স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকার চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, শর্তগুলো ‘ফেভারেবল’ (অনুকূল) না হলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি হবে না।
আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, বন্দরের কিছু সরকারি কর্মচারীই এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছেন। তাঁরা বাংলাদেশ সরকারের বাইরের কেউ নন। এই অচল অবস্থার কারণে দেশের ক্ষতি হচ্ছে। এই ক্ষতির মাসুল কে দেবে, তা তিনি জানেন না। যারা এটি করছে, তাঁদের পরিচয় জনগণ পত্রপত্রিকার মাধ্যমে দেখছে।
উপদেষ্টা আরও জানান, আন্দোলনকারীরা যে বিষয় নিয়ে কথা বলছে, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি যেখানেই কথা বলেছেন, সেখানেই স্পষ্ট করেছেন যে তিনি বা তাঁর সহকর্মীরা রাষ্ট্রীয় স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করছেন না এবং করবেন না।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এখন তাঁরা যদি বিষয়টি বুঝতে না চান এবং ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নিয়ে এসব করেন, তবে তিনি মন্তব্য করতে পারবেন না। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যে ব্যবস্থা নেবে, মন্ত্রণালয় তা সমর্থন করবে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই অস্থিরতায় বন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বন্দর বা দেশের জন্য যা কল্যাণকর, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সেটিই সমর্থন করবে। তিনি দেশের স্বার্থে বন্দরকে সচল রাখার আহ্বান জানান। উপদেষ্টা বলেন, বন্দরে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে জনগণ ভোগান্তি পোহাচ্ছে। বর্তমান সরকার জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে না।
বন্দরের পাঁচজনকে বদলি করার পরও কেন বিক্ষোভ থামছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বিক্ষোভ থামা বা না থামার সঙ্গে বদলির কোনো সম্পর্ক নেই। সরকারি সংস্থায় এই বদলি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার অংশ ছিল। বদলি হওয়া ব্যক্তিরা কোনো বেসরকারি ব্যক্তি নন, তাঁরা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী।
রমজানকে সামনে রেখে কিছু ব্যবসায়ী লাইটার জাহাজে পণ্য মজুত করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিদিন নৌপরিবহন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নির্বাচন ও রমজানের আগে এ ধরনের ঘটনা কী প্রভাব ফেলতে পারে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সেটি তিনি বলতে পারছেন না। তবে রমজানের আগে নিয়মিত ‘রেইড’ ও জরিমানা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, শুধু জরিমানা করলেই হবে না; প্রয়োজনে লাইটার জাহাজের নিবন্ধন বাতিল করা হবে।
দুই দিন ধরে চলা অচলাবস্থা নিরসনের বিষয়ে তিনি বলেন, এই অচল অবস্থা একেবারেই অহেতুক। বন্দর কর্তৃপক্ষ যা ভালো মনে করবে, তা-ই করবে। তিনি জানান, ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত ৬০০ লাইটার ভেসেলের সঠিক সংখ্যা ও রেটিং যাচাই করা হচ্ছে। জনগণ সরকার বা কর্মকর্তাদের দোষারোপ করলেও এই ভেসেলগুলো কাদের, তা খুঁজে দেখছে না। ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে তিনি আবারও বলেন, চুক্তি এখনো হয়নি। শর্ত অনুকূল না হলে বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।

সরকার চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, শর্তগুলো ‘ফেভারেবল’ (অনুকূল) না হলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি হবে না।
আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, বন্দরের কিছু সরকারি কর্মচারীই এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছেন। তাঁরা বাংলাদেশ সরকারের বাইরের কেউ নন। এই অচল অবস্থার কারণে দেশের ক্ষতি হচ্ছে। এই ক্ষতির মাসুল কে দেবে, তা তিনি জানেন না। যারা এটি করছে, তাঁদের পরিচয় জনগণ পত্রপত্রিকার মাধ্যমে দেখছে।
উপদেষ্টা আরও জানান, আন্দোলনকারীরা যে বিষয় নিয়ে কথা বলছে, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি যেখানেই কথা বলেছেন, সেখানেই স্পষ্ট করেছেন যে তিনি বা তাঁর সহকর্মীরা রাষ্ট্রীয় স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ করছেন না এবং করবেন না।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এখন তাঁরা যদি বিষয়টি বুঝতে না চান এবং ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নিয়ে এসব করেন, তবে তিনি মন্তব্য করতে পারবেন না। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যে ব্যবস্থা নেবে, মন্ত্রণালয় তা সমর্থন করবে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই অস্থিরতায় বন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বন্দর বা দেশের জন্য যা কল্যাণকর, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সেটিই সমর্থন করবে। তিনি দেশের স্বার্থে বন্দরকে সচল রাখার আহ্বান জানান। উপদেষ্টা বলেন, বন্দরে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে জনগণ ভোগান্তি পোহাচ্ছে। বর্তমান সরকার জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে না।
বন্দরের পাঁচজনকে বদলি করার পরও কেন বিক্ষোভ থামছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বিক্ষোভ থামা বা না থামার সঙ্গে বদলির কোনো সম্পর্ক নেই। সরকারি সংস্থায় এই বদলি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার অংশ ছিল। বদলি হওয়া ব্যক্তিরা কোনো বেসরকারি ব্যক্তি নন, তাঁরা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী।
রমজানকে সামনে রেখে কিছু ব্যবসায়ী লাইটার জাহাজে পণ্য মজুত করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিদিন নৌপরিবহন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নির্বাচন ও রমজানের আগে এ ধরনের ঘটনা কী প্রভাব ফেলতে পারে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সেটি তিনি বলতে পারছেন না। তবে রমজানের আগে নিয়মিত ‘রেইড’ ও জরিমানা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, শুধু জরিমানা করলেই হবে না; প্রয়োজনে লাইটার জাহাজের নিবন্ধন বাতিল করা হবে।
দুই দিন ধরে চলা অচলাবস্থা নিরসনের বিষয়ে তিনি বলেন, এই অচল অবস্থা একেবারেই অহেতুক। বন্দর কর্তৃপক্ষ যা ভালো মনে করবে, তা-ই করবে। তিনি জানান, ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত ৬০০ লাইটার ভেসেলের সঠিক সংখ্যা ও রেটিং যাচাই করা হচ্ছে। জনগণ সরকার বা কর্মকর্তাদের দোষারোপ করলেও এই ভেসেলগুলো কাদের, তা খুঁজে দেখছে না। ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে তিনি আবারও বলেন, চুক্তি এখনো হয়নি। শর্ত অনুকূল না হলে বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।

শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১০ ঘণ্টা আগে