স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতাকর্মীদেরকে জনগণের সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে দক্ষিণ জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। কাজেই জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে।
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘সমগ্র বাংলাদেশের বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদেরকে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। আমাদেরকে দেশ গঠন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। দেশকে যদি গঠন করতে হয়, আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
জনগণ যেভাবে চায় সেভাবে তাঁদের পাশে থাকতে হবে দাবি করে তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে। জনগণকে সঙ্গে রাখতে হবে। জনগণকে সঙ্গে রাখতে হলে জনগণ যেভাবে চায় আমাদেরকে ঠিক সেভাবেই চলতে হবে। জনগণ যেভাবে চায় আমাদেরকে সেভাবে কাজ করতে হবে। সেভাবে কথা বলতে হবে। সেভাবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে।’
শেখ হাসিনার আমলে বিএনপি নেতাকর্মীরা গুম, খুনের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচার দেশের অবস্থা কোথায় নিয়ে গেছে, দেশকে কী অবস্থায় রেখে দিয়ে গেছে, তা আপনাদের সামনে এর আগের বক্তারা তুলে ধরেছেন। আমাদের নেতাকর্মীরা হত্যা, খুন, গুমের শিকার হয়েছে। নির্যাতনের শিকার হয়েছে। হাতকড়া অবস্থায় হাসপাতালে মারা গিয়েছে। হাতকড়া অবস্থায় জেলের ভেতরে মারা গিয়েছে। হাজারো নেতাকর্মীকে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে। আজ স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। স্বৈরাচার দেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে। তাহলে এখন কী? এখন দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘প্রিয় ভাই-বোনেরা, একটি ঘর যখন তৈরি করতে হয় তখন সকলকে মিলে কাজ করতে হয়। কিন্তু যখন একটি ঘরকে ধ্বংস করতে হয় তখন কিন্তু বেশি লোকের প্রয়োজন লাগে না। ঠিক এই দেশটি হচ্ছে আপনার, আমার, আমাদের সকলের ঘর। এই ঘরে ডাকাত পড়েছিল গত ১৫-১৬ বছর যাবত। সেই ডাকাতকে বাংলাদেশের জনগণ বিতাড়িত করেছে। এখন এই বাংলাদেশকে গঠন করতে হবে। কিন্তু দেশকে গঠন করতে হলে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমাদের প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে দেশ গঠনের যে শক্তি অর্থাৎ জনগণ, সেই জনগণের কাছে আমাদেরকে যেতে হবে।’
মিটিং করে জনগণের কাছে গেলে চলবে না জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এইরকম মিটিং করে জনগণের কাছে গেলে চলবে না। আপনাদের প্রত্যেককে দুজন-তিনজনের ছোট ছোট টিম করে জনগণের ঘরের দুয়ারে যেতে হবে। ঘরে ঘরে জনগণের কাছে যেতে হবে। জনসভা করে না। আমাদের লক্ষ্য এখন একটি থাকতে হবে। ঐক্য, জনগণ এবং দেশ গঠন।’
ঐক্যবদ্ধ না হলে বিপদ হতে পারে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না হই, তাহলে দেশ স্বাধীনের পরে যেভাবে স্বৈরাচার চেপে বসেছিল, ২০০৮ সালে তথাকথিত নির্বাচন দিয়ে ওয়ান-ইলেভেনের পরে তথাকথিত নির্বাচন দিয়ে যেভাবে স্বৈরাচার, ফ্যাসিস্ট দেশের কাঁধে চেপে বসেছিল, তাহলে হয়তো আগামী দিনে গুপ্ত স্বৈরাচারের আবির্ভাব হতে পারে। কাজেই এই গুপ্ত স্বৈরাচার থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে, দেশের মানুষকে রক্ষা করতে হবে আমাদের।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতাকর্মীদেরকে জনগণের সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে দক্ষিণ জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। কাজেই জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে।
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘সমগ্র বাংলাদেশের বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদেরকে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। আমাদেরকে দেশ গঠন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। দেশকে যদি গঠন করতে হয়, আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
জনগণ যেভাবে চায় সেভাবে তাঁদের পাশে থাকতে হবে দাবি করে তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে। জনগণকে সঙ্গে রাখতে হবে। জনগণকে সঙ্গে রাখতে হলে জনগণ যেভাবে চায় আমাদেরকে ঠিক সেভাবেই চলতে হবে। জনগণ যেভাবে চায় আমাদেরকে সেভাবে কাজ করতে হবে। সেভাবে কথা বলতে হবে। সেভাবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে।’
শেখ হাসিনার আমলে বিএনপি নেতাকর্মীরা গুম, খুনের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচার দেশের অবস্থা কোথায় নিয়ে গেছে, দেশকে কী অবস্থায় রেখে দিয়ে গেছে, তা আপনাদের সামনে এর আগের বক্তারা তুলে ধরেছেন। আমাদের নেতাকর্মীরা হত্যা, খুন, গুমের শিকার হয়েছে। নির্যাতনের শিকার হয়েছে। হাতকড়া অবস্থায় হাসপাতালে মারা গিয়েছে। হাতকড়া অবস্থায় জেলের ভেতরে মারা গিয়েছে। হাজারো নেতাকর্মীকে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে। আজ স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। স্বৈরাচার দেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে। তাহলে এখন কী? এখন দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘প্রিয় ভাই-বোনেরা, একটি ঘর যখন তৈরি করতে হয় তখন সকলকে মিলে কাজ করতে হয়। কিন্তু যখন একটি ঘরকে ধ্বংস করতে হয় তখন কিন্তু বেশি লোকের প্রয়োজন লাগে না। ঠিক এই দেশটি হচ্ছে আপনার, আমার, আমাদের সকলের ঘর। এই ঘরে ডাকাত পড়েছিল গত ১৫-১৬ বছর যাবত। সেই ডাকাতকে বাংলাদেশের জনগণ বিতাড়িত করেছে। এখন এই বাংলাদেশকে গঠন করতে হবে। কিন্তু দেশকে গঠন করতে হলে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমাদের প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে দেশ গঠনের যে শক্তি অর্থাৎ জনগণ, সেই জনগণের কাছে আমাদেরকে যেতে হবে।’
মিটিং করে জনগণের কাছে গেলে চলবে না জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এইরকম মিটিং করে জনগণের কাছে গেলে চলবে না। আপনাদের প্রত্যেককে দুজন-তিনজনের ছোট ছোট টিম করে জনগণের ঘরের দুয়ারে যেতে হবে। ঘরে ঘরে জনগণের কাছে যেতে হবে। জনসভা করে না। আমাদের লক্ষ্য এখন একটি থাকতে হবে। ঐক্য, জনগণ এবং দেশ গঠন।’
ঐক্যবদ্ধ না হলে বিপদ হতে পারে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না হই, তাহলে দেশ স্বাধীনের পরে যেভাবে স্বৈরাচার চেপে বসেছিল, ২০০৮ সালে তথাকথিত নির্বাচন দিয়ে ওয়ান-ইলেভেনের পরে তথাকথিত নির্বাচন দিয়ে যেভাবে স্বৈরাচার, ফ্যাসিস্ট দেশের কাঁধে চেপে বসেছিল, তাহলে হয়তো আগামী দিনে গুপ্ত স্বৈরাচারের আবির্ভাব হতে পারে। কাজেই এই গুপ্ত স্বৈরাচার থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে, দেশের মানুষকে রক্ষা করতে হবে আমাদের।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৬ ঘণ্টা আগে