নাগরিক সংলাপ
স্ট্রিম প্রতিবেদক

‘ঢাকা শহরে আজ মেট্রোরেল চলছে, অথচ শ্যামনগরের (সাতক্ষীরা) একজন নারী তাঁর ঘরের খাবার পানি আনতে ৪ কিলোমিটার দূরে হেঁটে যান। একদিকে হাজার হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প উদ্বোধন হচ্ছে, অন্যদিকে সাতক্ষীরা বা কয়রার (খুলনা) মানুষ জোয়ারের পানিতে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে। এই উন্নয়ন বৈষম্য চলতে পারে না।’
রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে এভাবেই উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরেন ক্লাইমেট অ্যাডভোকেসি ফোরামের কো-অর্ডিনেটর ও ‘লিডার্স’র নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মণ্ডল। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে উপকূলীয় সংকট অন্তর্ভুক্তির দাবিতে লোকাল এনভায়রনমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ সোসাইটি– লিডার্স এবং ‘মিডিয়া স্ট্রিম’ এই সংলাপের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে মোহন কুমার মণ্ডল উপকূলীয় নারীদের সংকটের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘উপকূলে সুপেয় পানির তীব্র অভাব। লোনা পানি থেকে সংক্রমণের ভয়ে সেখানকার নারীরা স্বাভাবিক ঋতুচক্র বন্ধ রাখতে পিল (জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি) খাচ্ছেন। এটি যে কতটা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং কতটা অমানবিক, তা উপকূলের বাইরের মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না।’
তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, লোনা পানির দাপট এবং জীবন-জীবিকার সংকটে মানুষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। ২০০১ সালের তুলনায় ২০১১ সালের আদমশুমারিতে সাতক্ষীরা, শ্যামনগর ও মংলা অঞ্চলে পুরুষের সংখ্যা কমে গেছে। উপকূলের ৪ কোটি মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা ভোটের জন্য জনগণের কাছে যাবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, এই চার কোটি মানুষকে পেছনে ফেলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই আগামী নির্বাচনের ইশতেহারে উপকূলের মানুষের সংকট নিরসনে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে যারা থাকবেন, তাদেরই এই দায়ভার নিতে হবে।’
সংলাপে বিএনপি, এনসিপি, সিপিবি, বাসদ, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লিডার্স-এর ডিরেক্টর অফ প্রোগ্রামস এ বি এম জাকারিয়া। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ঢাকা স্ট্রিম’ এই আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল।

‘ঢাকা শহরে আজ মেট্রোরেল চলছে, অথচ শ্যামনগরের (সাতক্ষীরা) একজন নারী তাঁর ঘরের খাবার পানি আনতে ৪ কিলোমিটার দূরে হেঁটে যান। একদিকে হাজার হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প উদ্বোধন হচ্ছে, অন্যদিকে সাতক্ষীরা বা কয়রার (খুলনা) মানুষ জোয়ারের পানিতে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে। এই উন্নয়ন বৈষম্য চলতে পারে না।’
রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে এভাবেই উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরেন ক্লাইমেট অ্যাডভোকেসি ফোরামের কো-অর্ডিনেটর ও ‘লিডার্স’র নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মণ্ডল। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে উপকূলীয় সংকট অন্তর্ভুক্তির দাবিতে লোকাল এনভায়রনমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ সোসাইটি– লিডার্স এবং ‘মিডিয়া স্ট্রিম’ এই সংলাপের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে মোহন কুমার মণ্ডল উপকূলীয় নারীদের সংকটের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘উপকূলে সুপেয় পানির তীব্র অভাব। লোনা পানি থেকে সংক্রমণের ভয়ে সেখানকার নারীরা স্বাভাবিক ঋতুচক্র বন্ধ রাখতে পিল (জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি) খাচ্ছেন। এটি যে কতটা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং কতটা অমানবিক, তা উপকূলের বাইরের মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না।’
তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, লোনা পানির দাপট এবং জীবন-জীবিকার সংকটে মানুষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। ২০০১ সালের তুলনায় ২০১১ সালের আদমশুমারিতে সাতক্ষীরা, শ্যামনগর ও মংলা অঞ্চলে পুরুষের সংখ্যা কমে গেছে। উপকূলের ৪ কোটি মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা ভোটের জন্য জনগণের কাছে যাবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, এই চার কোটি মানুষকে পেছনে ফেলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই আগামী নির্বাচনের ইশতেহারে উপকূলের মানুষের সংকট নিরসনে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে যারা থাকবেন, তাদেরই এই দায়ভার নিতে হবে।’
সংলাপে বিএনপি, এনসিপি, সিপিবি, বাসদ, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লিডার্স-এর ডিরেক্টর অফ প্রোগ্রামস এ বি এম জাকারিয়া। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ঢাকা স্ট্রিম’ এই আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল।

জলবায়ু সংকট মোকাবিলার পরিকল্পনাগুলো যেন কেবল নথিপত্রেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সরাসরি তৃণমূল পর্যায়ে কার্যকর হয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
১২ দিন আগে
অকারণে হর্ন দেওয়াকে ‘বদভ্যাস’ আখ্যা দিয়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ জনগনের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
২৩ দিন আগে
রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি ইশতেহারে পরিবেশ রক্ষায় সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
২৪ দিন আগে
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, হর্ন বাজানো দীর্ঘদিনের বদভ্যাস। এটি পরিবর্তনে আইনের পাশাপাশি মানুষের অভ্যাসেও পরিবর্তন আনতে হবে।
১৭ জানুয়ারি ২০২৬