স্ট্রিম সংবাদদাতা

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে। গতকাল রবিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে স্থানীয় একটি বিদ্যালয় মাঠে ডাকা সালিস বৈঠক এক পক্ষ প্রত্যাখান করার পর উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এদিন বিকেল চারটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গুপিনাথপুর গ্রামে সায়মন শেখ (৫০) ও কুদ্দুস মুন্সির (৬৫) লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। এতে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও গুরুতর আহত চারজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গুপিনাথপুর এলাকার বাসিন্দা সায়মন শেখ গ্রুপ ও কুদ্দুস মুন্সি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্থানীয় ছোট হামিরদি গ্রামের মোতালেব মাতুব্বরের দোকানে এসে লোকজনের সামনে কুদ্দুস মুন্সিকে নিয়ে গালিগালাজ করেন সায়মন শেখ। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়।
এদিকে ওই ঘটনার মীমাংসায় গতকাল রবিবার বিকেলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে গুপিনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সালিস বৈঠকে বসার কথা ছিল। কিন্তু তা প্রত্যাখান করে সায়মন শেখ গ্রুপ। এ নিয়ে উত্তেজনার একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৫০ জন আহত হন।
ছোট হামিরদী গ্রামের বাসিন্দা সাহাদাৎ ফকির (৪০) বলেন, দুই পক্ষের সালিস বৈঠক ছিল। একপক্ষ সালিস বৈঠকে উপস্থিত না হলে উভয় পক্ষের লোকজন ঢাল-সরকি, দা-বঁটি নিয়ে সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়ে। এতে কমপক্ষে দুই পক্ষের ৫০ জনের মতো আহত হয়েছেন।
সংঘর্ষে আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি সবুজ শেখ (৩৫) বলেন, ‘উভয় পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। আজ (রোববার) একটি বিষয় নিয়ে সালিস বৈঠকে সায়মন পক্ষের লোকজন হাজির না হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়।’
সংঘর্ষের ব্যাপারে কুদ্দুস মুন্সি বলেন, ‘সায়মন শেখের লোকজন সালিস বৈঠকে উপস্থিত না হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের লোকজন ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমার পক্ষের লোকজনের প্রায় ২০টি বাড়ি তিনটি দোকান ভাঙচুর-লুটপাট করা হয়। আমার পক্ষের ২৫ জনের মতো আহত হয়েছেন।’
অভিযোগ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সায়মন শেখের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের নাদিম বলেন, ‘সংঘর্ষে গুরুতর আহত চারজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২৫ থেকে ৩০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে। গতকাল রবিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে স্থানীয় একটি বিদ্যালয় মাঠে ডাকা সালিস বৈঠক এক পক্ষ প্রত্যাখান করার পর উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এদিন বিকেল চারটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গুপিনাথপুর গ্রামে সায়মন শেখ (৫০) ও কুদ্দুস মুন্সির (৬৫) লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। এতে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও গুরুতর আহত চারজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গুপিনাথপুর এলাকার বাসিন্দা সায়মন শেখ গ্রুপ ও কুদ্দুস মুন্সি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্থানীয় ছোট হামিরদি গ্রামের মোতালেব মাতুব্বরের দোকানে এসে লোকজনের সামনে কুদ্দুস মুন্সিকে নিয়ে গালিগালাজ করেন সায়মন শেখ। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়।
এদিকে ওই ঘটনার মীমাংসায় গতকাল রবিবার বিকেলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে গুপিনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সালিস বৈঠকে বসার কথা ছিল। কিন্তু তা প্রত্যাখান করে সায়মন শেখ গ্রুপ। এ নিয়ে উত্তেজনার একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৫০ জন আহত হন।
ছোট হামিরদী গ্রামের বাসিন্দা সাহাদাৎ ফকির (৪০) বলেন, দুই পক্ষের সালিস বৈঠক ছিল। একপক্ষ সালিস বৈঠকে উপস্থিত না হলে উভয় পক্ষের লোকজন ঢাল-সরকি, দা-বঁটি নিয়ে সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়ে। এতে কমপক্ষে দুই পক্ষের ৫০ জনের মতো আহত হয়েছেন।
সংঘর্ষে আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি সবুজ শেখ (৩৫) বলেন, ‘উভয় পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। আজ (রোববার) একটি বিষয় নিয়ে সালিস বৈঠকে সায়মন পক্ষের লোকজন হাজির না হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়।’
সংঘর্ষের ব্যাপারে কুদ্দুস মুন্সি বলেন, ‘সায়মন শেখের লোকজন সালিস বৈঠকে উপস্থিত না হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের লোকজন ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমার পক্ষের লোকজনের প্রায় ২০টি বাড়ি তিনটি দোকান ভাঙচুর-লুটপাট করা হয়। আমার পক্ষের ২৫ জনের মতো আহত হয়েছেন।’
অভিযোগ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সায়মন শেখের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের নাদিম বলেন, ‘সংঘর্ষে গুরুতর আহত চারজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২৫ থেকে ৩০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে