স্ট্রিম সংবাদদাতা

বিপিএল দ্বাদশ আসরের শিরোপা জয়ের আনন্দ ছড়িয়েছে শিক্ষাঙ্গনেও। ছাদখোলা বাসে ট্রফিসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছালে চ্যাম্পিয়ন ‘রাজশাহী ওয়ারিয়র্স’কে শিক্ষার্থীরা রাজকীয় সংবর্ধনা দেয়। এ সময় খেলোয়াড়দের একঝলক দেখতে পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ছাদখোলা বাসে ট্রফিসহ ক্যাম্পাসে ঢোকে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বহরটি কাজলা গেট দিয়ে ঢুকে প্যারিস রোড ও জোহা চত্বর প্রদক্ষিণ করে। এরপর প্রধান গেট দিয়ে তা বেরিয়ে যায়। এ সময় বাসের সামনে-পেছনে ছিল শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়।
দলের বাস ঘিরে ছিল শিক্ষার্থীদের উল্লাস। অনেক শিক্ষার্থী নিজের গায়ের টি-শার্ট খেলোয়াড়দের দিকে ছুড়ে দেন। শান্ত, মুশফিক ও তামিম সেখানে অটোগ্রাফ দেন। ছাদখোলা বাস থেকে খেলোয়াড়দের ছুড়ে দেওয়া জার্সি সংগ্রহ করতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাইসুল নাহার সিয়াম বলেন, “নিজ ক্যাম্পাসে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের এত কাছ থেকে দেখা সত্যিই আনন্দের। টাকা খরচ করেও তাঁদের সবাইকে একসাথে হয়তো দেখতে পারতাম না। তাঁদের পেয়ে সবাই কতটা উচ্ছ্বসিত, তা আশেপাশের ভিড় দেখলেই বোঝা যায়।”
রাবি শিক্ষার্থী ফাহিম হাসান বলেন, “রাজশাহী চ্যাম্পিয়ন হওয়া আমাদের জন্য গর্বের। ছাদখোলা বাসে ট্রফি উদযাপনের সময় জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের এত কাছ থেকে দেখা অসাধারণ অভিজ্ঞতা।”
সংবর্ধনায় অংশ নেয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের শিক্ষার্থীরাও। তারা জানায়, “বিপিএলে রাজশাহীর জয় মানে আমাদেরই জয়। দ্বিতীয়বার শিরোপা জেতায় আমরা খুব খুশি। জার্সি না পেলেও প্রিয় ক্রিকেটারদের সামনে থেকে দেখাটাই বড় আনন্দ।”
খেলোয়াড়দের কাছ থেকে জার্সি পাওয়া শিক্ষার্থী নাঈমুর রহমান বলেন, “জার্সি পাওয়া আমার জন্য বিশেষ স্মৃতি। আমি রাজশাহীর স্থানীয় না হলেও এই জয় আমাকে দারুণভাবে ছুঁয়েছে। দল গড়ার পাশাপাশি জয় মানুষের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য মালিকপক্ষকে ধন্যবাদ।”
উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জেতে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এর আগে ২০১৯-২০ মৌসুমে প্রথমবারের মতো বিপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল দলটি।

বিপিএল দ্বাদশ আসরের শিরোপা জয়ের আনন্দ ছড়িয়েছে শিক্ষাঙ্গনেও। ছাদখোলা বাসে ট্রফিসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছালে চ্যাম্পিয়ন ‘রাজশাহী ওয়ারিয়র্স’কে শিক্ষার্থীরা রাজকীয় সংবর্ধনা দেয়। এ সময় খেলোয়াড়দের একঝলক দেখতে পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ছাদখোলা বাসে ট্রফিসহ ক্যাম্পাসে ঢোকে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বহরটি কাজলা গেট দিয়ে ঢুকে প্যারিস রোড ও জোহা চত্বর প্রদক্ষিণ করে। এরপর প্রধান গেট দিয়ে তা বেরিয়ে যায়। এ সময় বাসের সামনে-পেছনে ছিল শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়।
দলের বাস ঘিরে ছিল শিক্ষার্থীদের উল্লাস। অনেক শিক্ষার্থী নিজের গায়ের টি-শার্ট খেলোয়াড়দের দিকে ছুড়ে দেন। শান্ত, মুশফিক ও তামিম সেখানে অটোগ্রাফ দেন। ছাদখোলা বাস থেকে খেলোয়াড়দের ছুড়ে দেওয়া জার্সি সংগ্রহ করতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাইসুল নাহার সিয়াম বলেন, “নিজ ক্যাম্পাসে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের এত কাছ থেকে দেখা সত্যিই আনন্দের। টাকা খরচ করেও তাঁদের সবাইকে একসাথে হয়তো দেখতে পারতাম না। তাঁদের পেয়ে সবাই কতটা উচ্ছ্বসিত, তা আশেপাশের ভিড় দেখলেই বোঝা যায়।”
রাবি শিক্ষার্থী ফাহিম হাসান বলেন, “রাজশাহী চ্যাম্পিয়ন হওয়া আমাদের জন্য গর্বের। ছাদখোলা বাসে ট্রফি উদযাপনের সময় জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের এত কাছ থেকে দেখা অসাধারণ অভিজ্ঞতা।”
সংবর্ধনায় অংশ নেয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের শিক্ষার্থীরাও। তারা জানায়, “বিপিএলে রাজশাহীর জয় মানে আমাদেরই জয়। দ্বিতীয়বার শিরোপা জেতায় আমরা খুব খুশি। জার্সি না পেলেও প্রিয় ক্রিকেটারদের সামনে থেকে দেখাটাই বড় আনন্দ।”
খেলোয়াড়দের কাছ থেকে জার্সি পাওয়া শিক্ষার্থী নাঈমুর রহমান বলেন, “জার্সি পাওয়া আমার জন্য বিশেষ স্মৃতি। আমি রাজশাহীর স্থানীয় না হলেও এই জয় আমাকে দারুণভাবে ছুঁয়েছে। দল গড়ার পাশাপাশি জয় মানুষের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য মালিকপক্ষকে ধন্যবাদ।”
উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জেতে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এর আগে ২০১৯-২০ মৌসুমে প্রথমবারের মতো বিপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল দলটি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে