স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই জাতীয় সনদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
এনসিপির প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, খালেদ সাইফুল্লাহ, জাবেদ রাসিন ও যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা।
ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামান, আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।
গত ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
সংলাপে থাকা ৩০টি দল ও জোটের মধ্যে ২৫টি এই সনদে সই করে ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ধোঁয়াশা দেখার কথা জানিয়ে সনদে সই করেনি এনসিপি। বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি তুলে আরও চারটি দল একই পথ অনুসরণ করেছে।
এর মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে বুধবার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এনসিপির কেউ যাননি। সেদিন সকালে দলটির পক্ষ থেকে তিনটি শর্তের কথা বলা হয়েছিল। সেগুলো হলো— জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ‘টেক্সট’ ও গণভোটের প্রশ্নটি চূড়ান্ত করে আগেই জনগণের কাছে প্রকাশ করতে হবে; গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যদি জুলাই সনদে রায় দেয়, তবে নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) কোনো কার্যকারিতা থাকবে না এবং গণভোটের রায় অনুযায়ী, আগামী নির্বাচিত সংসদ তাদের ওপর প্রদত্ত গাঠনিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি বা আইনি ভিত্তি নিয়ে ঐকমত্য কমিশন কী সুপারিশ করে এবং তার ভিত্তিতে সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি দেখার জন্য এখন অপেক্ষা করছে এনসিপি।
তাদের শর্ত বা এর কাছাকাছি সিদ্ধান্ত যাতে সরকার নেয়, সে জন্য সরকার ও ঐকমত্য কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করছে দলটি।

জুলাই জাতীয় সনদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
এনসিপির প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, খালেদ সাইফুল্লাহ, জাবেদ রাসিন ও যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা।
ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামান, আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।
গত ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
সংলাপে থাকা ৩০টি দল ও জোটের মধ্যে ২৫টি এই সনদে সই করে ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ধোঁয়াশা দেখার কথা জানিয়ে সনদে সই করেনি এনসিপি। বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি তুলে আরও চারটি দল একই পথ অনুসরণ করেছে।
এর মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে বুধবার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এনসিপির কেউ যাননি। সেদিন সকালে দলটির পক্ষ থেকে তিনটি শর্তের কথা বলা হয়েছিল। সেগুলো হলো— জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ‘টেক্সট’ ও গণভোটের প্রশ্নটি চূড়ান্ত করে আগেই জনগণের কাছে প্রকাশ করতে হবে; গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যদি জুলাই সনদে রায় দেয়, তবে নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) কোনো কার্যকারিতা থাকবে না এবং গণভোটের রায় অনুযায়ী, আগামী নির্বাচিত সংসদ তাদের ওপর প্রদত্ত গাঠনিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি বা আইনি ভিত্তি নিয়ে ঐকমত্য কমিশন কী সুপারিশ করে এবং তার ভিত্তিতে সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি দেখার জন্য এখন অপেক্ষা করছে এনসিপি।
তাদের শর্ত বা এর কাছাকাছি সিদ্ধান্ত যাতে সরকার নেয়, সে জন্য সরকার ও ঐকমত্য কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করছে দলটি।

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১ দিন আগে