স্ট্রিম সংবাদদাতা

মনোনয়ন কিনবেন না বলে সাফ জানিয়েছেন বিএনপির সহআন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। স্থানীয় জনগণ চাইলে স্বতন্ত্র লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, আমার বাবা ১৯৭৩ সালে আপনাদের বাপ-দাদার ভোটে স্বতন্ত্র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন শেখ হাসিনার বাপ শেখ মুজিবুর রহমান আমার বাপকে জিততে দেননি। আমি জানি না বাপের ভাগ্য বেটির কপালেও আছে কি না। বাপ স্বতন্ত্র ছিলেন, বেটিও স্বতন্ত্র– সময়ই এর উত্তর দেবে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের সৈয়দটুল্লা আবর আলী বাজার খেলার মাঠে দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা। উপজেলা বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বাবা অলি আহাদ ছিলেন প্রথিতযশা রাজনীতিক। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রের সংগ্রামে বলিষ্ঠ এই কণ্ঠস্বর ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর মারা যান। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন।
অলি আহাদের মেয়ে রুমিন ফারহানা শরিফ ওসমান হাদির জানাজার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আজ ঢাকায় তাঁর জানাজায় মানুষের ঢল নেমেছিল। জানি না, ওসমান হাদির পর কার নাম আছে, এই প্রশ্ন আমাদের সবাইকে নাড়া দেয়।’
নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মনোনয়ন আমি কিনব না। এই মনোনয়ন আমার এলাকার ভোটারদের। তারা যদি মনে করেন, তবেই সেটা আমার হবে।’ আসন্ন নির্বাচন বানচাল করতে পতিত স্বৈরাচারের লোকজন ছাড়াও দেশের ভেতরে ষড়যন্ত্র থেমে নেই বলে মন্তব্য করেন রুমিন।
গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন আপনারা মাঠে থাকবেন। সামান্য অনিয়ম দেখলেও তাৎক্ষণিক জানাবেন। আপনাদের হাতে থাকা মোবাইল ও ক্যামেরাই সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের রুমিন ফারহানা বলেন, থানা লুটের অবৈধ অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। এটা বড় উদ্বেগের বিষয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রার্থীদের অস্ত্র দেওয়ার কথা বলে মূলত ‘মবকে’ আইনি বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত দুঃসংবাদ।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিজের রাজনীতির আদর্শ ও পথপ্রদর্শক উল্লেখ করে সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) এ দেশের মানুষের পালস বোঝেন। আমি সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষ, এখানকার মানুষ যা বলবে, আমি তাই করব। আমি ছিলাম, আছি এবং থাকব।’

মনোনয়ন কিনবেন না বলে সাফ জানিয়েছেন বিএনপির সহআন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। স্থানীয় জনগণ চাইলে স্বতন্ত্র লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, আমার বাবা ১৯৭৩ সালে আপনাদের বাপ-দাদার ভোটে স্বতন্ত্র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন শেখ হাসিনার বাপ শেখ মুজিবুর রহমান আমার বাপকে জিততে দেননি। আমি জানি না বাপের ভাগ্য বেটির কপালেও আছে কি না। বাপ স্বতন্ত্র ছিলেন, বেটিও স্বতন্ত্র– সময়ই এর উত্তর দেবে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের সৈয়দটুল্লা আবর আলী বাজার খেলার মাঠে দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা। উপজেলা বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বাবা অলি আহাদ ছিলেন প্রথিতযশা রাজনীতিক। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রের সংগ্রামে বলিষ্ঠ এই কণ্ঠস্বর ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর মারা যান। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন।
অলি আহাদের মেয়ে রুমিন ফারহানা শরিফ ওসমান হাদির জানাজার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আজ ঢাকায় তাঁর জানাজায় মানুষের ঢল নেমেছিল। জানি না, ওসমান হাদির পর কার নাম আছে, এই প্রশ্ন আমাদের সবাইকে নাড়া দেয়।’
নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মনোনয়ন আমি কিনব না। এই মনোনয়ন আমার এলাকার ভোটারদের। তারা যদি মনে করেন, তবেই সেটা আমার হবে।’ আসন্ন নির্বাচন বানচাল করতে পতিত স্বৈরাচারের লোকজন ছাড়াও দেশের ভেতরে ষড়যন্ত্র থেমে নেই বলে মন্তব্য করেন রুমিন।
গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন আপনারা মাঠে থাকবেন। সামান্য অনিয়ম দেখলেও তাৎক্ষণিক জানাবেন। আপনাদের হাতে থাকা মোবাইল ও ক্যামেরাই সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের রুমিন ফারহানা বলেন, থানা লুটের অবৈধ অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। এটা বড় উদ্বেগের বিষয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রার্থীদের অস্ত্র দেওয়ার কথা বলে মূলত ‘মবকে’ আইনি বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত দুঃসংবাদ।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিজের রাজনীতির আদর্শ ও পথপ্রদর্শক উল্লেখ করে সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) এ দেশের মানুষের পালস বোঝেন। আমি সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষ, এখানকার মানুষ যা বলবে, আমি তাই করব। আমি ছিলাম, আছি এবং থাকব।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১০ ঘণ্টা আগে