স্ট্রিম প্রতিবেদক

বগুড়ায় চলমান ও অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল নিজেদের ‘নতুন প্রতিশ্রুতি’ হিসেবে উপস্থাপন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে দলের নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রতিপক্ষের এসব দাবিকে ‘রাজনৈতিক দেউলিয়াগ্রস্ততা’ ও ‘প্রতারণামূলক’ হিসেবে আখ্যা দেন।
তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট দলের আমির বগুড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা মূলত জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা। বাস্তবতা হলো, এই দুটি বিষয়ই ইতোমধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনুমোদিত এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগও সম্পন্ন হয়েছে। একটি বিদ্যমান সরকারি সিদ্ধান্তকে কেন নতুন দলীয় প্রতিশ্রুতি হিসেবে উপস্থাপন করে বগুড়াবাসীকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে?’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি যখন ২০০১ সালে সরকার গঠন করে, তখন আন্তর্জাতিক সূচকে দুর্নীতির স্কোর ছিল মাত্র ০.৪। এটি মূলত পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির প্রতিফলন। কিন্তু বিএনপির জিরো টলারেন্স নীতি ও সুশাসনের ফলে ২০০৬ সালে সেই স্কোর ধারাবাহিকভাবে বেড়ে ২-এ উন্নীত হয়েছিল। অর্থাৎ বিএনপির আমলে দুর্নীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে।’
এ সময় মাহাদী আমিন বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যে দলটি সরকারের অংশ ছিল এবং যাদের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ছিলেন, তাঁরা তখন কোনো প্রশ্ন তোলেননি। অথচ এখন নির্বাচনি মাঠে এসে তাঁরা ফ্যাসিবাদী প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের এনআইডি-সংক্রান্ত সতর্কবার্তাকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার আড়ালে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ ও উপহারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ছাড়া নওগাঁয় বিএনপির পক্ষে প্রচার করায় এক মসজিদের মোয়াজ্জিনকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনা এবং সিলেটে পুলিশকে নিয়ে দেওয়া এক প্রার্থীর ‘অসাংবিধানিক’ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ড. মাহাদী আমিন স্পষ্ট করে বলেন, কোনো ধরনের মিথ্যাচার বা প্রলোভন দিয়ে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা যাবে না। তিনি অবিলম্বে মোয়াজ্জিনের পুনর্বহালের দাবি জানান এবং প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

বগুড়ায় চলমান ও অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল নিজেদের ‘নতুন প্রতিশ্রুতি’ হিসেবে উপস্থাপন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে দলের নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রতিপক্ষের এসব দাবিকে ‘রাজনৈতিক দেউলিয়াগ্রস্ততা’ ও ‘প্রতারণামূলক’ হিসেবে আখ্যা দেন।
তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট দলের আমির বগুড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা মূলত জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা। বাস্তবতা হলো, এই দুটি বিষয়ই ইতোমধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনুমোদিত এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগও সম্পন্ন হয়েছে। একটি বিদ্যমান সরকারি সিদ্ধান্তকে কেন নতুন দলীয় প্রতিশ্রুতি হিসেবে উপস্থাপন করে বগুড়াবাসীকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে?’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি যখন ২০০১ সালে সরকার গঠন করে, তখন আন্তর্জাতিক সূচকে দুর্নীতির স্কোর ছিল মাত্র ০.৪। এটি মূলত পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির প্রতিফলন। কিন্তু বিএনপির জিরো টলারেন্স নীতি ও সুশাসনের ফলে ২০০৬ সালে সেই স্কোর ধারাবাহিকভাবে বেড়ে ২-এ উন্নীত হয়েছিল। অর্থাৎ বিএনপির আমলে দুর্নীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে।’
এ সময় মাহাদী আমিন বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যে দলটি সরকারের অংশ ছিল এবং যাদের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ছিলেন, তাঁরা তখন কোনো প্রশ্ন তোলেননি। অথচ এখন নির্বাচনি মাঠে এসে তাঁরা ফ্যাসিবাদী প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের এনআইডি-সংক্রান্ত সতর্কবার্তাকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার আড়ালে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ ও উপহারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ছাড়া নওগাঁয় বিএনপির পক্ষে প্রচার করায় এক মসজিদের মোয়াজ্জিনকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনা এবং সিলেটে পুলিশকে নিয়ে দেওয়া এক প্রার্থীর ‘অসাংবিধানিক’ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ড. মাহাদী আমিন স্পষ্ট করে বলেন, কোনো ধরনের মিথ্যাচার বা প্রলোভন দিয়ে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা যাবে না। তিনি অবিলম্বে মোয়াজ্জিনের পুনর্বহালের দাবি জানান এবং প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৯ ঘণ্টা আগে