স্ট্রিম প্রতিবেদক

জবাবদিহিতা এড়াতে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি, তবে জনচাপে তারা বাধ্য হবেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সদ্য দায়িত্ব নেওয়া বিএনপি সরকারের কারণে ট্রাইব্যুনালের বিচার বাধাগ্রস্তের কোনো আশঙ্কা আছে কিনা জানতে চাইলে সংবিধান ও জুলাই সনদের প্রসঙ্গ টানেন এই এনসিপি নেতা।
আখতার হোসেন বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের একটা অংশ অর্থাৎ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিলেন, কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিলেন না। এটি একটা বিষয় স্পষ্ট করে, যেটা ক্ষমতার জন্য পছন্দসই বিএনপি শুধু সেটুকু মানবে। আর যেটা তাদের ক্ষমতাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারে, সেই অংশগুলোকে তারা বাদ দেবেন। এই ধরনের একটা মনোভাব তারা প্রথম দিনেই প্রকাশ করেছেন।
গণভোটে জনগণের রায়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এত বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে বিএনপি যদি ওভারটেক করার চেষ্টা করে, জনচাপে পড়েই তারা এটা আর পারবে না। তারা জল ঘোলা করবে, তবে জনচাপে বাধ্য হয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিতে বাধ্য হবে।
জুলাই আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনতে নির্বাচিত সরকারের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সংসদ সদস্য আখতার বলেন, ‘বিএনপি সরকারের কাছে আমরা উদাত্ত কণ্ঠে আহ্বান জানাবো– শেখ হাসিনাসহ যারা ফাঁসির আসামি আছে, যারা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তারা বিদেশের যেখানেই থাকুক না কেন, তাদেরকে ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকর করতে হবে। এটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি।’
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিচারকাজ যেন মন্থর না হয়, সেজন্য সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিতে বিএনপি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতি আহ্বানও রাখেন তিনি।
দেশজুড়ে মামলা বাণিজ্য ও প্রকৃত আসামিদের দায়মুক্তি নিয়েও কথা বলেন এনসিপি সদস্য সচিব। জুলাই অভ্যুত্থানসংক্রান্ত মামলাগুলোতে মূল আসামিদের বাদ দিয়ে অন্যদের হয়রানির বিষয়ে আখতার হোসেন উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, চার্জশিটে প্রকৃত ও প্রধান আসামিদের অব্যাহতি দিয়ে অন্যদের ফাঁসানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সারা দেশে একটি মামলা–বাণিজ্য চলছে। এটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

জবাবদিহিতা এড়াতে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি, তবে জনচাপে তারা বাধ্য হবেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজ পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সদ্য দায়িত্ব নেওয়া বিএনপি সরকারের কারণে ট্রাইব্যুনালের বিচার বাধাগ্রস্তের কোনো আশঙ্কা আছে কিনা জানতে চাইলে সংবিধান ও জুলাই সনদের প্রসঙ্গ টানেন এই এনসিপি নেতা।
আখতার হোসেন বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের একটা অংশ অর্থাৎ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিলেন, কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিলেন না। এটি একটা বিষয় স্পষ্ট করে, যেটা ক্ষমতার জন্য পছন্দসই বিএনপি শুধু সেটুকু মানবে। আর যেটা তাদের ক্ষমতাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারে, সেই অংশগুলোকে তারা বাদ দেবেন। এই ধরনের একটা মনোভাব তারা প্রথম দিনেই প্রকাশ করেছেন।
গণভোটে জনগণের রায়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এত বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে বিএনপি যদি ওভারটেক করার চেষ্টা করে, জনচাপে পড়েই তারা এটা আর পারবে না। তারা জল ঘোলা করবে, তবে জনচাপে বাধ্য হয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিতে বাধ্য হবে।
জুলাই আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনতে নির্বাচিত সরকারের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সংসদ সদস্য আখতার বলেন, ‘বিএনপি সরকারের কাছে আমরা উদাত্ত কণ্ঠে আহ্বান জানাবো– শেখ হাসিনাসহ যারা ফাঁসির আসামি আছে, যারা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তারা বিদেশের যেখানেই থাকুক না কেন, তাদেরকে ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকর করতে হবে। এটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি।’
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিচারকাজ যেন মন্থর না হয়, সেজন্য সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিতে বিএনপি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতি আহ্বানও রাখেন তিনি।
দেশজুড়ে মামলা বাণিজ্য ও প্রকৃত আসামিদের দায়মুক্তি নিয়েও কথা বলেন এনসিপি সদস্য সচিব। জুলাই অভ্যুত্থানসংক্রান্ত মামলাগুলোতে মূল আসামিদের বাদ দিয়ে অন্যদের হয়রানির বিষয়ে আখতার হোসেন উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, চার্জশিটে প্রকৃত ও প্রধান আসামিদের অব্যাহতি দিয়ে অন্যদের ফাঁসানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সারা দেশে একটি মামলা–বাণিজ্য চলছে। এটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

মোবাশ্বার হাসান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের পরেও আপাতত এনসিপি ও জামায়াতের জোটবদ্ধতা বহাল থাকবে। কারণ, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে জামায়াতের মাধ্যমে এনসিপি চেষ্টা করবে দেশব্যাপী দলকে শক্তিশালী করার।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মহান ২১ ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেছেন, ‘সম্প্রতি এসব শক্তি নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছে, যা ভবিষ্যতের জন্য সতর্কবার্তা।’
৫ ঘণ্টা আগে
ভারত ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগসাজশ করে বিএনপি নির্বাচন সম্পন্ন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
৫ ঘণ্টা আগে