অস্কার মনোননয়নও পেয়েছেন। জিতেছেন গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার। এছাড়াও অন্যান্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন, যা তাঁর কাজের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে।
এদিকে, জোহরান মামদানির বাবা প্রখ্যাত নৃবিজ্ঞানী মাহমুদ মামদানি। তিনি উপনিবেশবাদ, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং আধুনিক আফ্রিকার সামাজিক কাঠামো নিয়ে গবেষণায় আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত।
ভারতের মুম্বাইতে জন্ম নেওয়া মাহমুদ মামদানি ছোটবেলায় বড় হন উগান্ডায়। আর সেই বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতাই তাঁকে আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। গুজরাটি বংশোদ্ভূত শিয়া মুসলমান মাহমুদ মামদানির উগান্ডায় বেড়ে ওঠা প্রভাব ফেলেছে তাঁর পুত্র জোহরান মামদানির ওপরেও।
বর্তমানে মাহমুদ মামদানী কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে সরকার ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং উগান্ডার মাকেরেনে ইন্সটিটিউট অফ সোশ্যাল রিসার্চের পরিচালক।

মূলত মা মীরা নায়ার ও বাবা মাহমুদ মামদানির ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবন জোহরানকে প্রভাবিত করেছে, জোহরানও একাধিকবার তা উল্লেখ করেছেন।
আর এই পারিবারিক প্রভাব, রাজনৈতিক সচেতনতা ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার উত্তরাধিকারই যেন নতুনভাবে ধরা দিয়েছে জোহরান মামদানির জীবনসঙ্গী রামা দুয়াজির ভেতরেও।
জোহরানের স্ত্রী রামার জন্ম টেক্সাসে, বড় হওয়া দুবাইয়ে আর শিল্পীজীবনের বিস্তার ঘটেছে নিউইয়র্কে। রামা দুয়াজি একাধারে চিত্রশিল্পী, ইলাস্ট্রেটর, অ্যানিমেটর এবং সিরামিক আর্টিস্ট। তাঁর কাজ ছাপা হয়েছে ‘দ্য নিউ ইয়র্কার’, ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ থেকে শুরু করে বিখ্যাত ফ্যাশন ম্যাগাজিন ‘ভোগ’ পর্যন্ত। আরব নারী, অভিবাসী অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, ভাষাহীন প্রতিবাদ, এ সবই তাঁর কাজের মূল বিষয়বস্তু।
২০২১ সালে জোহরান ও রামার পরিচয়ের সূত্রপাত। তাঁদের প্রথম দেখা হয়েছিল ব্রুকলিনের এক ইয়েমেনি ক্যাফেতে, আর সেখানেই আড্ডা, শিল্প, আর রাজনীতি মিলেমিশে তৈরি করেছিল নতুন এক পথচলা। ২০২৫ সালে তাঁদের বিয়ে হয়, আর এসবের মধ্যেই রামা ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন জোহরানের রাজনৈতিক প্রচারণার নীরব সহ-স্থপতি।
জোহরানের নির্বাচনী পোস্টার, ভিডিও, প্রচারণার রঙ ও ভিজ্যুয়াল ভাষা যা ভোটারদের মনোযোগ কেড়েছে সবখানেই ছিল রামার কাজের ছাপ। তবু রামা কখনোই নিজেকে মামদানির দাম্পত্যসঙ্গী পরিচয়ে নিজেকে আটকে রাখেননি। ঠিক যেমন মীরা নায়ার ক্যামেরায় গল্প বলেন, মাহমুদ মামদানী বইতে ইতিহাস বিশ্লেষণ করেন।
ফলে জোহরান মামদানীর শুধু রাজনৈতিক উত্তরাধিকারইই নয়, তাঁর রয়েছে সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকাররও। তাঁর পরিবারে যেমন ক্যামেরা আছে, তেমনই কলম আছে, আর এখন যোগ হয়েছে রঙতুলি।

দীঘল কাজল টানা চোখের বাঙালি সাজে ‘তাবু’র কথা কেই-বা ভুলতে পেরেছে! ইরফান খানের সঙ্গে ‘নেমসেক’ সিনেমায় নিউইয়র্ক প্রবাসী বাঙালি পরিবারের গল্পকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন তাবু। ভাবছেন, নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনের সঙ্গে এ সিনেমার সম্পর্ক কোথায়? কিন্তু, জানতেন কি ঝুম্পা লাহিড়ীর নেমসেক উপন্যাস অবলম্বনে এ সিনেমা বানানোই হতো না, যদি না জোহরান মামদানি জোর খাটিয়ে তাঁর মা-কে রাজি করাতেন!
২০১৮ সালে ভারতের ‘জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল’-এ সাংবাদিক বীর সাংভি-কে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে মামদানির মা প্রখ্যাত নির্মাতা মীরা নায়ার ঠিক এমনটাই জানিয়েছিলেন। সে সাক্ষাতকারে তিনি জানান, ২০০৭ সালে তিনি যখন নেমসেক বানানোর পরিকল্পনা শুরু করবেন, ঠিক তখনই বিখ্যাত হ্যারি পটার সিরিজের পঞ্চম পর্ব 'অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স' সিনেমা পরিচালনার প্রস্তাব আসে তাঁর কাছে।
বিখ্যাত ফ্র্যাঞ্চাইজি, সঙ্গে অর্থপ্রাপ্তির সংখ্যাটাও মন্দ নয়। মীরা তখন দ্বিধায় ভুগছেন। তখন এগিয়ে এলেন তাঁর ১৪ বছরের কিশোর সন্তান জোহরান মামদানি। নিজে হ্যারি পটার ভক্ত হয়েও মা-কে বললেন, ‘আরও অনেক ভাল ভাল পরিচালক আছেন যারা হ্যারি পটার বানাতে পারবেন। কিন্তু নেমসেক একজনই বানাতে পারবে, আর সেটা তুমি!’
আর এভাবেই জন্ম নিলো হাজারো বাঙালির প্রিয় সিনেমা ‘নেমসেক’।
নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির মা মীরা নায়ার একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র পরিচালক। ১৯৫৭ সালে পাঞ্জাবি হিন্দু পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আর বেড়ে ওঠেন উড়িষ্যায়। তিনি কলকাতা ও দিল্লিতে পড়াশোনার পর যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে যান। এরপর ফ্রান্সে যান সিনেমা নিয়ে উন্নত প্রশিক্ষণ নিতে।
নেমসেক ছাড়াও মীরার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘সালাম বম্বে’ (১৯৮৮), ‘মিসিসিপি মাসালা’ (১৯৯১), ‘মনসুন ওয়েডিং’ (২০০১)। এই সিনেমাগুলোতে মীরা নায়ার অভিবাসী জীবন, পারিবারিক সম্পর্ক, সামাজিক বৈষম্য এবং সাংস্কৃতিক সংযোগের বিষয়গুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরেছেন। তাঁর কাজগুলো দর্শকের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা ও সহমর্মিতা সৃষ্টি করে। ৯/১১-এর পর যুক্তরাষ্ট্রের মুসলমান অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা এবং বৈচিত্র্য তাঁর কাজের মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
মীরা নায়ার অস্কার মনোননয়নও পেয়েছেন। জিতেছেন গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার। এছাড়াও অন্যান্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন, যা তাঁর কাজের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে।
এদিকে, জোহরান মামদানির বাবা প্রখ্যাত নৃবিজ্ঞানী মাহমুদ মামদানি। তিনি উপনিবেশবাদ, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং আধুনিক আফ্রিকার সামাজিক কাঠামো নিয়ে গবেষণায় আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত।
ভারতের মুম্বাইতে জন্ম নেওয়া মাহমুদ মামদানি ছোটবেলায় বড় হন উগান্ডায়। আর সেই বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতাই তাঁকে আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। গুজরাটি বংশোদ্ভূত শিয়া মুসলমান মাহমুদ মামদানির উগান্ডায় বেড়ে ওঠা প্রভাব ফেলেছে তাঁর পুত্র জোহরান মামদানির ওপরেও।
বর্তমানে মাহমুদ মামদানী কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে সরকার ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং উগান্ডার মাকেরেনে ইন্সটিটিউট অফ সোশ্যাল রিসার্চের পরিচালক।

মূলত মা মীরা নায়ার ও বাবা মাহমুদ মামদানির ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবন জোহরানকে প্রভাবিত করেছে, জোহরানও একাধিকবার তা উল্লেখ করেছেন।
আর এই পারিবারিক প্রভাব, রাজনৈতিক সচেতনতা ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার উত্তরাধিকারই যেন নতুনভাবে ধরা দিয়েছে জোহরান মামদানির জীবনসঙ্গী রামা দুয়াজির ভেতরেও।
জোহরানের স্ত্রী রামার জন্ম টেক্সাসে, বড় হওয়া দুবাইয়ে আর শিল্পীজীবনের বিস্তার ঘটেছে নিউইয়র্কে। রামা দুয়াজি একাধারে চিত্রশিল্পী, ইলাস্ট্রেটর, অ্যানিমেটর এবং সিরামিক আর্টিস্ট। তাঁর কাজ ছাপা হয়েছে ‘দ্য নিউ ইয়র্কার’, ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ থেকে শুরু করে বিখ্যাত ফ্যাশন ম্যাগাজিন ‘ভোগ’ পর্যন্ত। আরব নারী, অভিবাসী অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, ভাষাহীন প্রতিবাদ, এ সবই তাঁর কাজের মূল বিষয়বস্তু।
২০২১ সালে জোহরান ও রামার পরিচয়ের সূত্রপাত। তাঁদের প্রথম দেখা হয়েছিল ব্রুকলিনের এক ইয়েমেনি ক্যাফেতে, আর সেখানেই আড্ডা, শিল্প, আর রাজনীতি মিলেমিশে তৈরি করেছিল নতুন এক পথচলা। ২০২৫ সালে তাঁদের বিয়ে হয়, আর এসবের মধ্যেই রামা ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন জোহরানের রাজনৈতিক প্রচারণার নীরব সহ-স্থপতি।
জোহরানের নির্বাচনী পোস্টার, ভিডিও, প্রচারণার রঙ ও ভিজ্যুয়াল ভাষা যা ভোটারদের মনোযোগ কেড়েছে সবখানেই ছিল রামার কাজের ছাপ। তবু রামা কখনোই নিজেকে মামদানির দাম্পত্যসঙ্গী পরিচয়ে নিজেকে আটকে রাখেননি। ঠিক যেমন মীরা নায়ার ক্যামেরায় গল্প বলেন, মাহমুদ মামদানী বইতে ইতিহাস বিশ্লেষণ করেন।
ফলে জোহরান মামদানীর শুধু রাজনৈতিক উত্তরাধিকারইই নয়, তাঁর রয়েছে সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকাররও। তাঁর পরিবারে যেমন ক্যামেরা আছে, তেমনই কলম আছে, আর এখন যোগ হয়েছে রঙতুলি।
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
৯ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১১ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে