স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলমান থাকলেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে থাকা ৪৫৭ আসামির মধ্যে ২৯৩ জন এখনো পলাতক। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দুটি মামলায় নিজের সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে খোঁজ নিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও রংপুর–৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।
এসময় তিনি জুলাই-আগস্টের শীর্ষ আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করা এবং ট্রাইব্যুনালকে পর্যাপ্ত লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার দাবিও জানান।
চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি জানতেই ট্রাইব্যুনালে এসেছিলেন বলে জানান আখতার হোসেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালে দেশে একটি রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থান ঘটে। সে সময় আবু সাঈদকে দিয়ে শুরু করে হাজার হাজার মানুষকে গুলি, পুড়িয়ে, পিটিয়ে, জখম করে এবং গুম করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা মনে করি, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা সংঘটিত করেছে। এই অভ্যুত্থানসহ পূর্ববর্তী সময়গুলোতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার আমরা বারবার দাবি করেছি। সেই বিচারের অগ্রগতি কতদূর হয়েছে, তা জানতে আজ ট্রাইব্যুনালে এসেছি।’
ট্রাইব্যুনাল–২ এর বিচারকক্ষে চলমান সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, মিরপুর-১০ নম্বরে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আকরাম খান রাব্বী (২৮) নামে এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে গণঅভ্যুত্থানের দিন ৫ আগস্ট তাঁর এক কাজিন মেহেরুন নেছা তানহাকেও গুলি করে হত্যা করা হয়। আজ রাব্বীর বাবা ফারুক হোসেন ও তানহার বাবা মোশাররফ হোসেন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তাঁরা এখনো শোক সামলাতে পারছেন না।”
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় তিনি নিজেও প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সাক্ষ্য দিতে চান বলে জানান। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলা নম্বর ৩২/২৫ এবং ২০২১ সালের সহিংসতার ঘটনায় মামলা নম্বর ৩১/২৫–এ তাঁর সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে। কবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন, সে বিষয়ে জানতে এসেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, অল্প সময়ের মধ্যেই এসব মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ হবে।
বিচারিক কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরে আখতার হোসেন বলেন, ‘এ পর্যন্ত ২৪টি মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে ট্রাইব্যুনাল-১ এ ১৮টি এবং ট্রাইব্যুনাল-২ এ ছয়টি মামলা রয়েছে। বর্তমানে ২১টি মামলার বিচার চলছে এবং তিনটি মামলায় রায় হয়েছে। তবে এসব রায় এখনো কার্যকর হয়নি।’
তিনি বলেন, বর্তমানে চলমান মামলাগুলোতে ৪৫৭ জন আসামি রয়েছেন। এর মধ্যে ১৬১ জন গ্রেপ্তার, একজন খালাস পেয়েছেন, একজন মারা গেছেন এবং একজন জামিনে আছেন। বাকি ২৯৩ জন পলাতক।
পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের দাবি জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, ‘শেখ হাসিনাসহ যেসব আসামি পলাতক বা দণ্ডপ্রাপ্ত, তাঁদের যেখানেই থাকুক না কেন দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে এবং রায় কার্যকর করতে হবে।’
বিচার কার্যক্রম যেন মন্থর না হয়, সে জন্য সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কাঠামোগত সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আখতার হোসেন বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কোনোভাবেই মন্থর বা বাধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। বিচার কার্যক্রম দ্রুত ও কার্যকর করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের লজিস্টিক সহায়তা দিতে হবে।’
শীর্ষ আসামিদের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা প্রধান আসামি, যেমন শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের, তাঁদের এখনো গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়নি। অথচ তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রমাণ রয়েছে। আমরা চাই, দ্রুত তাঁদের গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত করা হোক।’

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলমান থাকলেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে থাকা ৪৫৭ আসামির মধ্যে ২৯৩ জন এখনো পলাতক। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দুটি মামলায় নিজের সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে খোঁজ নিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও রংপুর–৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।
এসময় তিনি জুলাই-আগস্টের শীর্ষ আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করা এবং ট্রাইব্যুনালকে পর্যাপ্ত লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার দাবিও জানান।
চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি জানতেই ট্রাইব্যুনালে এসেছিলেন বলে জানান আখতার হোসেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালে দেশে একটি রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থান ঘটে। সে সময় আবু সাঈদকে দিয়ে শুরু করে হাজার হাজার মানুষকে গুলি, পুড়িয়ে, পিটিয়ে, জখম করে এবং গুম করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা মনে করি, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা সংঘটিত করেছে। এই অভ্যুত্থানসহ পূর্ববর্তী সময়গুলোতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার আমরা বারবার দাবি করেছি। সেই বিচারের অগ্রগতি কতদূর হয়েছে, তা জানতে আজ ট্রাইব্যুনালে এসেছি।’
ট্রাইব্যুনাল–২ এর বিচারকক্ষে চলমান সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, মিরপুর-১০ নম্বরে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আকরাম খান রাব্বী (২৮) নামে এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে গণঅভ্যুত্থানের দিন ৫ আগস্ট তাঁর এক কাজিন মেহেরুন নেছা তানহাকেও গুলি করে হত্যা করা হয়। আজ রাব্বীর বাবা ফারুক হোসেন ও তানহার বাবা মোশাররফ হোসেন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তাঁরা এখনো শোক সামলাতে পারছেন না।”
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় তিনি নিজেও প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সাক্ষ্য দিতে চান বলে জানান। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলা নম্বর ৩২/২৫ এবং ২০২১ সালের সহিংসতার ঘটনায় মামলা নম্বর ৩১/২৫–এ তাঁর সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে। কবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন, সে বিষয়ে জানতে এসেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, অল্প সময়ের মধ্যেই এসব মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ হবে।
বিচারিক কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরে আখতার হোসেন বলেন, ‘এ পর্যন্ত ২৪টি মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে ট্রাইব্যুনাল-১ এ ১৮টি এবং ট্রাইব্যুনাল-২ এ ছয়টি মামলা রয়েছে। বর্তমানে ২১টি মামলার বিচার চলছে এবং তিনটি মামলায় রায় হয়েছে। তবে এসব রায় এখনো কার্যকর হয়নি।’
তিনি বলেন, বর্তমানে চলমান মামলাগুলোতে ৪৫৭ জন আসামি রয়েছেন। এর মধ্যে ১৬১ জন গ্রেপ্তার, একজন খালাস পেয়েছেন, একজন মারা গেছেন এবং একজন জামিনে আছেন। বাকি ২৯৩ জন পলাতক।
পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের দাবি জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, ‘শেখ হাসিনাসহ যেসব আসামি পলাতক বা দণ্ডপ্রাপ্ত, তাঁদের যেখানেই থাকুক না কেন দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে এবং রায় কার্যকর করতে হবে।’
বিচার কার্যক্রম যেন মন্থর না হয়, সে জন্য সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কাঠামোগত সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আখতার হোসেন বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কোনোভাবেই মন্থর বা বাধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। বিচার কার্যক্রম দ্রুত ও কার্যকর করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের লজিস্টিক সহায়তা দিতে হবে।’
শীর্ষ আসামিদের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা প্রধান আসামি, যেমন শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের, তাঁদের এখনো গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়নি। অথচ তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রমাণ রয়েছে। আমরা চাই, দ্রুত তাঁদের গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত করা হোক।’

সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে সিলেটে আবার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে জেলার বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভূত হয়।
৩৮ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম মহানগরে র্যাবের অভিযানে ৫১ কেজি গাঁজা ও ২৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ মুর্শিদা আকতার (৪৮) নামে এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি কক্সবাজার জেলার সদর থানার উত্তর কুতুবদিয়া পাড়ার মৃত আবুল বাশারের মেয়ে।
১ ঘণ্টা আগে
আগামী ঈদুল ফিতরের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বণ্টনের কাজ ও বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
মাদারীপুরে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এই আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ডাসার উপজেলার ম্যালকাই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে