স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ১০টি রাজনৈতিক দল শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে। আর ৪৫টি পেয়েছে এক শতাংশের নিচে। এবার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ নিবন্ধিত ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নেয়। ২৯০ আসনে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিএনপি।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দলভিত্তিক ভোটের হারে এমন চিত্র উঠে এসেছে। যেসব দল শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে, সেগুলো হলো- ইসলামী ঐক্য জোট, গণতন্ত্রী পার্টি, গণফ্রন্ট, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএনএল) ও বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি)।
তালিকায় থাকা অন্যান্য ক্ষুদ্র দলগুলো নগণ্য পরিমাণ ভোট পেলেও (যেমন ০.০১% বা ০.০২%) উপরোক্ত ১০টি দল শতাংশের হিসেবে পূর্ণ শূন্যের ঘরে রয়েছে।
কেমন করল বাম দলগুলো
এবার বামপন্থী ১০ দল ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ করে নির্বাচনে অংশ নেয়। জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে চারটি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত। এর মধ্যে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কাস্তে প্রতীকে ৬৩ আসনে প্রার্থী দিয়ে পেয়েছে শূন্য দশমিক ০৮ শতাংশ ভোট। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মই প্রতীকে ৩৬ আসনে লড়ে পেয়েছে শূন্য দশমিক ০৫ শতাংশ ভোট। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকে ৩৩ আসনে ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ০২ শতাংশ। আর বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ) ১৫ আসনে প্রার্থী দিলেও ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ০২ শতাংশ।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের ১৪৭ প্রার্থী মোট শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন বরিশাল-৫ আসনে বাসদের প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী ২২ হাজার ৪৮৬। জামানত হারালেও এই আসনে তিনি মই প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃতীয় হয়েছেন।
বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৭০টি। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই হিসাবে মনীষা চক্রবর্তীর প্রয়োজন ছিল ৩২ হাজার ৮০৮ ভোট। কিন্তু তা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এর বাইরে জোনায়েদ সাকির গণসংহতি আন্দোলন মাতাল প্রতীকে ১৭ আসনে পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ ভোট। বিএনপি জোটের সমর্থন পেয়ে জোনায়েদ সাকি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপি জোটের আরেক শরিক বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি কোদাল প্রতীকে ৭ আসনে পেয়েছে শূন্য দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট। দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ঢাকা-১২ আসনে বিএনপির সমর্থন পেলেও বিজয়ী হতে পারেননি। গণফ্রন্ট মাছ প্রতীকে ৫ আসনে অংশ নিলেও শূন্য শতাংশের ঘরে রয়েছে। আ স ম আবদুর রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ২৮ আসনে পেয়েছে শূন্য দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ১০টি রাজনৈতিক দল শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে। আর ৪৫টি পেয়েছে এক শতাংশের নিচে। এবার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ নিবন্ধিত ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নেয়। ২৯০ আসনে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিএনপি।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দলভিত্তিক ভোটের হারে এমন চিত্র উঠে এসেছে। যেসব দল শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে, সেগুলো হলো- ইসলামী ঐক্য জোট, গণতন্ত্রী পার্টি, গণফ্রন্ট, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএনএল) ও বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি)।
তালিকায় থাকা অন্যান্য ক্ষুদ্র দলগুলো নগণ্য পরিমাণ ভোট পেলেও (যেমন ০.০১% বা ০.০২%) উপরোক্ত ১০টি দল শতাংশের হিসেবে পূর্ণ শূন্যের ঘরে রয়েছে।
কেমন করল বাম দলগুলো
এবার বামপন্থী ১০ দল ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ করে নির্বাচনে অংশ নেয়। জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে চারটি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত। এর মধ্যে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কাস্তে প্রতীকে ৬৩ আসনে প্রার্থী দিয়ে পেয়েছে শূন্য দশমিক ০৮ শতাংশ ভোট। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মই প্রতীকে ৩৬ আসনে লড়ে পেয়েছে শূন্য দশমিক ০৫ শতাংশ ভোট। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকে ৩৩ আসনে ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ০২ শতাংশ। আর বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ) ১৫ আসনে প্রার্থী দিলেও ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ০২ শতাংশ।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের ১৪৭ প্রার্থী মোট শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন বরিশাল-৫ আসনে বাসদের প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী ২২ হাজার ৪৮৬। জামানত হারালেও এই আসনে তিনি মই প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃতীয় হয়েছেন।
বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৭০টি। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই হিসাবে মনীষা চক্রবর্তীর প্রয়োজন ছিল ৩২ হাজার ৮০৮ ভোট। কিন্তু তা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এর বাইরে জোনায়েদ সাকির গণসংহতি আন্দোলন মাতাল প্রতীকে ১৭ আসনে পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ ভোট। বিএনপি জোটের সমর্থন পেয়ে জোনায়েদ সাকি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপি জোটের আরেক শরিক বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি কোদাল প্রতীকে ৭ আসনে পেয়েছে শূন্য দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট। দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ঢাকা-১২ আসনে বিএনপির সমর্থন পেলেও বিজয়ী হতে পারেননি। গণফ্রন্ট মাছ প্রতীকে ৫ আসনে অংশ নিলেও শূন্য শতাংশের ঘরে রয়েছে। আ স ম আবদুর রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ২৮ আসনে পেয়েছে শূন্য দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৯ ঘণ্টা আগে