বাজারে এসেছে নতুন ক্যালকুলেটর। এই ক্যালকুলেটরের কাজ আপনার রাজনৈতিক ঝোঁক মাপামাপি করা। এই গণকযন্ত্র আপনাকে বলে দেবে, আপনি কতটুকু ‘শাহবাগী’, কতটুকু শাপলাবাগী বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের বা বিপক্ষের মানুষ। নয়া এই গণকযন্ত্র কি আমাদের রাজনৈতিক সমাজের প্রতিফলন? এই লেখায় সেই প্রশ্নই আলোচিত হয়েছে।
উম্মে হানি

আজ ভোরবেলায় ঘুম ভাঙল অচেনা কণ্ঠের ফিসিফিসানিতে। কে যেন আলো-অন্ধকারে ফিসফিসিয়ে বললো ‘রগের যত্ন নিন’! চোখ কচলে দেখি আশেপাশে চন্দ্রবিন্দু ব্যান্ডের কেউ আছে কি না। ঠিক তারপরেই, বিশ্বাস করবেন না বস, আবিষ্কার করলাম হঠাৎ করেই আমি ৭১% শাহবাগী এবং ১২% জামাতি হয়ে গেছি।
এতকাল জানতাম জগতের তিনভাগ জল আর একভাগ স্থল। কমোডে বসে ফেসবুক স্ক্রোল করে নতুন জ্ঞানপ্রাপ্তি ঘটল। জানলাম এর মধ্যে জল-স্থলের বাইরে আছে শাহবাগী, জামাতি, এমনকি শাপলাবাগীও। খুঁজেপেতে দেখলাম কোথাও দেওয়ানবাগী কেউ আছেন কি না! কিন্তু কারা এরা? আর ফেসবুকেই কোত্থেকে এলো এরা?
কমোড থেকে উঠে বুঝলাম, কে বা কারা একটা কুইজ বানিয়েছিল প্রথমে কে কতটুকু শাহবাগী সেটা যাচাইয়ের জন্য। কিন্তু সে হতচ্ছাড়া কুইজের লিংক আর কাজ করছে না। আরেকটা কুইজ পেলাম যেটার নাম ‘জামাত ক্যালকুলেটর’। অতঃপর আরেকটা — ‘শাপলাবাগী টেস্ট’।
কুইজগুলো প্লে করেও দেখলাম। কিছু প্রশ্নের নমুনা দিলে বোঝাপড়াটা আরও স্পষ্ট হয়। যেমন জামাত ক্যালকুলেটরে বলছে ‘রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে জামাত একবার আওয়ামীলীগ এবং পরে বিএনপি-এর সাথে জোট বাধা মুনাফিকি নয়’ বা ‘শিবিরের অনেকে গুপ্ত ভাবে ছাত্রলীগ করলেও তাদের উদ্দেশ্য ছিল সৎ’। শাপলাবাগী স্কোর টেস্টে আছে ‘সত্যিকারের দেশপ্রেম মানে ১৯৭১ সালে ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সকল বাংলাদেশিকে নিপীড়ন থেকে রক্ষা করা’ বা ‘বাংলাদেশের নারীদের জনজীবনে নেতৃত্বের ভূমিকার চেয়ে ধর্মীয় ও পারিবারিক দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত’।
মিথ্যা বলব না বস, প্রশ্নগুলো অনেকক্ষেত্রেই বেশ বোকাবোকা। হাসিও পায়, আবার একটু ভয়ও হয়। শুনেছি এককালে ক্যাথলিক পুরুতরা ব্যক্তির পাপ পূণ্যের হিসেব কষে স্বর্গের টিকিট বিক্রি করতেন। সে যুগ অনেক আগেই বিদেয় হয়েছে। কিন্তু তার বদলে আমরা কি কুইজের জগতে চলে এলাম? যেখানে এসব কুইজ মাস্টারেরা কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমে নিদান দেবেন কে কতটুকু ‘শাহবাগী’ বা ‘শাপলাবাগী’?
এসব কুইজের সমস্যা হচ্ছে—
প্রথমত, এগুলো পুরো সমস্যাকেই অতি-সরলিকরণ করে ফেলে।
দ্বিতীয়ত, কুইজগুলো ক্লোজ এন্ডেড। আপনি চাইলেও নিজের উত্তর দিতে পারবেন না। এর ফলে, যে ব্যক্তি হয়তো রাজনৈতিকভাবে যে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটবাধাকে সমর্থন করেন, আবার মনে করেন নারীবাদ বাংলাদেশের সমাজের জন্য প্রয়োজনীয়, তাঁরা এই কুইজের ভেনচিত্রে নিজেদের ঠিক খুঁজে পাবেন না।
কুইজের মাধ্যমে কে কত পারসেন্ট কী, এসব ট্যাগেরও কিন্তু সোশ্যাল গেঞ্জাম আছে। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে যখন সময় ছিল শাহবাগ বনাম শাপলা চত্বরের দ্বন্দ্ব মিটিয়ে একটা সংলাপের মাধ্যমে সিনথেসিসে পৌঁছানো, তখন কিন্তু এ সুযোগ কোনো পক্ষই নিতে তেমন গা করেনি। ফলে ২০১৩ সালের দিকে যেমন ‘ছাগু’ ট্যাগ বা ‘বাঁশের কেল্লা’ সাবস্ক্রাইবার এই ট্যাগের মাধ্যমে যে কাউকে ‘আদার’ করে ফেলা যেত যুক্তিতর্কের দোহাই ছাড়াই। ২০২৫ সালে সেই ট্যাগ পালটে হয়ে উঠেছে ‘শাহবাগী’। এ সময়ের সাইবার জগতের পরম পরাক্রমশালী আল-বটর যখন কাউকে ক্যান্সেল করতে চান, দেখবেন তাকে প্রাইমারি যে ট্যাগ দেবে তা হলো ‘শাহবাগী’।
প্রশ্ন উঠতে পারে এসব কুইজের মাধ্যমে কে কতটুকু শাহবাগী বা জামাত, এর ভিত্তিতে ‘প্রেশার গ্রুপ’ কাকে ঠিক কতখানি লিঞ্চিং করবে তার সীমারেখা টেনে দেওয়া হচ্ছে কি না।
বেলজিয়ান রাজনৈতিক তাত্ত্বিক শঁতাল মুফ এসব দেখলে হয়তো একটু হাসতেন। কেননা তিনি দীর্ঘদিন থেকে বলে আসছেন, গণতন্ত্রে প্রতিপক্ষকে শত্রুর মতো নির্মূল না করে বরং তাদের স্রেফ রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা উচিৎ। ফলে এই ট্যাগিং কালচারকে তিনি এজন্য সমস্যা মনে করতেন না যে ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে, বরং এজন্য সমস্যা যে এরা একে অপরকে যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী না মনে করে বরং নৈতিকভাবে বিকৃত বলে মনে করে। শাপলা হয়ত শাহবাগকে দেখে পশ্চিমা মতাদর্শের দেশি এজেন্ট, আর শাহবাগ অপরপক্ষকে হয়ত অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগের অশ্বারোহী জ্ঞান করে। মানুষ যখন ভিন্নমত পোষণ করে তখন গণতন্ত্র অক্কা পায় না, বরং যখন ভিন্নমতকে হারাম বা পাপ বা অনৈতিক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয় তখনই গণতন্ত্র অক্কা পায়, এমনটাই হয়তো বলতেন শঁতাল মুফ।

কিন্তু যেটা কাজের কথা, সেটা হচ্ছে এসব ট্যাগিং কালচারের মানেটা আসলে কী?
মানে হয়তো এটাই যে বাংলাদেশ এখনও ঠিক করে উঠতে পারেনি সে নিজের আইডেন্টিটি হিসেবে কী চায়। অর্থাৎ এই যে আমি কুইজের বরাতে ৭১% শাহবাগী আর ১২% জামাতি হলাম দিনের শুরুতে, আর রইলো হাতে ১৭% ফ্লুইড আইডেন্টিটি যা হয়তো আরেক কোনো বোকা কুইজ দিয়ে ফিক্সড হবে, এটাই আসলে বাংলাদেশ। কেউ হয়ত একইসঙ্গে নারী স্বাধীনতাও চায় আবার চায় স্বাধীনভাবে ইসলাম পালন করতে। বস, আপনার হয়তো এইটা জাক্সটাপজিশন মনে হতে পারে, কিন্তু সম্ভবত এইটাই বাংলাদেশ। সাদা-কালো বাইনারির বাইরে একটু হিসেব কষতে হবে বস, তাহলে যদি আমাদের সামষ্টিক টনক নড়ে। আর এসব কুইজের উত্তরকে ভেরি সিরিয়াস হিসেবে না নিয়ে রগের যত্নের পাশাপাশি মাথার যত্ন নেওয়াও দরকার। সবচেয়ে বেশিই দরকার। এক্ষুণি!

আজ ভোরবেলায় ঘুম ভাঙল অচেনা কণ্ঠের ফিসিফিসানিতে। কে যেন আলো-অন্ধকারে ফিসফিসিয়ে বললো ‘রগের যত্ন নিন’! চোখ কচলে দেখি আশেপাশে চন্দ্রবিন্দু ব্যান্ডের কেউ আছে কি না। ঠিক তারপরেই, বিশ্বাস করবেন না বস, আবিষ্কার করলাম হঠাৎ করেই আমি ৭১% শাহবাগী এবং ১২% জামাতি হয়ে গেছি।
এতকাল জানতাম জগতের তিনভাগ জল আর একভাগ স্থল। কমোডে বসে ফেসবুক স্ক্রোল করে নতুন জ্ঞানপ্রাপ্তি ঘটল। জানলাম এর মধ্যে জল-স্থলের বাইরে আছে শাহবাগী, জামাতি, এমনকি শাপলাবাগীও। খুঁজেপেতে দেখলাম কোথাও দেওয়ানবাগী কেউ আছেন কি না! কিন্তু কারা এরা? আর ফেসবুকেই কোত্থেকে এলো এরা?
কমোড থেকে উঠে বুঝলাম, কে বা কারা একটা কুইজ বানিয়েছিল প্রথমে কে কতটুকু শাহবাগী সেটা যাচাইয়ের জন্য। কিন্তু সে হতচ্ছাড়া কুইজের লিংক আর কাজ করছে না। আরেকটা কুইজ পেলাম যেটার নাম ‘জামাত ক্যালকুলেটর’। অতঃপর আরেকটা — ‘শাপলাবাগী টেস্ট’।
কুইজগুলো প্লে করেও দেখলাম। কিছু প্রশ্নের নমুনা দিলে বোঝাপড়াটা আরও স্পষ্ট হয়। যেমন জামাত ক্যালকুলেটরে বলছে ‘রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে জামাত একবার আওয়ামীলীগ এবং পরে বিএনপি-এর সাথে জোট বাধা মুনাফিকি নয়’ বা ‘শিবিরের অনেকে গুপ্ত ভাবে ছাত্রলীগ করলেও তাদের উদ্দেশ্য ছিল সৎ’। শাপলাবাগী স্কোর টেস্টে আছে ‘সত্যিকারের দেশপ্রেম মানে ১৯৭১ সালে ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সকল বাংলাদেশিকে নিপীড়ন থেকে রক্ষা করা’ বা ‘বাংলাদেশের নারীদের জনজীবনে নেতৃত্বের ভূমিকার চেয়ে ধর্মীয় ও পারিবারিক দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত’।
মিথ্যা বলব না বস, প্রশ্নগুলো অনেকক্ষেত্রেই বেশ বোকাবোকা। হাসিও পায়, আবার একটু ভয়ও হয়। শুনেছি এককালে ক্যাথলিক পুরুতরা ব্যক্তির পাপ পূণ্যের হিসেব কষে স্বর্গের টিকিট বিক্রি করতেন। সে যুগ অনেক আগেই বিদেয় হয়েছে। কিন্তু তার বদলে আমরা কি কুইজের জগতে চলে এলাম? যেখানে এসব কুইজ মাস্টারেরা কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমে নিদান দেবেন কে কতটুকু ‘শাহবাগী’ বা ‘শাপলাবাগী’?
এসব কুইজের সমস্যা হচ্ছে—
প্রথমত, এগুলো পুরো সমস্যাকেই অতি-সরলিকরণ করে ফেলে।
দ্বিতীয়ত, কুইজগুলো ক্লোজ এন্ডেড। আপনি চাইলেও নিজের উত্তর দিতে পারবেন না। এর ফলে, যে ব্যক্তি হয়তো রাজনৈতিকভাবে যে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটবাধাকে সমর্থন করেন, আবার মনে করেন নারীবাদ বাংলাদেশের সমাজের জন্য প্রয়োজনীয়, তাঁরা এই কুইজের ভেনচিত্রে নিজেদের ঠিক খুঁজে পাবেন না।
কুইজের মাধ্যমে কে কত পারসেন্ট কী, এসব ট্যাগেরও কিন্তু সোশ্যাল গেঞ্জাম আছে। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে যখন সময় ছিল শাহবাগ বনাম শাপলা চত্বরের দ্বন্দ্ব মিটিয়ে একটা সংলাপের মাধ্যমে সিনথেসিসে পৌঁছানো, তখন কিন্তু এ সুযোগ কোনো পক্ষই নিতে তেমন গা করেনি। ফলে ২০১৩ সালের দিকে যেমন ‘ছাগু’ ট্যাগ বা ‘বাঁশের কেল্লা’ সাবস্ক্রাইবার এই ট্যাগের মাধ্যমে যে কাউকে ‘আদার’ করে ফেলা যেত যুক্তিতর্কের দোহাই ছাড়াই। ২০২৫ সালে সেই ট্যাগ পালটে হয়ে উঠেছে ‘শাহবাগী’। এ সময়ের সাইবার জগতের পরম পরাক্রমশালী আল-বটর যখন কাউকে ক্যান্সেল করতে চান, দেখবেন তাকে প্রাইমারি যে ট্যাগ দেবে তা হলো ‘শাহবাগী’।
প্রশ্ন উঠতে পারে এসব কুইজের মাধ্যমে কে কতটুকু শাহবাগী বা জামাত, এর ভিত্তিতে ‘প্রেশার গ্রুপ’ কাকে ঠিক কতখানি লিঞ্চিং করবে তার সীমারেখা টেনে দেওয়া হচ্ছে কি না।
বেলজিয়ান রাজনৈতিক তাত্ত্বিক শঁতাল মুফ এসব দেখলে হয়তো একটু হাসতেন। কেননা তিনি দীর্ঘদিন থেকে বলে আসছেন, গণতন্ত্রে প্রতিপক্ষকে শত্রুর মতো নির্মূল না করে বরং তাদের স্রেফ রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা উচিৎ। ফলে এই ট্যাগিং কালচারকে তিনি এজন্য সমস্যা মনে করতেন না যে ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে, বরং এজন্য সমস্যা যে এরা একে অপরকে যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী না মনে করে বরং নৈতিকভাবে বিকৃত বলে মনে করে। শাপলা হয়ত শাহবাগকে দেখে পশ্চিমা মতাদর্শের দেশি এজেন্ট, আর শাহবাগ অপরপক্ষকে হয়ত অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগের অশ্বারোহী জ্ঞান করে। মানুষ যখন ভিন্নমত পোষণ করে তখন গণতন্ত্র অক্কা পায় না, বরং যখন ভিন্নমতকে হারাম বা পাপ বা অনৈতিক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয় তখনই গণতন্ত্র অক্কা পায়, এমনটাই হয়তো বলতেন শঁতাল মুফ।

কিন্তু যেটা কাজের কথা, সেটা হচ্ছে এসব ট্যাগিং কালচারের মানেটা আসলে কী?
মানে হয়তো এটাই যে বাংলাদেশ এখনও ঠিক করে উঠতে পারেনি সে নিজের আইডেন্টিটি হিসেবে কী চায়। অর্থাৎ এই যে আমি কুইজের বরাতে ৭১% শাহবাগী আর ১২% জামাতি হলাম দিনের শুরুতে, আর রইলো হাতে ১৭% ফ্লুইড আইডেন্টিটি যা হয়তো আরেক কোনো বোকা কুইজ দিয়ে ফিক্সড হবে, এটাই আসলে বাংলাদেশ। কেউ হয়ত একইসঙ্গে নারী স্বাধীনতাও চায় আবার চায় স্বাধীনভাবে ইসলাম পালন করতে। বস, আপনার হয়তো এইটা জাক্সটাপজিশন মনে হতে পারে, কিন্তু সম্ভবত এইটাই বাংলাদেশ। সাদা-কালো বাইনারির বাইরে একটু হিসেব কষতে হবে বস, তাহলে যদি আমাদের সামষ্টিক টনক নড়ে। আর এসব কুইজের উত্তরকে ভেরি সিরিয়াস হিসেবে না নিয়ে রগের যত্নের পাশাপাশি মাথার যত্ন নেওয়াও দরকার। সবচেয়ে বেশিই দরকার। এক্ষুণি!

টিকটক, রিলস, ইউটিউব কিংবা ইউটিউব শর্টস– সর্বত্র এখন ভোজপুরি গানের আধিপত্য। বিহার, পূর্ব-উত্তর প্রদেশ ও সংলগ্ন অঞ্চলের ভাষার এই গান কীভাবে বিশ্ব মাতাচ্ছে, দেখাচ্ছে ভাইরালের ভেল্কি? এই প্রশ্নের বিস্তারিত শুলুকসন্ধানের প্রয়াস এই লেখা।
১ দিন আগে
দেশের ডিজিটাল স্পেসজুড়ে এখন চলছে বটের রাজত্ব। বিটিভির ভাষায় বললে বট আইডির বাম্পার ফলন। ১৬ কোটি মানুষের ৩২ কোটি বট। মহা সমারোহে চলছে ‘একটি মানুষ একটি বট আইডি’ প্রকল্প। চলুন জানি, নানা ধরণের বটের কর্মকান্ড; ঘুরে আসি বাংলার ডিজিটাল বটমূল।
৩ দিন আগে
শূন্য দশক বাংলা মিউজিকের একটা ক্রান্তিকাল। নিউজিকে নতুন প্রযুক্তির আবির্ভাব এবং ট্রাডিশনাল মিউজিকের নতুন উপস্থাপনের দশক। শিরিনের বিখ্যাত গান পাঞ্জাবিওয়ালাকে কেন্দ্র করে, শূন্য দশকের ফোক ফিউশন নিয়ে এই লেখা।
৮ দিন আগে
আজ বিশ্ব টয়লেট দিবস। টয়লেট বিষয়ে দার্শনিকেরা রহস্যজনকভাবে নীরব। কিন্তু কেন?—জিজ্ঞাসার উত্তর খোজার চেষ্টা এই লেখা।
১০ দিন আগে