স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। পাশাপাশি, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে বলে দাবি সংস্থাটির।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামা ভিত্তিক পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য জানিয়েছে টিআইবি। সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে এই নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হলো কি না– এ নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠবে।
টিআইবি জানিয়েছে, নির্বাচনে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে নেতিবাচক অবস্থান নিলেও, অনানুষ্ঠানিকভাবে তাদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ ভোটাধিকার প্রয়োগসহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। নির্বাচনে দলটির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ– উভয় ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল।
পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত এবং দলটির কার্যক্রম ও ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করা হয়। তবে আওয়ামী লীগ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ ও ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে’ অবৈধ এবং ষড়যন্ত্রমূলক ঘোষণা করে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে। দলটি নির্বাচনকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করে তা প্রতিহত করার ঘোষণা দেয় এবং নির্বাচনী পরিবেশে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করে।
এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা থাকলেও মাঠপর্যায়ে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। দলের একটি অংশ ভোট বর্জন করলেও, কর্মী-সমর্থকদের অপর একটি অংশ সাধারণ ভোটার হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে বিএনপি-জামায়াত জোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের ভোট টানার জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিল। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যেও সাড়া দেখা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্য দলগুলোতে যোগদান করেছেন অথবা তাদের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন– ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে কিনা? জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, পেছনে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং হতে পারে। তবে আমাদের বিবেচনায় আমরা কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং পাইনি। নির্বাচন তুলনামূলক সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে।
আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আরেক সাংবাদিক। জবাবে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ধানের শীষ বা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে বলেছিলেন। তারা ভোট দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের শতভাগ নেতাকর্মী ভোট দেননি এটা বলার সুযোগ নেই। আমাদের দৃষ্টিতে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক, অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হলো কিনা– এ নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। পাশাপাশি, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে বলে দাবি সংস্থাটির।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামা ভিত্তিক পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য জানিয়েছে টিআইবি। সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে এই নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হলো কি না– এ নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠবে।
টিআইবি জানিয়েছে, নির্বাচনে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে নেতিবাচক অবস্থান নিলেও, অনানুষ্ঠানিকভাবে তাদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ ভোটাধিকার প্রয়োগসহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। নির্বাচনে দলটির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ– উভয় ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল।
পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত এবং দলটির কার্যক্রম ও ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করা হয়। তবে আওয়ামী লীগ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ ও ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে’ অবৈধ এবং ষড়যন্ত্রমূলক ঘোষণা করে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে। দলটি নির্বাচনকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করে তা প্রতিহত করার ঘোষণা দেয় এবং নির্বাচনী পরিবেশে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করে।
এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা থাকলেও মাঠপর্যায়ে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। দলের একটি অংশ ভোট বর্জন করলেও, কর্মী-সমর্থকদের অপর একটি অংশ সাধারণ ভোটার হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে বিএনপি-জামায়াত জোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের ভোট টানার জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিল। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যেও সাড়া দেখা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্য দলগুলোতে যোগদান করেছেন অথবা তাদের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন– ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে কিনা? জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, পেছনে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং হতে পারে। তবে আমাদের বিবেচনায় আমরা কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং পাইনি। নির্বাচন তুলনামূলক সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে।
আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আরেক সাংবাদিক। জবাবে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ধানের শীষ বা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে বলেছিলেন। তারা ভোট দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের শতভাগ নেতাকর্মী ভোট দেননি এটা বলার সুযোগ নেই। আমাদের দৃষ্টিতে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক, অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হলো কিনা– এ নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৯ ঘণ্টা আগে