
ভারতের নাগরিকের প্রেমের প্রলোভনে পাচারের শিকার হতে যাওয়া সুনামগঞ্জের এক তরুণীকে উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আবাসিক হোটেল থেকে মঙ্গলবার বিকেলে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানিয়েছে, ভারতের আসামের জনৈক রেজাউল করিমের সঙ্গে সুনামগঞ্জ সদরের এক তরুণীর সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন যোগাযোগ করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ‘প্রতারক ও মানবপাচারকারী’ রেজাউল করিম কৌশলে বিয়ের আশ্বাস ও প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীকে গত ১৩ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে আসেন। এদিকে ওই তরুণী নিখোঁজ হওয়ার পর তার বড় ভাই বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিপিসি-১ এবং সুনামগঞ্জের সিপিসি-৩ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গতকাল মঙ্গলবার আনুমানিক বিকাল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানাধীন ঘাটিয়ারা এলাকার ‘হোটেল থ্রি স্টার আবাসিক’ হোটেলে অভিযান চালিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়।
তবে ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত ভারতীয় নাগরিককে পাওয়া যায়নি জানিয়ে র্যাব বলছে, উদ্ধার তরুণী ভাষ্য অনুযায়ী, রেজাউল করিম ভারতের আসাম রাজ্যের নাগরিক এবং হোটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের যোগাযোগ হতো। রেজাউল করিম তাঁকে বিয়ে করে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে নিয়ে যাবে বলে জানিয়েছিল।
র্যাবের কর্মকর্তা বলছেন, অনুসন্ধানে দেখা গেছে রেজাউল করিম একজন প্রতারক ও মানবপাচারকারীর সক্রিয় সদস্য। ওই তরুণীকে উদ্ধার করে তার পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
.png)






