চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী চার কোচের নতুন মিশন, লক্ষ্য ২০৩০ বিশ্বকাপ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

স্ট্রিম গ্রাফিক
স্ট্রিম গ্রাফিক

২০২৬ বিশ্বকাপের পর্দা নামার পরপরই শুরু হয়েছে পরবর্তী আসরের আলোচনা। ২০৩০ বিশ্বকাপে কোনো দল কেমন করবে আর ডাগআউট কে সামলাবেন—তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা ও বিশ্লেষণ।

বিশ্লেষকদের নজরে রয়েছেন চারজন কিংবদন্তি কোচ—থমাস টুখেল, কার্লো আনচেলত্তি, জিনেদিন জিদান ও ইউর্গেন ক্লপ। ক্লাব ফুটবলে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী এই চার কোচ এবার ২০৩০ বিশ্বকাপে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াইয়ে নামবেন।

২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন থমাস টুখেল। আর্জেন্টিনার কাছে সেমিফাইনালে হারলেও শেষ পর্যন্ত তৃতীয় স্থান অর্জন করে ইংলিশরা। এটি ছিল গত ৬০ বছরের বিশ্বকাপ ইতিহাসে দেশটির সেরা সাফল্য। চেলসিকে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানো টুখেল বড় ম্যাচে কৌশল বদলের দক্ষতার জন্য পরিচিত। ২০৩০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে শিরোপা জেতানোর বড় দায়িত্ব এখন তার কাঁধে।

এবারের আসরে ব্রাজিলের দায়িত্বে থাকা কার্লো আনচেলত্তির লক্ষ্য ছিল ‘মিশন হেক্সা’। তবে শেষ ষোলোতে বিদায় নেয় সেলেসাওরা। তবুও পাঁচবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী এই তারকা কোচ জানেন ব্যর্থতার পর কীভাবে নতুন করে দলকে গড়তে হয়। জাতীয় দলে কাজের অভিজ্ঞতা অল্প হলেও ব্রাজিলিয়ানদের অন্যতম ভরসা তিনি।

অন্যদিকে ফ্রান্স ফুটবলে শুরু হয়েছে নতুন অধ্যায়। দীর্ঘদিনের কোচ দিদিয়ের দেশমের বিদায়ের পর দায়িত্ব নিয়েছেন ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী জিনেদিন জিদান। রিয়াল মাদ্রিদকে টানা তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা এনে দেওয়া জিদানের লক্ষ্য ফ্রান্সকে আবারও বিশ্বসেরার আসনে ফেরানো। দায়িত্বে সফল হলে খেলোয়াড় ও কোচ— বা দুই ভূমিকাতেই বিশ্বকাপজয়ীদের অভিজাত তালিকায় নাম লেখাবেন জিদান।

জার্মানির সাম্প্রতিক বিশ্বকাপ পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক। ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এবার দলটির দায়িত্ব নিয়েছেন ডর্টমুন্ড ও লিভারপুলকে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানো কোচ ইউর্গেন ক্লপ। লিভারপুলকে আক্রমণাত্মক প্রেসিং ও লড়াকু মানসিকতার ফুটবল উপহার দেওয়া ক্লপের লক্ষ্য ঝিমিয়ে পড়া জার্মান ফুটবলকে নতুন প্রাণ দেওয়া এবং আবারও তাদের বিশ্ব ফুটবলের প্রতিদ্বন্দ্বিতার শীর্ষে ফিরিয়ে আনা।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত