আল জাজিরার প্রতিবেদন
স্ট্রিম ডেস্ক

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। তারপরই বাংলাদেশ মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এক ঐতিহাসিক নির্বাচনের। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণেভোট।
এই নির্বাচনকে নানা কারণেই তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘ দেড় দশকের একদলকেন্দ্রীক শাসনের অবসানের পর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আবার গণতান্ত্রিক ধারায় প্রত্যাবর্তন করবে। তাই এই নির্বাচনকে বলা হচ্ছে গণতন্ত্রের জন্য অগ্নিপরীক্ষা।
এছাড়া এই জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। বলা হচ্ছে, এই গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুরোনো রাষ্ট্রকাঠামো থেকে বেরিয়ে আসবে। এ কারণেও এবারের নির্বাচনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খন্দকার তাহমিদ রেজওয়ান কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন, ‘প্রায় ১৭ বছর পর ভোটাররা একটি সত্যিকার প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়ার আশা করছে। তারা আশা করছে, এবার সবাই নিজের ভোট নিজে দিতে পারবে।’
বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনই স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়নি।
এছাড়া এই নির্বাচনটি তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ার আরও একটি কারণ হলো, ‘তরুণ ভোটাররা মোট ভোটারের একটি বিশাল অংশ এবং তাদের মধ্যে অনেকেই এবার প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন।’ বলছিলেন রেজওয়ান।
এই শিক্ষার্থী আরও বলেন, ‘আমরা হচ্ছি সেই প্রজন্ম যারা স্বৈরাচারী শেখ হাসিার শাসনকে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম এবং শেখ পর্যন্ত গণআন্দোলনের মাধ্যমে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করেছি।’
রেজওয়ানের মতে, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও জনপরিসরে ইসলামপন্থী দলগুলোর দ্রুত উত্থান এবং বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নির্বাচনী লড়াইয়ে অনুপস্থিতিও এই নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এই পরিবর্তিত রাজনৈতিক বিন্যাস চিরাচরিত জোটগুলোকে প্রতিযোগিতার ময়দানে রূপান্তরিত করেছে। যেমন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একসময় একত্রে কাজ করলেও এখন তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
রেজওয়ান সব শেষে বলেন, ‘সব মিলিয়ে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দীর্ঘদিনের জনদাবি, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও কাঠামোগত পরিবর্তনের নজিরবিহীন সম্ভাবনা, বিশাল সংখ্যক জেন-জি ভোটারের চূড়ান্ত উপস্থিতি এবং জামায়াতের মতো ইসলামপন্থী দলগুলোর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ফলাফল নির্ধারণী নির্বাচনে পরিণত করেছে।’

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। তারপরই বাংলাদেশ মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এক ঐতিহাসিক নির্বাচনের। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণেভোট।
এই নির্বাচনকে নানা কারণেই তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘ দেড় দশকের একদলকেন্দ্রীক শাসনের অবসানের পর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আবার গণতান্ত্রিক ধারায় প্রত্যাবর্তন করবে। তাই এই নির্বাচনকে বলা হচ্ছে গণতন্ত্রের জন্য অগ্নিপরীক্ষা।
এছাড়া এই জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট। বলা হচ্ছে, এই গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুরোনো রাষ্ট্রকাঠামো থেকে বেরিয়ে আসবে। এ কারণেও এবারের নির্বাচনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খন্দকার তাহমিদ রেজওয়ান কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন, ‘প্রায় ১৭ বছর পর ভোটাররা একটি সত্যিকার প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়ার আশা করছে। তারা আশা করছে, এবার সবাই নিজের ভোট নিজে দিতে পারবে।’
বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনই স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়নি।
এছাড়া এই নির্বাচনটি তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ার আরও একটি কারণ হলো, ‘তরুণ ভোটাররা মোট ভোটারের একটি বিশাল অংশ এবং তাদের মধ্যে অনেকেই এবার প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন।’ বলছিলেন রেজওয়ান।
এই শিক্ষার্থী আরও বলেন, ‘আমরা হচ্ছি সেই প্রজন্ম যারা স্বৈরাচারী শেখ হাসিার শাসনকে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম এবং শেখ পর্যন্ত গণআন্দোলনের মাধ্যমে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করেছি।’
রেজওয়ানের মতে, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও জনপরিসরে ইসলামপন্থী দলগুলোর দ্রুত উত্থান এবং বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নির্বাচনী লড়াইয়ে অনুপস্থিতিও এই নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এই পরিবর্তিত রাজনৈতিক বিন্যাস চিরাচরিত জোটগুলোকে প্রতিযোগিতার ময়দানে রূপান্তরিত করেছে। যেমন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একসময় একত্রে কাজ করলেও এখন তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
রেজওয়ান সব শেষে বলেন, ‘সব মিলিয়ে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দীর্ঘদিনের জনদাবি, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও কাঠামোগত পরিবর্তনের নজিরবিহীন সম্ভাবনা, বিশাল সংখ্যক জেন-জি ভোটারের চূড়ান্ত উপস্থিতি এবং জামায়াতের মতো ইসলামপন্থী দলগুলোর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ফলাফল নির্ধারণী নির্বাচনে পরিণত করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৯ ঘণ্টা আগে