সৌদি আরবের চার শহরে ইরান-সমর্থিত হুতির হামলা, আহত ৭৩
স্ট্রিম ডেস্ক
-7bb02b-480x270.webp)
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের চার শহরে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ ৭৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া কয়েকটি তেল স্থাপনাতেও আগুন লেগেছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সৌদির দক্ষিণাঞ্চলের শহর— আবহা, খামিস মুশাইত, নাজরান ও জাজানে এসব হামলা চালানো হয়।
এদিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার পর দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণ ও স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
হুতি জানিয়েছে, তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সৌদি আরবের ভেতরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে।
হুতিদের হামলাকে ‘বিপজ্জনক উসকানি’ এবং সৌদি আরবের সার্বভৌমত্বের সরাসরি লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে রিয়াদ। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, এই হামলা সৌদি নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
তিনি আরও বলেন, হুতিদের ‘শত্রুতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড’ ঠেকাতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেবে।
সৌদি আরবের ওপর এটি সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম বড় হামলা বলে মনে করে হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠেছে। আগস্টে প্রায় এক মাস তুলনামূলক শান্ত থাকার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে আবারও হামলা ও পাল্টা হামলা শুরু হয়েছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দীর্ঘদিন ধরে ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সংঘাত কিছুটা কমে এলেও যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়েছে। হুথিরা এখন লোহিত সাগরের প্রবেশপথে জাহাজ চলাচলেও হুমকি দিচ্ছে।
এদিকে হুথি-নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম জানিয়েছে, সৌদি যুদ্ধবিমান ইয়েমেনের রাজধানী সানার পূর্বে জুবাহ এলাকায় চারটি বিমান হামলা চালিয়েছে। হুতি মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি বলেছেন, সৌদি হামলার জবাব দেওয়া হবে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে গত তিন দিনের সংঘর্ষে ১৮ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
.png)






