স্ট্রিম প্রতিবেদক

কিছু মানুষ কোটিপতি হবে, অন্যদিকে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে চলে যাবে, এটাকে উন্নয়ন বলে না– এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
অনুষ্ঠানে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা দেশে উন্নয়ন দেখেছি– বড় বড় দালানকোঠা, বড় বড় এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন ট্রেন ইত্যাদি। কিন্তু পাশাপাশি আমরা দেখেছি জনগণের মৌলিক ন্যূনতম আকাঙ্ক্ষাগুলো অপূর্ণ থেকে যেতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পত্রিকায় পড়েছি, কোটিপতি উৎপাদনের (নতুন কোটিপতি) দেশ হিসেবে বাংলাদেশ শীর্ষে। এ দেশে জনসংখ্যার অনুপাতে সবচেয়ে বেশি কোটিপতি হয় প্রতি বছর। অথচ আমরা এটাও পড়েছি, প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যায়। একদিকে কিছু মানুষ কোটিপতি হয়, আরেকদিকে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে পড়ে যায়। এ অবস্থা গ্রহণযোগ্য না। এটাকে উন্নয়ন বলে না। আপনি একটা গোরস্তানে আলোকসজ্জা করে দেখাতে পারেন বড় সুন্দর লাগছে। কিন্তু তার চারদিকে অন্ধকার; এটা উন্নয়ন না।’
নির্বাচন নিয়ে প্রকাশিত একটি জরিপের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘আজ একটি জরিপের রিপোর্ট বের হয়েছে। সেখানে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, বেশি আসন এই নির্বাচনে কে পাবে? কোন দল? শতকরা ৬৬ ভাগ উত্তরদাতা বলেছে বিএনপি। আর শতকরা ২৬ ভাগ উত্তরদাতা বলেছে জামায়াতে ইসলামী। ডিফারেন্স হলো ৪৪ ভাগ। আর অন্যান্য যারা তারা তো অনেক অনেক কম আর কি।’
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এতে হতাশ হয়ে কেউ ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিতেই পারে। কিন্তু জনগণ তাদের মনস্থির করে ফেলেছে। তারাই ষড়যন্ত্রকে সফল হতে দেবে না… এটা মনে রাখতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই বাংলাদেশের জনগণ মাত্র কিছুদিন আগে ১৫ বছর ধরে সিন্দাবাদের দৈত্যের মতো ঘাড়ে চেপে বসা একটি নিপীড়নকারী, একটা খুনি, একটা ফ্যাসিবাদী সরকারকে উৎখাত করেছে। সেই জনগণ কোনো ষড়যন্ত্র হতে দেবে না। কোনো ষড়যন্ত্র এই জনগণকে পরাজিত করতে পারেনি এবং পারবে না।’

কিছু মানুষ কোটিপতি হবে, অন্যদিকে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে চলে যাবে, এটাকে উন্নয়ন বলে না– এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
অনুষ্ঠানে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা দেশে উন্নয়ন দেখেছি– বড় বড় দালানকোঠা, বড় বড় এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন ট্রেন ইত্যাদি। কিন্তু পাশাপাশি আমরা দেখেছি জনগণের মৌলিক ন্যূনতম আকাঙ্ক্ষাগুলো অপূর্ণ থেকে যেতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পত্রিকায় পড়েছি, কোটিপতি উৎপাদনের (নতুন কোটিপতি) দেশ হিসেবে বাংলাদেশ শীর্ষে। এ দেশে জনসংখ্যার অনুপাতে সবচেয়ে বেশি কোটিপতি হয় প্রতি বছর। অথচ আমরা এটাও পড়েছি, প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যায়। একদিকে কিছু মানুষ কোটিপতি হয়, আরেকদিকে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে পড়ে যায়। এ অবস্থা গ্রহণযোগ্য না। এটাকে উন্নয়ন বলে না। আপনি একটা গোরস্তানে আলোকসজ্জা করে দেখাতে পারেন বড় সুন্দর লাগছে। কিন্তু তার চারদিকে অন্ধকার; এটা উন্নয়ন না।’
নির্বাচন নিয়ে প্রকাশিত একটি জরিপের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘আজ একটি জরিপের রিপোর্ট বের হয়েছে। সেখানে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, বেশি আসন এই নির্বাচনে কে পাবে? কোন দল? শতকরা ৬৬ ভাগ উত্তরদাতা বলেছে বিএনপি। আর শতকরা ২৬ ভাগ উত্তরদাতা বলেছে জামায়াতে ইসলামী। ডিফারেন্স হলো ৪৪ ভাগ। আর অন্যান্য যারা তারা তো অনেক অনেক কম আর কি।’
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এতে হতাশ হয়ে কেউ ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিতেই পারে। কিন্তু জনগণ তাদের মনস্থির করে ফেলেছে। তারাই ষড়যন্ত্রকে সফল হতে দেবে না… এটা মনে রাখতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই বাংলাদেশের জনগণ মাত্র কিছুদিন আগে ১৫ বছর ধরে সিন্দাবাদের দৈত্যের মতো ঘাড়ে চেপে বসা একটি নিপীড়নকারী, একটা খুনি, একটা ফ্যাসিবাদী সরকারকে উৎখাত করেছে। সেই জনগণ কোনো ষড়যন্ত্র হতে দেবে না। কোনো ষড়যন্ত্র এই জনগণকে পরাজিত করতে পারেনি এবং পারবে না।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৬ ঘণ্টা আগে