স্ট্রিম প্রতিবেদক

বর্তমান শাসনব্যবস্থায় দুর্নীতিই নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন, দেশে একটি সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লব ঘটেছে এবং হাসিনাহীন হাসিনা ব্যবস্থা কায়েম হয়েছে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল গণসার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ফ্যাসিস্ট আইন বাতিল করতে। কিন্তু বর্তমান সরকার সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা মঞ্চের সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ফরহাদ মজহার। ‘দেশব্যাপী বিদ্যুৎ, গ্যাস ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট: নাগরিক সমাজের করণীয়’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে ফরহাদ মজহার বলেন, রাষ্ট্রের প্রধান কাজ জনগণের জীবনধারণের অধিকার নিশ্চিত করা। কিন্তু জ্বালানি, ব্যাংক এবং আইসিটি খাত থেকে আমলাদের মাধ্যমে টাকা পাচার হয়েছে। দেশের ভেতরের টাকা উদ্ধার দূরে থাক, সরকার দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেনি।
বেঁচে থাকতে হলে লুটেরা মাফিয়াদের বিরুদ্ধে জনগণকে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হওয়ার বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেনে তিনি।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটকে ‘লুণ্ঠনভিত্তিক বিদ্যুৎ চুক্তির ফল’ অভিহিত করে তিনি বলেন, উৎপাদন না করেই বেসরকারি কোম্পানিগুলো টাকা পাচ্ছে– এটিই বর্তমান বিদ্যুৎ খাতের চিত্র। জ্বালানি উপদেষ্টাকে এসবের জবাব দিতে হবে।
পরিবেশ ও পানি দূষণরোধে প্লাস্টিক বাণিজ্যের সমালোচনা করে ফরহাদ মজহার বলেন, নদী দখল ও শিল্প দূষণের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মিনারেল ওয়াটার বাণিজ্যের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি করবেন না। পাকিস্তান মডেলে দেশ চালানোর চেষ্টা বা যুক্তরাষ্ট্রের গাজা প্ল্যানে নীতিগত সমর্থন দেওয়া জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।’
তিনি আরও বলেন, লুটপাটের রাজনীতি হলো খাতভিত্তিক ভাগাভাগি। আর জনগণের রাজনীতি হলো পানি, জ্বালানি ও গ্যাসের ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠা– এই দুইয়ের মধ্যে কোনো আপস হতে পারে না।
সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ খাতের সংকট নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আহমেদ ফেরদৌস বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যে পরিবর্তনের আশা তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকারের ভূমিকা সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। সংকট নিরসনে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন।
মিষ্টি পানির আধার রক্ষার দাবি জানিয়ে ভাববৈঠকীর সংগঠক মোহাম্মদ রোমেল বলেন, বাংলাদেশ মিষ্টি পানিতে সমৃদ্ধ দেশ হওয়া সত্ত্বেও নদী-খাল-বিল দখল করে পানির আধার নষ্ট করা হয়েছে। মিষ্টি পানি আজ দুধ বা তেলের চেয়েও দামি। এই সম্পদ ধ্বংসের মুখে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

বর্তমান শাসনব্যবস্থায় দুর্নীতিই নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন, দেশে একটি সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লব ঘটেছে এবং হাসিনাহীন হাসিনা ব্যবস্থা কায়েম হয়েছে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল গণসার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ফ্যাসিস্ট আইন বাতিল করতে। কিন্তু বর্তমান সরকার সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা মঞ্চের সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ফরহাদ মজহার। ‘দেশব্যাপী বিদ্যুৎ, গ্যাস ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট: নাগরিক সমাজের করণীয়’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে ফরহাদ মজহার বলেন, রাষ্ট্রের প্রধান কাজ জনগণের জীবনধারণের অধিকার নিশ্চিত করা। কিন্তু জ্বালানি, ব্যাংক এবং আইসিটি খাত থেকে আমলাদের মাধ্যমে টাকা পাচার হয়েছে। দেশের ভেতরের টাকা উদ্ধার দূরে থাক, সরকার দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেনি।
বেঁচে থাকতে হলে লুটেরা মাফিয়াদের বিরুদ্ধে জনগণকে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হওয়ার বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেনে তিনি।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটকে ‘লুণ্ঠনভিত্তিক বিদ্যুৎ চুক্তির ফল’ অভিহিত করে তিনি বলেন, উৎপাদন না করেই বেসরকারি কোম্পানিগুলো টাকা পাচ্ছে– এটিই বর্তমান বিদ্যুৎ খাতের চিত্র। জ্বালানি উপদেষ্টাকে এসবের জবাব দিতে হবে।
পরিবেশ ও পানি দূষণরোধে প্লাস্টিক বাণিজ্যের সমালোচনা করে ফরহাদ মজহার বলেন, নদী দখল ও শিল্প দূষণের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মিনারেল ওয়াটার বাণিজ্যের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি করবেন না। পাকিস্তান মডেলে দেশ চালানোর চেষ্টা বা যুক্তরাষ্ট্রের গাজা প্ল্যানে নীতিগত সমর্থন দেওয়া জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।’
তিনি আরও বলেন, লুটপাটের রাজনীতি হলো খাতভিত্তিক ভাগাভাগি। আর জনগণের রাজনীতি হলো পানি, জ্বালানি ও গ্যাসের ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠা– এই দুইয়ের মধ্যে কোনো আপস হতে পারে না।
সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ খাতের সংকট নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আহমেদ ফেরদৌস বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যে পরিবর্তনের আশা তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকারের ভূমিকা সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। সংকট নিরসনে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন।
মিষ্টি পানির আধার রক্ষার দাবি জানিয়ে ভাববৈঠকীর সংগঠক মোহাম্মদ রোমেল বলেন, বাংলাদেশ মিষ্টি পানিতে সমৃদ্ধ দেশ হওয়া সত্ত্বেও নদী-খাল-বিল দখল করে পানির আধার নষ্ট করা হয়েছে। মিষ্টি পানি আজ দুধ বা তেলের চেয়েও দামি। এই সম্পদ ধ্বংসের মুখে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে