স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত দুই পরিচালকের একজন হয়েছিলেন ব্যবসায়ী ইসফাক আহসান। তবে এনএসসি সোমবার (৬ অক্টোবর) বিসিবির নির্বাচনের পর রাতেই সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার কারণে ইসফাকের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তাঁর জায়গায় করপোরেট ব্যক্তিত্ব ও নারী ক্রীড়া সংগঠক রুবাবা দৌলাকে বিসিবির পরিচালকের পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে। খবরগুলোতে বলা হয়েছে, বিসিবিতে তিনি মহিলা উইং-এর দায়িত্বও নিতে পারেন।
রুবাবা দৌলা বর্তমানে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ওরাকল বাংলাদেশ–নেপাল–ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টরের দায়িত্বে আছেন। এর আগে তিনি টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ও এয়ারটেলের শীর্ষ পর্যায়ে কাজ করেছেন। টেলিকম সেক্টরে দুই দশকের ক্যারিয়ার তাঁকে খ্যাতি দিয়েছে।
ক্রীড়ার সঙ্গে রুবাবা দৌলার সম্পৃক্ততা দীর্ঘদিনের। ২০০৯ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ স্পেশাল অলিম্পিকসের বোর্ড সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া রুবাবা দৌলা গ্রামীণফোনের প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা ও প্রধান বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ১৯৯৮–২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনেও পরিচিত মুখ ছিলেন। ২০০৩–২০১১ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসর ছিল গ্রামীণফোন। ২০০৭ সালে গ্রামীণফোন ও বিসিবির যৌথ উদ্যোগে মিরপুরে জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি স্থাপনে তারও ভূমিকা ছিল।
রুবাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ এবং এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া তিনি উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন স্টকহোম স্কুল অব ইকোনমিক্স এবং লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে।
পেশাগত জীবনের বাইরে রুবাবা সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত। তিনি গলফ খেলে থাকেন এবং বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ছোটবেলায় তাঁর ইচ্ছা ছিল আইনজীবী হওয়ার। প্রখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগম রুবাবা দৌলার ফুফু ও শিল্পী কামরুল হাসান তাঁর মামা হওয়ায় পারিবারিকভাবে শিল্প-সংস্কৃতির আবহে বড় হয়েছেন। সংগীতের প্রতি আগ্রহও জন্মেছিল ছোটবেলা থেকেই। তিনি এখনও নিয়মিত গানের চর্চা করেন। জি সিরিজের ব্যানারে মুক্তিপ্রাপ্ত মিক্সড অ্যালবাম ‘যাবে যদি চল’-এ দুটি গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন তিনি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত দুই পরিচালকের একজন হয়েছিলেন ব্যবসায়ী ইসফাক আহসান। তবে এনএসসি সোমবার (৬ অক্টোবর) বিসিবির নির্বাচনের পর রাতেই সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার কারণে ইসফাকের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তাঁর জায়গায় করপোরেট ব্যক্তিত্ব ও নারী ক্রীড়া সংগঠক রুবাবা দৌলাকে বিসিবির পরিচালকের পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে। খবরগুলোতে বলা হয়েছে, বিসিবিতে তিনি মহিলা উইং-এর দায়িত্বও নিতে পারেন।
রুবাবা দৌলা বর্তমানে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ওরাকল বাংলাদেশ–নেপাল–ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টরের দায়িত্বে আছেন। এর আগে তিনি টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ও এয়ারটেলের শীর্ষ পর্যায়ে কাজ করেছেন। টেলিকম সেক্টরে দুই দশকের ক্যারিয়ার তাঁকে খ্যাতি দিয়েছে।
ক্রীড়ার সঙ্গে রুবাবা দৌলার সম্পৃক্ততা দীর্ঘদিনের। ২০০৯ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ স্পেশাল অলিম্পিকসের বোর্ড সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া রুবাবা দৌলা গ্রামীণফোনের প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা ও প্রধান বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ১৯৯৮–২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনেও পরিচিত মুখ ছিলেন। ২০০৩–২০১১ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসর ছিল গ্রামীণফোন। ২০০৭ সালে গ্রামীণফোন ও বিসিবির যৌথ উদ্যোগে মিরপুরে জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি স্থাপনে তারও ভূমিকা ছিল।
রুবাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ এবং এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া তিনি উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন স্টকহোম স্কুল অব ইকোনমিক্স এবং লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে।
পেশাগত জীবনের বাইরে রুবাবা সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত। তিনি গলফ খেলে থাকেন এবং বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ছোটবেলায় তাঁর ইচ্ছা ছিল আইনজীবী হওয়ার। প্রখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগম রুবাবা দৌলার ফুফু ও শিল্পী কামরুল হাসান তাঁর মামা হওয়ায় পারিবারিকভাবে শিল্প-সংস্কৃতির আবহে বড় হয়েছেন। সংগীতের প্রতি আগ্রহও জন্মেছিল ছোটবেলা থেকেই। তিনি এখনও নিয়মিত গানের চর্চা করেন। জি সিরিজের ব্যানারে মুক্তিপ্রাপ্ত মিক্সড অ্যালবাম ‘যাবে যদি চল’-এ দুটি গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন তিনি।

হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন, শেষ মুহূর্তে জায়গা করে নেওয়া স্কটল্যান্ড। কেননা গত মাসেই টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশকে বিদায় করেছে আইসিসি। ওই সময় গুঞ্জন ছিল পাকিস্তানকেও হয়তো সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।
৩ দিন আগে
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের সঙ্গে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পাকিস্তান খেলবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। সোমবার রাত ১২টা ৬ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
৮ দিন আগে
দাবি না মানায় বাংলাদেশ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা করছে না আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। উল্টো ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে অন্য একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে স্বাগতিক করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
৮ দিন আগে
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেললেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার কথা জানিয়েছে পাকিস্তান। তবে এই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।
১৩ দিন আগে