অধ্যাপক কার্জন বিচারকের উদ্দেশে বলেন, সংবিধানের আর্টিকেল ৩৩ অনুযায়ী যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়া উচিত ছিল তা আমাদের দেওয়া হয়নি। আইনজীবী নিয়োগের সুযোগও দেওয়া হয়নি।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন সংবিধান হাতে আদালতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় মামলার অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে তাঁকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় তিনি বলেন, তাঁদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে এবং সংবিধানের সুরক্ষা পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান মামলার সব আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানিতে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. শামসুদ্দোহা সুমনও আসামিদের কারাগারে রাখা জরুরি বলে জোর দাবি জানান।
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে অধ্যাপক কার্জন বিচারকের উদ্দেশে বলেন, ‘মাননীয় আদালত, আপনি অনুমতি দিলে কিছু কথা বলতে চাই। আমাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। সংবিধানের আর্টিকেল ৩৩ অনুযায়ী যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়া উচিত ছিল তা আমাদের দেওয়া হয়নি। আমাদের আইনজীবী নিয়োগের সুযোগও দেওয়া হয়নি। আমি একজন শিক্ষক। থানায় ও জেলখানায় ফ্যান ছিল না, সাবান ছিল না। সারা রাত ঘুমাতে পারিনি। আমরা ভিক্টিম। সারা পৃথিবীতে এই ঘটনা ভাইরাল হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য সব মিথ্যা। আমাদের হেনস্তার প্রতিকার হিসেবে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চাই। এবং এখনই জামিন দেবেন।’
এই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘গতকাল (২৮ আগস্ট) ডিআরইউতে একটি প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর আহ্বায়ক ছিলেন জহিরুল হক পান্না, মঞ্চের সদস্য সচিব একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ড. কামাল হোসেনের। আমি আলোচক হিসেবে সেখানে অংশ নিয়েছিলাম। প্রোগ্রামে মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় একদল সন্ত্রাসী প্রবেশ করে আমাদের জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। যারা অপরাধী তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি, কিন্তু আমাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা ভিক্টিম।’
শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে নেওয়ার সময় অধ্যাপক কার্জন আদালত চত্বরে সংবিধানের একটি কপি উঁচু করে সবাইকে দেখান। এসময় তিনি বলেন, ‘এই সংবিধান ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে রচিত। এটি রক্ষা করতে হবে।’
অধ্যাপক কার্জনের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী স্ট্রিমকে বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর আসামিদের রাখা হয়েছে এমন পরিবেশে, যেখানে একটি ফ্যানও নেই এবং ধুলাবালির মধ্যে রাখা হয়েছে। তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। সংবিধানের ৩৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আসামিরা আদালতে এ বিষয়ই জানিয়েছেন।’
অধ্যাপক কার্জনের দাবি, তাঁদের এই ধরনের হেনস্তার প্রতিকার হিসেবে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, দেশের সংবিধান রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব।

রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন সংবিধান হাতে আদালতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় মামলার অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে তাঁকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় তিনি বলেন, তাঁদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে এবং সংবিধানের সুরক্ষা পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান মামলার সব আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানিতে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. শামসুদ্দোহা সুমনও আসামিদের কারাগারে রাখা জরুরি বলে জোর দাবি জানান।
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে অধ্যাপক কার্জন বিচারকের উদ্দেশে বলেন, ‘মাননীয় আদালত, আপনি অনুমতি দিলে কিছু কথা বলতে চাই। আমাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। সংবিধানের আর্টিকেল ৩৩ অনুযায়ী যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়া উচিত ছিল তা আমাদের দেওয়া হয়নি। আমাদের আইনজীবী নিয়োগের সুযোগও দেওয়া হয়নি। আমি একজন শিক্ষক। থানায় ও জেলখানায় ফ্যান ছিল না, সাবান ছিল না। সারা রাত ঘুমাতে পারিনি। আমরা ভিক্টিম। সারা পৃথিবীতে এই ঘটনা ভাইরাল হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য সব মিথ্যা। আমাদের হেনস্তার প্রতিকার হিসেবে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চাই। এবং এখনই জামিন দেবেন।’
এই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘গতকাল (২৮ আগস্ট) ডিআরইউতে একটি প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর আহ্বায়ক ছিলেন জহিরুল হক পান্না, মঞ্চের সদস্য সচিব একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ড. কামাল হোসেনের। আমি আলোচক হিসেবে সেখানে অংশ নিয়েছিলাম। প্রোগ্রামে মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় একদল সন্ত্রাসী প্রবেশ করে আমাদের জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। যারা অপরাধী তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি, কিন্তু আমাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা ভিক্টিম।’
শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে নেওয়ার সময় অধ্যাপক কার্জন আদালত চত্বরে সংবিধানের একটি কপি উঁচু করে সবাইকে দেখান। এসময় তিনি বলেন, ‘এই সংবিধান ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে রচিত। এটি রক্ষা করতে হবে।’
অধ্যাপক কার্জনের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী স্ট্রিমকে বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর আসামিদের রাখা হয়েছে এমন পরিবেশে, যেখানে একটি ফ্যানও নেই এবং ধুলাবালির মধ্যে রাখা হয়েছে। তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। সংবিধানের ৩৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আসামিরা আদালতে এ বিষয়ই জানিয়েছেন।’
অধ্যাপক কার্জনের দাবি, তাঁদের এই ধরনের হেনস্তার প্রতিকার হিসেবে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, দেশের সংবিধান রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব।

শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১০ ঘণ্টা আগে