স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেছি। কোনো অপশক্তি যাতে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচন–পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বিএনপির এই সংবাদ সম্মেলনে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজনৈতিক দলকে ‘গণতন্ত্রের বাতিঘর’ উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, সরকার ও বিরোধী দল নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলেই গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। দেশ গঠনে অন্যান্য দলের চিন্তা-ভাবনাকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।
দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই বিজয় বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রকামী জনগণের। দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণ আবারও বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামা, গণঅধিকার পরিষদসহ ৫০ রাজনৈতিক দলকে অভিনন্দন জানান তিনি।
শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান। বলেন, জনগণের প্রত্যাশিত এই নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য গণতন্ত্রের ইতিহাসে আপনাদের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিচারিক কর্মকর্তা, প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ফল ঘোষণা হওয়া ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি জয় পেয়েছে ২০৯টিতে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। আর শরিক দলগুলো পেয়েছে ৩টি আসন। অন্যদিকে জামায়াত-এনসিপির ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য পেয়েছে ৭৭টি আসন। একটি আসনে জয় পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আর সাতটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন।
জনগণকে কনভিন্স করাই ইঞ্জিনিয়ারিং
দুই শতাধিক আসন পেতে আপনাকে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে হলো কিনা– এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, জনগণকে কনভিন্স করাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং। এটাতে আমারা সফল।
আরেক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এলে আইন যাতে আইনের মতো চলে, সেটাই চাইব। সবাই সবার মতো করে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবেন। কোনো একটা বিশেষ মহলকে সুযোগ দিতে চাই না।
নেতাকর্মীদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে কোথাও কোথাও ভুল-বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে তা যেন কোনোভাবেই প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়। আমার বক্তব্য স্পষ্ট– যেকোনো মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনো অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। দলমত ধর্ম-বর্ণ কিংবা ভিন্নমত যাই হোক—কোনো অজুহাতে দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, ন্যায়পরায়ণতাই হবে আদর্শ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা না গেলে সব প্রচেষ্টা বৃথা যেতে বাধ্য। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল, অন্য মত কিংবা ভিন্নমত– প্রত্যেক নাগরিকের জন্যই আইন সমান। আইনের প্রয়োগ হবে বিধিবদ্ধ নিয়মে।
তারেক রহমান দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা, দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে জানিয়ে সবার সহযোগিতা চান।
সার্ককে এগিয়ে নিতে চাই
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) আরও গতিশীল করা হবে কিনা– প্রশ্নে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, সার্ক বাংলাদেশের মাধ্যমেই শুরু হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবে আমরা এটিকে এগিয়ে নিতে চাই।
বাংলাদেশের উদ্যোগে গঠিত সার্কের অন্য সদস্য দেশ হলো– পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান ও আফগানিস্তান। চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, মিয়ানমার, মরিশাস, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন হলো সার্কের ৯টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার উত্তেজনার জেরে সার্ক কার্যত অকার্যকর।
চীনের সম্পর্ক নিয়ে নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের ভালো বন্ধু চীন। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে উভয় দেশ একসঙ্গে কাজ করার অবস্থানে থাকবে। স্বাভাবিকভাবে আমরা বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থরক্ষার চেষ্টা করব। যদি এমন কিছু থাকে যা বাংলাদেশের পক্ষে যাবে না, আমরা অবশ্যই সেদিকে যাব না। পারস্পরিক স্বার্থই প্রথম অগ্রাধিকার পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ প্রমুখ।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেছি। কোনো অপশক্তি যাতে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচন–পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বিএনপির এই সংবাদ সম্মেলনে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজনৈতিক দলকে ‘গণতন্ত্রের বাতিঘর’ উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, সরকার ও বিরোধী দল নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলেই গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। দেশ গঠনে অন্যান্য দলের চিন্তা-ভাবনাকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।
দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই বিজয় বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রকামী জনগণের। দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণ আবারও বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামা, গণঅধিকার পরিষদসহ ৫০ রাজনৈতিক দলকে অভিনন্দন জানান তিনি।
শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান। বলেন, জনগণের প্রত্যাশিত এই নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য গণতন্ত্রের ইতিহাসে আপনাদের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিচারিক কর্মকর্তা, প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ফল ঘোষণা হওয়া ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি জয় পেয়েছে ২০৯টিতে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। আর শরিক দলগুলো পেয়েছে ৩টি আসন। অন্যদিকে জামায়াত-এনসিপির ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য পেয়েছে ৭৭টি আসন। একটি আসনে জয় পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আর সাতটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন।
জনগণকে কনভিন্স করাই ইঞ্জিনিয়ারিং
দুই শতাধিক আসন পেতে আপনাকে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে হলো কিনা– এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, জনগণকে কনভিন্স করাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং। এটাতে আমারা সফল।
আরেক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এলে আইন যাতে আইনের মতো চলে, সেটাই চাইব। সবাই সবার মতো করে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবেন। কোনো একটা বিশেষ মহলকে সুযোগ দিতে চাই না।
নেতাকর্মীদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে কোথাও কোথাও ভুল-বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে তা যেন কোনোভাবেই প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়। আমার বক্তব্য স্পষ্ট– যেকোনো মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনো অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। দলমত ধর্ম-বর্ণ কিংবা ভিন্নমত যাই হোক—কোনো অজুহাতে দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, ন্যায়পরায়ণতাই হবে আদর্শ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা না গেলে সব প্রচেষ্টা বৃথা যেতে বাধ্য। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল, অন্য মত কিংবা ভিন্নমত– প্রত্যেক নাগরিকের জন্যই আইন সমান। আইনের প্রয়োগ হবে বিধিবদ্ধ নিয়মে।
তারেক রহমান দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা, দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে জানিয়ে সবার সহযোগিতা চান।
সার্ককে এগিয়ে নিতে চাই
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) আরও গতিশীল করা হবে কিনা– প্রশ্নে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, সার্ক বাংলাদেশের মাধ্যমেই শুরু হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবে আমরা এটিকে এগিয়ে নিতে চাই।
বাংলাদেশের উদ্যোগে গঠিত সার্কের অন্য সদস্য দেশ হলো– পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান ও আফগানিস্তান। চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, মিয়ানমার, মরিশাস, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন হলো সার্কের ৯টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার উত্তেজনার জেরে সার্ক কার্যত অকার্যকর।
চীনের সম্পর্ক নিয়ে নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের ভালো বন্ধু চীন। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে উভয় দেশ একসঙ্গে কাজ করার অবস্থানে থাকবে। স্বাভাবিকভাবে আমরা বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থরক্ষার চেষ্টা করব। যদি এমন কিছু থাকে যা বাংলাদেশের পক্ষে যাবে না, আমরা অবশ্যই সেদিকে যাব না। পারস্পরিক স্বার্থই প্রথম অগ্রাধিকার পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৬ ঘণ্টা আগে