প্রথম ব্যান্ড হিসেবে একুশে পদক
গৌতম কে শুভ

এই প্রথমবার কোনো ব্যান্ড একুশে পদক পেতে যাচ্ছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘ওয়ারফেজ’-কে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
এবারের একুশে পদক মনোনীতদের তালিকায় সংগীতশিল্পী হিসেবে রয়েছেন প্রয়াত রক ‘লিজেন্ড’ আইয়ুব বাচ্চু। ব্যান্ড মিউজিশিয়ানদের মধ্যে এর আগে ২০১৯ সালে ‘রকগুরু’ আজম খান মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছিলেন।
একুশে পদকে মনোনীত হওয়ার খবরে ওয়ারফেজের দলনেতা ও ড্রামার শেখ মনিরুল আলম টিপু স্ট্রিমকে জানান, ‘এটার অনুভূতিটা ভাষায় এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে পারবো না। মিরপুর জাতীয় স্টেডিয়ামে আমাদের শো ছিল। মাত্র স্টেজ থেকে নামলাম। স্টেজে ওঠার চার মিনিট আগে এই খবরটা পেয়েছি। ওয়ারফেজ ব্যান্ডের সবার সঙ্গে শেয়ার করেছি। সবাই আসলে খুব এক্সাইটেড। মানে আমরা কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলাম না প্রথমে।’
একসময় বাংলাদেশের ব্যান্ড মিউজিককে ‘অপসংস্কৃতি’ বলা হতো। ‘বখে যাওয়া পোলাপানদের গান’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হতো। নব্বইয়ের দশকের ব্যান্ড মিউজিকের উত্তাল স্বর্ণযুগেও এই তাচ্ছিল্যের ভাষা শুনতে হয়েছে শিল্পীদের। অথচ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধারণা বদলেছে। আজ বাংলাদেশে ব্যান্ড মিউজিক ‘মেইনস্ট্রিম’।

এই পরিবর্তন হঠাৎ করে আসেনি। বাংলা ব্যান্ড সংগীতের শুরুর দিনে আজম খান দেশি রকের একটি স্বতন্ত্র সাউন্ডস্কেপ তৈরি করেছিলেন। ‘ঝাঁকি-দোলার’ অর্থাৎ রক অ্যান্ড রোলের পথ তিনিই দেখিয়েছিলেন। এর পরের বছরগুলোতে এসেছে আরও বহু ব্যান্ড, বহু মিউজিশিয়ান; প্রত্যেকেরই রয়েছে আলাদা অবদান। ঠিক এই সামষ্টিক যাত্রার কথাটাই আজ উঠে এল ওয়ারফেজের শেখ মনিরুল আলম টিপুর কথায়।
শেখ মনিরুল আলম টিপুর স্ট্রিমকে বললেন, ‘এই অর্জন শুধু আমাদের ওয়ারফেজের না। এটা আমাদের গোটা ব্যান্ড মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির অর্জন। যারা শিল্পী আছেন তাঁদের প্রত্যেকের অর্জন, ব্যান্ড মিউজিক প্রেমীদের অর্জন।’
ওয়ারফেজ চল্লিশ বছরের পথচলা
বাংলা হেভি মেটাল ও হার্ডরকের পাইওনিয়ার ব্যান্ড ওয়ারফেজের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালের ৬ জুন। ঢাকার কলাবাগান লেকসার্কাসের ৮৯ নম্বর বাসায় গড়ে ওঠে ব্যান্ডটির প্রথম সেটআপ। সেই সময় ওয়ারফেজের লাইনআপে ছিলেন বেইস গিটারে কমল, গিটারে মীর ও নমু, ভোকালে বাপ্পি এবং ড্রামসে হেলাল।
শুরুর দিনগুলোতে অন্য অনেক ব্যান্ডের মতো ওয়ারফেজও ইংরেজি গানই পরিবেশন করত। ১৯৮৭ সালের প্রথমদিকে তারা প্রথমবারের মতো কনসার্টে অংশ নেয়। তখন ব্যান্ডের লাইনআপ ছিল—গিটারে কমল ও নমু, ড্রামসে টিপু, বেইস গিটারে বাবনা এবং ভোকালে রেশাদ।
সেই কনসার্টে ওয়ারফেজ পারফর্ম করে আয়রন মেইডেন, স্করপিয়ন্স, ইউরিয়া হিপসহ পৃথিবীর বিখ্যাত সব ব্যান্ডের গান। শিশু একাডেমি, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, রাশিয়ান কালচার সেন্টারসহ একাধিক ভেন্যুতে সফল কনসার্টের মাধ্যমে তারা দ্রুতই পরিচিত হতে শুরু করে।
এই সময়েই আসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। তৎকালীন ফিডব্যাক ব্যান্ডের মাকসুদুল হকে ম্যাকের পরামর্শে ইংরেজি গান ছেড়ে বাংলা গানের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়ারফেজ। এই সিদ্ধান্তই পরবর্তী সময়ে বাংলা রক ও মেটালের ভাষা নির্মানে ভূমিকা রাখে।

১৯৯১ সালের ২১ জুন বাজারে আসে ওয়ারফেজের প্রথম অ্যালবাম। শুরুতে অ্যালবামটি তেমন সাড়া জাগাতে পারেনি। কারণ, শ্রোতাদের কানে এটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন এক সাউন্ড। বাংলা ভাষায় হার্ডরক ও হেভি মেটালের প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রয়াস। তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যপট পাল্টে যায়। গানগুলো ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। স্কুল-কলেজের কিশোর-তরুণরা সানন্দে গ্রহণ করে এই নতুন ধারার সংগীতকে, আর সেখান থেকেই বাংলা হার্ড রক ও হেভি মেটাল পায় নতুন ভাষা।
এরপর শুরু হয় ওয়ারফেজের দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল যাত্রা। এ পর্যন্ত ব্যান্ডটি প্রকাশ করেছে আটটি অ্যালবাম। সর্বশেষ স্টুডিও অ্যালবাম ‘সত্য’ বের হয় ২০১২ সালে। এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে সিঙ্গেল প্রকাশের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মিক্সড ও কম্পাইলেশন অ্যালবামেও প্রকাশ পেয়েছে ওয়ারফেজের গান। সর্বশেষ ২০২৪ সালে কোক স্টুডিও বাংলায় নতুন করে প্রকাশিত হয় ব্যান্ডটির আইকনিক গান ‘অবাক ভালোবাসা’। যা নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছেও গানটিকে নতুন করে পরিচিত করে তোলে।
বাংলাদেশের ব্যান্ড ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভোকাল পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে ওয়ারফেজে। সাধারণত ভোকাল পরিবর্তন কোনো ব্যান্ডকে বড় সংকটে ফেলে দেয়, অনেক সময় সেই সংকট দল ভেঙে যায়। কিন্তু ওয়ারফেজ এখানেও ব্যতিক্রম। চার দশকের বেশি সময় ধরে অসংখ্য পরিবর্তন, ভাঙন ও উত্থান–পতনের মধ্য দিয়েও তারা শক্তভাবে টিকে আছে। এখনো নিয়মিত দেশ-বিদেশের কনসার্টে তাদেরকে দেখা যায়।
এই স্বীকৃতির মুহূর্তে ওয়ারফেজ স্মরণ করেছে তাদের দীর্ঘ যাত্রার সঙ্গে যুক্ত থাকা সব সাবেক ও বর্তমান সদস্যকে। দলনেতা ও ড্রামার টিপু স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের ওয়ারফেজের একেবারে ফাউন্ডিং লাইনআপ থেকে এ পর্যন্ত যারা কাজ করেছে এবং কাজ করছে—প্রত্যেকের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। প্রত্যেকের পরিবারের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। আমাদের দর্শক-শ্রোতা যারা আছে, যারা সাপোর্ট করে গেছে, যাচ্ছেন, প্রত্যেকের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।’

এই প্রথমবার কোনো ব্যান্ড একুশে পদক পেতে যাচ্ছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘ওয়ারফেজ’-কে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
এবারের একুশে পদক মনোনীতদের তালিকায় সংগীতশিল্পী হিসেবে রয়েছেন প্রয়াত রক ‘লিজেন্ড’ আইয়ুব বাচ্চু। ব্যান্ড মিউজিশিয়ানদের মধ্যে এর আগে ২০১৯ সালে ‘রকগুরু’ আজম খান মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছিলেন।
একুশে পদকে মনোনীত হওয়ার খবরে ওয়ারফেজের দলনেতা ও ড্রামার শেখ মনিরুল আলম টিপু স্ট্রিমকে জানান, ‘এটার অনুভূতিটা ভাষায় এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে পারবো না। মিরপুর জাতীয় স্টেডিয়ামে আমাদের শো ছিল। মাত্র স্টেজ থেকে নামলাম। স্টেজে ওঠার চার মিনিট আগে এই খবরটা পেয়েছি। ওয়ারফেজ ব্যান্ডের সবার সঙ্গে শেয়ার করেছি। সবাই আসলে খুব এক্সাইটেড। মানে আমরা কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলাম না প্রথমে।’
একসময় বাংলাদেশের ব্যান্ড মিউজিককে ‘অপসংস্কৃতি’ বলা হতো। ‘বখে যাওয়া পোলাপানদের গান’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হতো। নব্বইয়ের দশকের ব্যান্ড মিউজিকের উত্তাল স্বর্ণযুগেও এই তাচ্ছিল্যের ভাষা শুনতে হয়েছে শিল্পীদের। অথচ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধারণা বদলেছে। আজ বাংলাদেশে ব্যান্ড মিউজিক ‘মেইনস্ট্রিম’।

এই পরিবর্তন হঠাৎ করে আসেনি। বাংলা ব্যান্ড সংগীতের শুরুর দিনে আজম খান দেশি রকের একটি স্বতন্ত্র সাউন্ডস্কেপ তৈরি করেছিলেন। ‘ঝাঁকি-দোলার’ অর্থাৎ রক অ্যান্ড রোলের পথ তিনিই দেখিয়েছিলেন। এর পরের বছরগুলোতে এসেছে আরও বহু ব্যান্ড, বহু মিউজিশিয়ান; প্রত্যেকেরই রয়েছে আলাদা অবদান। ঠিক এই সামষ্টিক যাত্রার কথাটাই আজ উঠে এল ওয়ারফেজের শেখ মনিরুল আলম টিপুর কথায়।
শেখ মনিরুল আলম টিপুর স্ট্রিমকে বললেন, ‘এই অর্জন শুধু আমাদের ওয়ারফেজের না। এটা আমাদের গোটা ব্যান্ড মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির অর্জন। যারা শিল্পী আছেন তাঁদের প্রত্যেকের অর্জন, ব্যান্ড মিউজিক প্রেমীদের অর্জন।’
ওয়ারফেজ চল্লিশ বছরের পথচলা
বাংলা হেভি মেটাল ও হার্ডরকের পাইওনিয়ার ব্যান্ড ওয়ারফেজের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালের ৬ জুন। ঢাকার কলাবাগান লেকসার্কাসের ৮৯ নম্বর বাসায় গড়ে ওঠে ব্যান্ডটির প্রথম সেটআপ। সেই সময় ওয়ারফেজের লাইনআপে ছিলেন বেইস গিটারে কমল, গিটারে মীর ও নমু, ভোকালে বাপ্পি এবং ড্রামসে হেলাল।
শুরুর দিনগুলোতে অন্য অনেক ব্যান্ডের মতো ওয়ারফেজও ইংরেজি গানই পরিবেশন করত। ১৯৮৭ সালের প্রথমদিকে তারা প্রথমবারের মতো কনসার্টে অংশ নেয়। তখন ব্যান্ডের লাইনআপ ছিল—গিটারে কমল ও নমু, ড্রামসে টিপু, বেইস গিটারে বাবনা এবং ভোকালে রেশাদ।
সেই কনসার্টে ওয়ারফেজ পারফর্ম করে আয়রন মেইডেন, স্করপিয়ন্স, ইউরিয়া হিপসহ পৃথিবীর বিখ্যাত সব ব্যান্ডের গান। শিশু একাডেমি, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, রাশিয়ান কালচার সেন্টারসহ একাধিক ভেন্যুতে সফল কনসার্টের মাধ্যমে তারা দ্রুতই পরিচিত হতে শুরু করে।
এই সময়েই আসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। তৎকালীন ফিডব্যাক ব্যান্ডের মাকসুদুল হকে ম্যাকের পরামর্শে ইংরেজি গান ছেড়ে বাংলা গানের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়ারফেজ। এই সিদ্ধান্তই পরবর্তী সময়ে বাংলা রক ও মেটালের ভাষা নির্মানে ভূমিকা রাখে।

১৯৯১ সালের ২১ জুন বাজারে আসে ওয়ারফেজের প্রথম অ্যালবাম। শুরুতে অ্যালবামটি তেমন সাড়া জাগাতে পারেনি। কারণ, শ্রোতাদের কানে এটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন এক সাউন্ড। বাংলা ভাষায় হার্ডরক ও হেভি মেটালের প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রয়াস। তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যপট পাল্টে যায়। গানগুলো ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। স্কুল-কলেজের কিশোর-তরুণরা সানন্দে গ্রহণ করে এই নতুন ধারার সংগীতকে, আর সেখান থেকেই বাংলা হার্ড রক ও হেভি মেটাল পায় নতুন ভাষা।
এরপর শুরু হয় ওয়ারফেজের দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল যাত্রা। এ পর্যন্ত ব্যান্ডটি প্রকাশ করেছে আটটি অ্যালবাম। সর্বশেষ স্টুডিও অ্যালবাম ‘সত্য’ বের হয় ২০১২ সালে। এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে সিঙ্গেল প্রকাশের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মিক্সড ও কম্পাইলেশন অ্যালবামেও প্রকাশ পেয়েছে ওয়ারফেজের গান। সর্বশেষ ২০২৪ সালে কোক স্টুডিও বাংলায় নতুন করে প্রকাশিত হয় ব্যান্ডটির আইকনিক গান ‘অবাক ভালোবাসা’। যা নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছেও গানটিকে নতুন করে পরিচিত করে তোলে।
বাংলাদেশের ব্যান্ড ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভোকাল পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে ওয়ারফেজে। সাধারণত ভোকাল পরিবর্তন কোনো ব্যান্ডকে বড় সংকটে ফেলে দেয়, অনেক সময় সেই সংকট দল ভেঙে যায়। কিন্তু ওয়ারফেজ এখানেও ব্যতিক্রম। চার দশকের বেশি সময় ধরে অসংখ্য পরিবর্তন, ভাঙন ও উত্থান–পতনের মধ্য দিয়েও তারা শক্তভাবে টিকে আছে। এখনো নিয়মিত দেশ-বিদেশের কনসার্টে তাদেরকে দেখা যায়।
এই স্বীকৃতির মুহূর্তে ওয়ারফেজ স্মরণ করেছে তাদের দীর্ঘ যাত্রার সঙ্গে যুক্ত থাকা সব সাবেক ও বর্তমান সদস্যকে। দলনেতা ও ড্রামার টিপু স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের ওয়ারফেজের একেবারে ফাউন্ডিং লাইনআপ থেকে এ পর্যন্ত যারা কাজ করেছে এবং কাজ করছে—প্রত্যেকের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। প্রত্যেকের পরিবারের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। আমাদের দর্শক-শ্রোতা যারা আছে, যারা সাপোর্ট করে গেছে, যাচ্ছেন, প্রত্যেকের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।’
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
৯ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১১ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে