ব্রিকস: বিভক্ত বিশ্বে বহুপাক্ষিকতার নতুন রূপ
লেখা:নীলাঞ্জন ঘোষ

ব্রিকস তার পরবর্তী অগ্রযাত্রা নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে। তবে এবার আরও বেশি অর্থায়ন জোগাড়ে নয়; বিশ্ব কীভাবে সম্পদ, স্থিতিস্থাপকতা ও অগ্রগতিকে মূল্যায়ন করবে, তার মধ্য দিয়ে ব্রিকস সামনে এগিয়ে যেতে চায়।
স্নায়ুযদ্ধ শেষ হওয়ার পর বৈশ্বিক ব্যবস্থা এখন সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর একটির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভূরাজনৈতিক বিভাজন, সরবরাহব্যবস্থার সংকট, জলবায়ু ঝুঁকি, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এবং উন্নয়ন অর্থায়নের ক্রমবর্ধমান ঘাটতি বর্তমান বহুপাক্ষিক কাঠামোর সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে। উন্নয়নশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জও বদলে গেছে। এখন শুধু বৈশ্বিক টেবিলে একটি আসন নিশ্চিত করাই লক্ষ্য নয়। উন্নয়নের এজেন্ডা নির্ধারণে ভূমিকা রাখা এবং বাস্তব উন্নয়ন নিশ্চিত করার সক্ষমতা অর্জনই মূল বিষয়।
এই প্রেক্ষাপটেই ব্রিকসের সম্প্রসারণ ও বিবর্তনকে দেখতে হবে। ব্রিকস এখন আর কেবল বড় উদীয়মান অর্থনীতির জোট নয়। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলো বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা, অর্থায়নের অগ্রাধিকার এবং উন্নয়নের পথ নির্ধারণে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে চায়। তাই ব্রিকসের সাফল্য এখন আর সদস্যসংখ্যা বা অর্থায়নের পরিমাণ দিয়ে মাপা যায় না। এর প্রকৃত গুরুত্ব নির্ভর করবে উন্নয়নের অর্থনীতিকেই নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারার ওপর। এ ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিনিধিত্ব উন্নয়ন
প্রথমত, প্রতিনিধিত্বকে উন্নয়ন নির্ধারণের সক্ষমতায় রূপ দিতে হবে। ব্রিকসের সম্প্রসারণ নিঃসন্দেহে গ্লোবাল সাউথের সম্মিলিত কণ্ঠকে আরও শক্তিশালী করেছে। কিন্তু প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজনীয় হলেও যথেষ্ট নয়। উন্নয়ন নির্ধারণের সক্ষমতা বলতে বোঝায়—বৈশ্বিক অগ্রাধিকার নির্ধারণে দেশগুলো কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, অর্থায়নের কাঠামো গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে এবং নিজেদের উন্নয়নের পথ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে।
ব্রিকস আফ্রিকার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর পর বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ইথিওপিয়ার সদস্যপদ আফ্রিকান ইউনিয়নের এজেন্ডা ২০৬৩, আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফ্রি ট্রেড এরিয়া (এএফসিএফটিএ) এবং আফ্রিকার নিজস্ব উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সহযোগিতা গভীর করার সুযোগ তৈরি করেছে। বাইরে থেকে তৈরি করা প্রবৃদ্ধির মডেল চাপিয়ে দেওয়ার বদলে উন্নয়ন কৌশল যৌথভাবে তৈরি করাই হওয়া উচিত লক্ষ্য। এই অংশীদারত্বকে দাতা-গ্রহীতার সম্পর্কের বাইরে নিয়ে গিয়ে প্রকৃত সহযোগিতায় রূপ দিতে হবে।
ইতিহাস বলছে, অনেক উন্নয়নশীল দেশের নীতিনির্ধারণের স্বাধীনতা সীমিত ছিল। কারণ অর্থায়নের সঙ্গে প্রায়ই যুক্ত থাকত কঠোর শর্ত, নির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বা বাইরের অগ্রাধিকার। নতুন বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত এই সীমাবদ্ধতা কমানো এবং দেশগুলোর জন্য আরও বিস্তৃত নীতিগত পরিসর তৈরি করা। ব্রিকসের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর জন্য উন্নয়নের বিকল্প পথ কতটা বাড়াতে পারে তার ওপর।
শুধু অর্থায়ন নয়, দিতে হবে স্থিতিস্থাপকতার মূল্য
দ্বিতীয়ত, উন্নয়ন অর্থায়নে শুধু আয় নয়, স্থিতিস্থাপকতারও মূল্য দিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন উন্নয়নের অর্থনীতিকে আমূল বদলে দিয়েছে। ধারণা করা হয়, ২০৩৫ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু অভিযোজনের জন্য বছরে প্রায় ৩৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে। অথচ অভিযোজন খাত এখনো প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম অর্থায়ন পায়। এটিকে সাধারণত অর্থায়নের ঘাটতি বলা হয়, কিন্তু বাস্তবে এটি মূল্যায়নের ঘাটতিও।
বর্তমান আর্থিক ব্যবস্থা মূলত সেই প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়, যেগুলো থেকে সরাসরি আর্থিক মুনাফা পাওয়া যায়। অন্যদিকে অভিযোজনমূলক বিনিয়োগের বড় অংশই জনকল্যাণ সৃষ্টি করে। এর সুফল আসে ক্ষয়ক্ষতি কমানো, স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি, ঝুঁকি হ্রাস, পরিবেশ রক্ষা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা তৈরির মাধ্যমে। কিন্তু প্রচলিত প্রকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতিতে এসব সুবিধার আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা কঠিন।
এখানেই ব্রিকস এবং নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এনডিবি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তারা এমন মূল্যায়ন পদ্ধতি তৈরি করতে পারে, যেখানে স্থিতিস্থাপকতার সুফল, বাস্তুতন্ত্রের সেবা, এড়ানো ক্ষয়ক্ষতি এবং বৃহত্তর সামাজিক লাভকে বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের অংশ করা হবে।
এখানে একটি বড় বৈপরীত্য রয়েছে। গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপ্টেশনের হিসাব অনুযায়ী, ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ এক দশকে প্রায় ৭ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারের নিট অর্থনৈতিক সুবিধা তৈরি করতে পারে, যদি সামাজিক সুফলও হিসাবের মধ্যে ধরা হয়। কিন্তু এই সামাজিক সুফলগুলো ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক লাভের হিসাবে প্রতিফলিত হয় না। ফলে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত যে ‘রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট’ বা বিনিয়োগের আর্থিক মুনাফা দেখেন, তা অভিযোজন খাতকে পিছিয়ে দেয়। এর ফল হলো—স্থিতিস্থাপকতার বদলে রাজস্বকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ব্রিকস ও এনডিবি এখানে নতুন পথ দেখাতে পারে। যৌথ অর্থায়ন, স্থানীয় মুদ্রায় ঋণ, উন্নত প্রকল্প প্রস্তুতি এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অর্থায়ন ব্যবস্থা ব্যবহার করে তারা অভিযোজন প্রকল্পের মূল্যায়নের ধরন বদলে দিতে পারে।
সংযোগ: অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্পদ
তৃতীয়ত, সংযোগকে অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্পদের গুণক হিসেবে দেখতে হবে। উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা শুধু জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামো বিনিয়োগ বা মূলধন গঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। বরং ‘ইনক্লুসিভ ওয়েলথ’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্পদের মতো বিস্তৃত ধারণার দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। এই ধারণা একটি দেশের উৎপাদনশীল সম্পদের সামাজিক মূল্য পরিমাপ করে। এর মধ্যে রয়েছে উৎপাদিত মূলধন, প্রাকৃতিক মূলধন, মানব মূলধন এবং সামাজিক মূলধন—যেগুলো মিলেই একটি সমাজের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ তৈরির সক্ষমতা নির্ধারণ করে। তবে এই চার ধরনের মূলধন একা একা মূল্য তৈরি করে না। তাদের উৎপাদনশীলতা অনেকাংশে নির্ভর করে সংযোগের ওপর।
এখানে সংযোগ বলতে শুধু সড়ক, বন্দর বা রেলপথ বোঝায় না। এর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল অবকাঠামো, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক মূল্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে ব্যবসায়িক যোগাযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা এবং নীতিগত সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক। এর পাশাপাশি শিক্ষা, পর্যটন, দক্ষতা উন্নয়ন, পেশাগত বিনিময় এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগের মাধ্যমে মানুষে-মানুষে সম্পর্কও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এই বহুমাত্রিক সংযোগ জ্ঞান স্থানান্তর, প্রযুক্তির বিস্তার, আর্থিক একীভবন, প্রাতিষ্ঠানিক আস্থা এবং যৌথ উদ্যোগকে শক্তিশালী করে। একই সঙ্গে এটি সামাজিক মূলধনকে সমৃদ্ধ করে—অর্থাৎ এমন সম্পর্ক ও প্রতিষ্ঠান তৈরি করে, যা সমাজকে সম্মিলিতভাবে সমস্যা সমাধানে সক্ষম করে।
অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংযোগ হলো এমন একটি গুণক, যা অন্য সব ধরনের মূলধনের উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে দেয়। এটি বিচ্ছিন্ন বিনিয়োগকে সমন্বিত ব্যবস্থায় রূপ দেয় এবং মূলধন সঞ্চয়কে অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্পদ তৈরির পথে নিয়ে যায়।
ইনজেনুইটি ক্যাপিটাল
চতুর্থত, ব্রিকস সহযোগিতার পরবর্তী ধাপ হলো ‘ইনজেনুইটি ক্যাপিটাল’। দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন অর্থনীতি উৎপাদিত, প্রাকৃতিক, মানব ও সামাজিক মূলধনকে দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির ভিত্তি হিসেবে দেখেছে। কিন্তু এখন আরেক ধরনের মূলধনের গুরুত্ব বাড়ছে, যাকে এই লেখক ‘ইনজেনুইটি ক্যাপিটাল’ বা উদ্ভাবনী সক্ষমতার মূলধন বলে উল্লেখ করেছেন।
এটি হলো একটি সমাজ যে ধারণাগুলো তৈরি করে এবং সফলভাবে কাজে লাগায়, তার সঞ্চিত ভাণ্ডার। এর মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জৈবপ্রযুক্তি, ডিজিটাল জনপরিকাঠামো এবং উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তির মতো উদ্ভাবন। একই সঙ্গে এর মধ্যে রয়েছে সামাজিক উদ্ভাবন—যেমন নতুন শাসনব্যবস্থা, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, অর্থায়নের মডেল এবং সহযোগিতার পদ্ধতি, যা প্রযুক্তিকে বৃহৎ পরিসরে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।
গবেষণায় সহযোগিতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবনী পরিবেশকে শক্তিশালী করা, প্রযুক্তি স্থানান্তর সহজ করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতায় বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্রিকস স্থানীয় উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক জনকল্যাণে রূপ দিতে পারে।
উন্নয়নশীল বিশ্বে উদ্ভাবনী ধারণার অভাব নেই। আফ্রিকা, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকায় ডিজিটাল পেমেন্ট, জলবায়ু অভিযোজন, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং স্থানীয় শাসনব্যবস্থায় অসংখ্য উদ্ভাবন তৈরি হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো, এসব উদ্ভাবন ছড়িয়ে দেওয়ার মতো পরিবেশ প্রায়ই অনুপস্থিত থাকে। অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, নীতিগত সমন্বয়ের অভাব এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ঘাটতির কারণে অনেক উদ্ভাবন পরীক্ষামূলক পর্যায়েই আটকে যায়।
ব্রিকস এই সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে। এটি শুধু অবকাঠামোয় অর্থায়নকারী একটি জোট না হয়ে উদ্ভাবনের ইনকিউবেটর, ত্বরান্বিতকারী এবং বৈশ্বিক সম্প্রসারণের প্ল্যাটফর্মে পরিণত হতে পারে।
উন্নয়নের অর্থনীতিকেই নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে হবে
সবশেষে, ব্রিকসকে উন্নয়নের অর্থনীতির সংজ্ঞা বদলাতে হবে। এতদিন উন্নয়ন সহযোগিতার সাফল্য মাপা হয়েছে কত অর্থায়ন সংগ্রহ করা হয়েছে, কত কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ হয়েছে, কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে বা কতটি প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে—এসব সূচক দিয়ে। এগুলোর গুরুত্ব আছে, কিন্তু ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠা বিশ্বে এগুলো আর উন্নয়নের পূর্ণ প্রভাব তুলে ধরতে পারে না। একবিংশ শতাব্দী সম্পদ সৃষ্টির আরও বিস্তৃত ধারণা দাবি করে।
ব্রিকস যদি শুধু রাস্তা, সেতু বা অন্যান্য অবকাঠামো তৈরিতে বিনিয়োগ না করে, বরং সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানো, মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ শক্তিশালী করা, সামাজিক আস্থা ও সহযোগিতা বাড়ানো এবং স্থানীয় উদ্ভাবনকে সবার কাজে লাগানোর মতো উদ্যোগ নেয়, তাহলে এর ভূমিকা আরও বড় হবে। এতে ব্রিকস শুধু বিদ্যমান আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়ক হবে না; বরং উন্নয়নকে কীভাবে দেখা ও মাপা হয়, সেই ধারণাতেও নতুন পরিবর্তন আনতে পারে।
উন্নয়নকে ক্রমশ এমন প্রশ্নের মাধ্যমে মূল্যায়ন করতে হবে—কোনো বিনিয়োগ কি স্থিতিস্থাপকতা বাড়াচ্ছে? বাস্তুতন্ত্রকে শক্তিশালী করছে? মানুষের সুযোগ বৃদ্ধি করছে? প্রাতিষ্ঠানিক আস্থা গভীর করছে? উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করছে? এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণ বাড়ানোর মতো উৎপাদনশীল সম্পদ তৈরি করছে?
ব্রিকস যদি এসব লক্ষ্য অর্জন করতে পারে, তবে তার সবচেয়ে বড় অবদান হবে বিদ্যমান ব্যবস্থাকে শুধু সম্পূরক করা নয় বরং সম্পদ, স্থিতিস্থাপকতা এবং টেকসই সমৃদ্ধিকে বিশ্ব কীভাবে বুঝবে, তার একটি নতুন সংজ্ঞা তৈরি করা। গভীর বৈশ্বিক পরিবর্তনের এই সময়ে সেটিই হয়তো ব্রিকসের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী উত্তরাধিকার হয়ে থাকবে।
- নিলাঞ্জন ঘোষ: ভাইস প্রেসিডেন্ট, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন, কলকাতা
(ওআরএফ অনলাইন থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন মাহজাবিন নাফিসা)
.png)






