স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চালু করা ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার-এনইআইআর ব্যবস্থা তুলে নেওয়া, মোবাইল আমদানিতে ভ্যাট কমানো ও গ্রেপ্তার ব্যবসায়ীদের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পান্থপথের বসুন্ধরা সিটির সামনে ‘মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ’র ব্যানারে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। এর আগে বসুন্ধরা সিটির সামনে মানববন্ধন করেন তারা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীদের একজন স্ট্রিমকে বলেন ‘আমরা ট্যাক্স দিতে চাই। কিন্তু যেটা নির্ধারণ করা হয়েছে, এটা সহ্যসীমার মধ্যে নাই। আমাদের ৪৩ শতাংশ ট্যাক্স ধরেছে, এটা তো দেওয়া অসম্ভব ব্যাপার। তারচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আরও বিভিন্ন বিধিনিষেধ তৈরি করছে। যেমন তারা বলছে, মোবাইল ফোন আমদানিতে এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) লাগবে। যেমন, আমি স্যামসাং বা ওয়ান প্লাস মোবাইল আনতে চাইলে বাংলাদেশে যে এই কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটার আছে, তাদের থেকে এনওসি নিতে হবে। তারা তো আমাকে জীবনেও এনওসি দেবে না। নিজের ব্যবসা লস করে কেউ এনওসি দিবে?’
আরিফিন নামে এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকার পুরো নিয়মটাই তৈরি করেছে কিছু কোম্পানির স্বার্থ উদ্ধারের জন্য, আর কিছুই না। তারা আমাদের একবারে বন্ধ করে দিচ্ছে। এটাই হচ্ছে তাদের মূল লক্ষ্য। তারা সামান্য একটু ভ্যাট কমিয়েছে। কিন্তু যেসব নীতিমালা করা হয়েছে, সেগুলো একদম গ্রহণযোগ্য না। যেগুলো মানলে আমরা কোনোভাবেই ব্যবসা চালু রাখতে পারবো না।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরেই এই আন্দোলন করছি। সারা দেশে আমাদের মার্কেট শাটডাউন গত ১৫ দিন ধরে। আজ মানববন্ধনটা করার কারণ হলো, হঠাৎ করে যে এনইআর সিস্টেমটা চালু হয়েছে; এটা আমরা চাই না। এটা চাই না কারণ এতে সাধারণ জনগণ, দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
সেইসঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া মোবাইল ব্যবাসয়ীদের মুক্তির দাবি করেন তাঁরা। পরে দুপুর দেড়টার দিকে বসুন্ধরা সিটির সামনে থেকে কারওয়ান বাজার মোড় হয়ে শাহবাগের দিকে চলে যান মোবাইল ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চালু করা ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার-এনইআইআর ব্যবস্থা তুলে নেওয়া, মোবাইল আমদানিতে ভ্যাট কমানো ও গ্রেপ্তার ব্যবসায়ীদের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পান্থপথের বসুন্ধরা সিটির সামনে ‘মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ’র ব্যানারে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। এর আগে বসুন্ধরা সিটির সামনে মানববন্ধন করেন তারা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীদের একজন স্ট্রিমকে বলেন ‘আমরা ট্যাক্স দিতে চাই। কিন্তু যেটা নির্ধারণ করা হয়েছে, এটা সহ্যসীমার মধ্যে নাই। আমাদের ৪৩ শতাংশ ট্যাক্স ধরেছে, এটা তো দেওয়া অসম্ভব ব্যাপার। তারচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আরও বিভিন্ন বিধিনিষেধ তৈরি করছে। যেমন তারা বলছে, মোবাইল ফোন আমদানিতে এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) লাগবে। যেমন, আমি স্যামসাং বা ওয়ান প্লাস মোবাইল আনতে চাইলে বাংলাদেশে যে এই কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটার আছে, তাদের থেকে এনওসি নিতে হবে। তারা তো আমাকে জীবনেও এনওসি দেবে না। নিজের ব্যবসা লস করে কেউ এনওসি দিবে?’
আরিফিন নামে এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকার পুরো নিয়মটাই তৈরি করেছে কিছু কোম্পানির স্বার্থ উদ্ধারের জন্য, আর কিছুই না। তারা আমাদের একবারে বন্ধ করে দিচ্ছে। এটাই হচ্ছে তাদের মূল লক্ষ্য। তারা সামান্য একটু ভ্যাট কমিয়েছে। কিন্তু যেসব নীতিমালা করা হয়েছে, সেগুলো একদম গ্রহণযোগ্য না। যেগুলো মানলে আমরা কোনোভাবেই ব্যবসা চালু রাখতে পারবো না।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরেই এই আন্দোলন করছি। সারা দেশে আমাদের মার্কেট শাটডাউন গত ১৫ দিন ধরে। আজ মানববন্ধনটা করার কারণ হলো, হঠাৎ করে যে এনইআর সিস্টেমটা চালু হয়েছে; এটা আমরা চাই না। এটা চাই না কারণ এতে সাধারণ জনগণ, দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
সেইসঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া মোবাইল ব্যবাসয়ীদের মুক্তির দাবি করেন তাঁরা। পরে দুপুর দেড়টার দিকে বসুন্ধরা সিটির সামনে থেকে কারওয়ান বাজার মোড় হয়ে শাহবাগের দিকে চলে যান মোবাইল ব্যবসায়ীরা।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে