স্ট্রিম ডেস্ক

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু ‘অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক ও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’ উল্লেখ করে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এ ঘটনায় এরইমধ্যে ওই ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশগ্রহণকারী সব সেনা সদস্যকে সেনানিবাসে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে সঠিক কারণ উদঘাটনের উদ্দেশ্যে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর আরও জানায়, তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) গভীর রাতে নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় শামসুজ্জামান ডাবলু মারা যান বলে অভিযোগ ওঠে। আজ মঙ্গলবার এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে এবং এতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে’।
ঘটনার পর এর প্রতিবাদে রাতেই দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন এবং সড়ক অবরোধও করেছেন। হাসপাতালের বাইরে জড়ো হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে অবস্থিত তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে ডাবলুকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা হেফাজতে নেন। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি হেফাজতেই মারা যান বলে জানানো হয়।
অভিযানের বিষয়ে আইএসপিআর বলছে, ‘১২ জানুয়ারি আনুমানিক রাত ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে যৌথবাহিনী একটি বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানকালে, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি দোকান থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মো. শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলুকে (৫০) আটক করা হয়। পরবর্তী সময়ে আটককৃত ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টহল দল উক্ত ফার্মেসিতে তল্লাশি পরিচালনা করে একটি ৯ মিলিমিটার পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।’
অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় বলেও জানায় আইএসপিআর। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পরবর্তী সময়ে আনুমানিক রাত ১২টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু ‘অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক ও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’ উল্লেখ করে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এ ঘটনায় এরইমধ্যে ওই ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশগ্রহণকারী সব সেনা সদস্যকে সেনানিবাসে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে সঠিক কারণ উদঘাটনের উদ্দেশ্যে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর আরও জানায়, তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) গভীর রাতে নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় শামসুজ্জামান ডাবলু মারা যান বলে অভিযোগ ওঠে। আজ মঙ্গলবার এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে এবং এতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে’।
ঘটনার পর এর প্রতিবাদে রাতেই দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন এবং সড়ক অবরোধও করেছেন। হাসপাতালের বাইরে জড়ো হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে অবস্থিত তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে ডাবলুকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা হেফাজতে নেন। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি হেফাজতেই মারা যান বলে জানানো হয়।
অভিযানের বিষয়ে আইএসপিআর বলছে, ‘১২ জানুয়ারি আনুমানিক রাত ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে যৌথবাহিনী একটি বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানকালে, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি দোকান থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মো. শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলুকে (৫০) আটক করা হয়। পরবর্তী সময়ে আটককৃত ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টহল দল উক্ত ফার্মেসিতে তল্লাশি পরিচালনা করে একটি ৯ মিলিমিটার পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।’
অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় বলেও জানায় আইএসপিআর। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পরবর্তী সময়ে আনুমানিক রাত ১২টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে