যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক সুযোগের হাতছানি
স্ট্রিম প্রতিবেদক

পণ্য উৎপাদনে ‘জোরপূর্বক শ্রম’ বন্ধে ব্যর্থতায় নতুন করে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এতে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক নির্ধারণে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, পণ্য রপ্তানিতে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের ওপর সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের (ইউএসটিআর) নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া বাংলাদেশের সব পণ্যের ওপর বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন (এমএফএন) শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। এতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি ব্যয় কিছুটা বাড়বে। তবে তুলনামূলক কম শুল্ক হওয়ায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইউএসটিআর ঘোষিত তালিকায় মোট ৮৬টি দেশ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক পেয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেছেন, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য শুধু অন্যায্য বাণিজ্য চর্চা মোকাবিলা নয়। একইসঙ্গে শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের মতো মানবাধিকার ইস্যুতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। এই পদক্ষেপ শ্রম অধিকার লঙ্ঘন বন্ধে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ বিবেচনা করছে ইউএসটিআর। সংস্থাটি বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছরের ট্যারিফ-রেট কোটার (টিআরকিউ) প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে। এটি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও বস্ত্র কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে নতুন আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক থেকে অব্যাহতি মিলবে।
এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পাবেন। একইসঙ্গে পোশাক উৎপাদনে মার্কিন তুলা ও টেক্সটাইল কাঁচামালের ব্যবহারও বাড়বে।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রপ্তানি গন্তব্য। দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানির বড় অংশ তৈরি পোশাক।
.png)




-e3d250-256x144.webp)

