জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

শফিকুরের পর নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ছবি: বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে তিনি নাহিদ ইসলামের বাড্ডার বাসায় যান।

এ সময় নাহিদ ইসলাম ফুল দিয়ে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান এবং 'শাপলা কলির প্রতিকৃতি' এবং 'চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের শহিদ আনাসের চিঠি' উপহার দেন। পরে তাঁরা বৈঠক করেন। এ সময় বৈঠকে নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। অন্যদিকে তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে নোয়াখালীর হাতিয়া, পঞ্চগড়সহ সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলা ও সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।

এ ছাড়া জুলাই আগস্টের গণহত্যা মামলায় শেখ হাসিনার রায় কার্যকরসহ বিগত সময়ের সব হত্যাকাণ্ডের বিচার অব্যাহত রাখতে তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।‌

বৈঠকে নাহিদ ইসলাম জানান, নবগঠিত সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টি দায়িত্বশীল ও কার্যকর বিরোধী দল হিসেবে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। তবে যেকোনো সংকট সমাধানে সংলাপের পথ উন্মুক্ত থাকবে।

বিএনপির ফেসবুক পেজের পোস্টে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী ইতিবাচক রাজনীতির সূচনার অংশ হিসেবে তারেক রহমান রোববার রাতে রাজধানীর বাড্ডায় এনসিপি আহ্বায়কের বাসায় গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন।

এর আগে সন্ধ্যায় তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বসুন্ধরার বাসায় গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে এ বিষয়ে জামায়াত আমির তাঁর ফেসুবুক পেজের পোস্টে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল জামায়াত-এনসিপির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের সঙ্গে। নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। তারা ২০৯টি আসনে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও মিত্রদলগুলো ৭৭টি আসনে জয়ী হয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত