জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

আমাদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে: সালাহউদ্দিন

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪: ৫১
জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে বিএনপির এমপিদের উপস্থিতিতে কথা বলছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছি, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি, আমাদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে।’

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিয়ে সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে আসার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান।

এ সময় সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এটা আমরা ক্ষমতা বলি না, এটাকে বলি দায়িত্ব। এদেশের জনগণের প্রত্যাশা, মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যাশা, ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রত্যাশাসহ সবকিছু আমাদের পূরণ করতে হবে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হবে সমস্ত বিষয়ের আলোচনার কেন্দ্র। আগে ছিল শুধু বিন্দু, এখন হবে কেন্দ্রবিন্দু।’

শপথ অনুষ্ঠানের পর সংসদীয় দলের বৈঠক করে বিএনপি। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে তারেক রহমান বিএনপির সংসদ সদস্যদের দুটি অনুশাসন দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, তারেক রহমানের প্রথম অনুশাসনটি হলো, কোনো সংসদ সদস্য ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেবেন না। আর দ্বিতীয়টি হলো সরকারি কোনো প্লট সংসদ সদস্য হিসেবে গ্রহণ করবেন না। তিনি বলেন, ‘এটা আজ পরিবর্তনের শুরু হলো।’

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখানে রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার হবে, সংবিধানের গণতান্ত্রিক সংস্কার হবে, আমাদের জাতি ও তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্খা এবং প্রত্যাশা অনুযায়ী মেধাভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞান নির্ভর জাতি গঠন করতে হবে। সে জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করতে হবে, আইন সংস্কার করতে হবে। এগুলো আমাদের অনেক বেশি দায়িত্ব। সুতরাং আমরা মনে করি এটা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নয় রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। আমরা এ দায়িত্বে বোঝা যাতে বহন করতে পারি সেজন্য আমরা সবার সহযোগিতা চাই। এ জাতির ঐক্যটাকে ধরে রেখে এই ঐক্যকে শক্তিতে পরিণত করে এ জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেওেত হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কেনো বিএনপি নিচ্ছে না জানতে চাইলে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা গতকাল থেকে বিষয়টি পরিষ্কার করেছি। গণভোটের রায় অনুসারে জনগণের যে ইচ্ছা সেটার প্রতিফলন ঘটতে হলে সংসদে যেতে হবে আগে। সংসদে প্রয়োজনীয় আইন এবং সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সেটা সংশোধন করার পরে যিনি শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং শপথের ফরম সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে যুক্ত করা হবে। তারপর যিনি দায়িত্বে থাকবেন, তিনি শপথ বাক্য পাঠ করাতে পারবেন। এখন সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো বিধান সংবিধানে নেই। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনারেরও শপথ পাঠ করানোর এখতিয়ার নেই। সেজন্য তিনি আমাদের এপ্রোচও করেন নেই। যেহেতু তিনি এপ্রোচ করেন নেই সেহেতু আমরাও পাঠ করি নেই।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত