স্ট্রিম প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ যে অপরাধ করেছে, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল একই ধরণের অপরাধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেছেন, ‘আপনি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করলেন বা নিষিদ্ধ করলেন, জাতীয় পার্টিকে কেন করলেন না? ১৪ দলকে কেন করলেন না?
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত জুলাই জনতার সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
গণহত্যার বিচার, জাতীয় পার্টিসহ গণহত্যাকারী ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ, রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে ফ্যাসিবাদী আমলাদের উৎখাত, জুলাই বিপ্লবের অন্যতম শীর্ষ নেতা নুরুল হক নুরসহ বিপ্লবীদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচার, লন্ডনে মাহফুজ আলমের সুরক্ষায় ব্যর্থতার জবাবদিহি ও জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করে জুলাই মঞ্চ নামে একটি সংগঠন। সমাবেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জুলাই মঞ্চের নেতারা বক্তব্য দেন৷
সমাবেশে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে নুরুল হক নূরের ওপরে হামলা হবে, তিনি রক্তাক্ত হবেন, তাঁকে আইসিইউতে পাঠানো হবে, এটা বাংলাদেশের কেউ কল্পনা করতে পারে না। এতে শুধুমাত্র নুরুল হক নূর আক্রান্ত হননি, আমি মনে করি, পুরো বাংলাদেশ আক্রান্ত হয়েছে। এই ধরণের ঘটনা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক।’
সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে জানিয়ে রাশেদ বলেন, ‘যদি বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ দেশ হিসেবে গঠন করতে হয়, আমাদের সকলকে এক এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার কোনও বিকল্প নাই। গণঅভ্যুত্থানের পরে দেশপ্রেমিক শক্তি যখন নানান ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে, যখন নানান দাবিতে বিভাজিত হয়ে পড়েছে, তখন তো এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটবেই।’
রাশেদ বলেন, ‘আমাদের স্পষ্ট কথা, আর যদি কারো ওপর হামলা করা হয়, আর যদি কাউকে রক্তাক্ত করা হয়, গণঅভ্যুত্থানের আর কোনও নায়ককে এইভাবে যদি আইসিইউতে পাঠানো হয়, এদেশের জনগণ কিন্তু চুপ করে বসে থাকবে না।’
যাঁরা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পতন চায়, তাঁরা দেশ ও জনগণের শত্রু মন্তব্য করে রাশেদ বলেন, ‘আমরা মনে করি, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। নতুনভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করতে গেলে এই যে বিভাজন এবং মতানৈক্য, এর সুযোগে আরেকটি এক-এগারো ফিরে আসতে পারে। সুতরাং, আমাদের সকলকে সাবধান এবং সতর্ক থাকতে হবে। যাঁরা ড. ইউনূসের পতন চায়, তাঁরা দেশ ও জনগণের শত্রু।’
সমাবেশে জুলাই মঞ্চের মুখ্য সংগঠক অর্ণব হোসাইন বলেন, ‘ছাত্র-জনতা তাদের জীবন বাজি রেখে আন্দোলন করে গণঅভ্যুত্থান করেছে। কিন্তু যাদেরকে আমরা ভরসা করেছিলাম, যেই ছাত্র উপদেষ্টাদেরকে আমরা বসিয়েছিলাম, যেই ব্যক্তিদেরকে বাংলাদেশে আমরা ভরসা করেছিলাম, তারা কি সেই ভরসার রাখতে পেরেছে? না। একটা বছর পরে তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সাহেবের কাছে আমার প্রশ্ন, আপনি কি সেই ভরসার জায়গায় এখন আছেন?’
গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ সাজ্জাদ হোসেন স্বাধীনের মা শাহীনা বেগম সমাবেশে বলেন, ‘এই সরকার কী কাজ করতেছে? আজকে নিউজে শুনতেছি ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, মার্চে নির্বাচন। নির্বাচন দেবে, কিন্তু একটা বছরে শহীদদের নাম গেজেটভুক্ত করতে পারল না। একটা বছরে কোনো দপ্তর সংস্কার করতে পারল না। কিন্তু নির্বাচন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে।’
শাহীনা বেগম আরও বলেন, ‘এই শহীদদের যে আত্মত্যাগ, দুইদিন পর পর কি আমার সন্তানরা আবার জীবন দেবে? আবার রাস্তায় নামবে? এই বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করে, সুন্দর একটা বাংলাদেশ গড়ে তুলে, তারপর নির্বাচন দিলে আমরা শহীদ পরিবার খুশি হতাম।’

আওয়ামী লীগ যে অপরাধ করেছে, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল একই ধরণের অপরাধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেছেন, ‘আপনি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করলেন বা নিষিদ্ধ করলেন, জাতীয় পার্টিকে কেন করলেন না? ১৪ দলকে কেন করলেন না?
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত জুলাই জনতার সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
গণহত্যার বিচার, জাতীয় পার্টিসহ গণহত্যাকারী ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ, রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে ফ্যাসিবাদী আমলাদের উৎখাত, জুলাই বিপ্লবের অন্যতম শীর্ষ নেতা নুরুল হক নুরসহ বিপ্লবীদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচার, লন্ডনে মাহফুজ আলমের সুরক্ষায় ব্যর্থতার জবাবদিহি ও জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করে জুলাই মঞ্চ নামে একটি সংগঠন। সমাবেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জুলাই মঞ্চের নেতারা বক্তব্য দেন৷
সমাবেশে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে নুরুল হক নূরের ওপরে হামলা হবে, তিনি রক্তাক্ত হবেন, তাঁকে আইসিইউতে পাঠানো হবে, এটা বাংলাদেশের কেউ কল্পনা করতে পারে না। এতে শুধুমাত্র নুরুল হক নূর আক্রান্ত হননি, আমি মনে করি, পুরো বাংলাদেশ আক্রান্ত হয়েছে। এই ধরণের ঘটনা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক।’
সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে জানিয়ে রাশেদ বলেন, ‘যদি বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ দেশ হিসেবে গঠন করতে হয়, আমাদের সকলকে এক এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার কোনও বিকল্প নাই। গণঅভ্যুত্থানের পরে দেশপ্রেমিক শক্তি যখন নানান ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে, যখন নানান দাবিতে বিভাজিত হয়ে পড়েছে, তখন তো এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটবেই।’
রাশেদ বলেন, ‘আমাদের স্পষ্ট কথা, আর যদি কারো ওপর হামলা করা হয়, আর যদি কাউকে রক্তাক্ত করা হয়, গণঅভ্যুত্থানের আর কোনও নায়ককে এইভাবে যদি আইসিইউতে পাঠানো হয়, এদেশের জনগণ কিন্তু চুপ করে বসে থাকবে না।’
যাঁরা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পতন চায়, তাঁরা দেশ ও জনগণের শত্রু মন্তব্য করে রাশেদ বলেন, ‘আমরা মনে করি, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। নতুনভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করতে গেলে এই যে বিভাজন এবং মতানৈক্য, এর সুযোগে আরেকটি এক-এগারো ফিরে আসতে পারে। সুতরাং, আমাদের সকলকে সাবধান এবং সতর্ক থাকতে হবে। যাঁরা ড. ইউনূসের পতন চায়, তাঁরা দেশ ও জনগণের শত্রু।’
সমাবেশে জুলাই মঞ্চের মুখ্য সংগঠক অর্ণব হোসাইন বলেন, ‘ছাত্র-জনতা তাদের জীবন বাজি রেখে আন্দোলন করে গণঅভ্যুত্থান করেছে। কিন্তু যাদেরকে আমরা ভরসা করেছিলাম, যেই ছাত্র উপদেষ্টাদেরকে আমরা বসিয়েছিলাম, যেই ব্যক্তিদেরকে বাংলাদেশে আমরা ভরসা করেছিলাম, তারা কি সেই ভরসার রাখতে পেরেছে? না। একটা বছর পরে তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সাহেবের কাছে আমার প্রশ্ন, আপনি কি সেই ভরসার জায়গায় এখন আছেন?’
গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ সাজ্জাদ হোসেন স্বাধীনের মা শাহীনা বেগম সমাবেশে বলেন, ‘এই সরকার কী কাজ করতেছে? আজকে নিউজে শুনতেছি ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, মার্চে নির্বাচন। নির্বাচন দেবে, কিন্তু একটা বছরে শহীদদের নাম গেজেটভুক্ত করতে পারল না। একটা বছরে কোনো দপ্তর সংস্কার করতে পারল না। কিন্তু নির্বাচন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে।’
শাহীনা বেগম আরও বলেন, ‘এই শহীদদের যে আত্মত্যাগ, দুইদিন পর পর কি আমার সন্তানরা আবার জীবন দেবে? আবার রাস্তায় নামবে? এই বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করে, সুন্দর একটা বাংলাদেশ গড়ে তুলে, তারপর নির্বাচন দিলে আমরা শহীদ পরিবার খুশি হতাম।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৬ ঘণ্টা আগে