‘খাদ্যপণ্যের মোড়কে স্পষ্ট সতর্কবার্তা চালু না করলে বাড়বে অসংক্রামক রোগ’
স্ট্রিম প্রতিবেদক

খাদ্যপণ্যের মোড়কের সামনের অংশে ছোট অক্ষরে লেখা জটিল পুষ্টি তথ্য বোঝা এবং খাবারের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে জানা সাধারণ ভোক্তার পক্ষে কঠিন। এজন্য খাবারের মোড়কে স্পষ্ট সতর্কবার্তা বা ‘ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল)’ চালু করা প্রয়োজন।
রাজধানীর বিআইপি কনফারেন্স রুমে ‘বাংলাদেশে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল): প্রয়োজনীয়তা, অগ্রগতি ও করণীয়’ শীর্ষক সাংবাদিক কর্মশালায় এসব তথ্য জানান বক্তারা। আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুদিনব্যাপী এ কর্মশালার ছিল শেষ দিন।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে শিশু-কিশোর ও তরুণসহ সব বয়সী মানুষের মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ক্ষতিকর চর্বিযুক্ত অতি-প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণের প্রবণতা বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে খাদ্যজনিত বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ। এ ক্ষেত্রে প্যাকেটে স্পষ্ট সতর্কবার্তা বা ‘ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল)’ অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, এ সংক্রান্ত খসড়া প্রবিধানমালাটি বর্তমানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনায় রয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষে এটি দ্রুতই চূড়ান্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের অ্যাসোসিয়েট সায়েন্টিস্ট আবু আহমেদ শামীম বলেন, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে এফওপিএল একটি বিজ্ঞানসম্মত উপায়। এটি ভোক্তাকে সহজেই অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি বুঝতে সাহায্য করবে।
জিএইচএআই-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, অসংক্রামক রোগে মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনা সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে এফওপিএল প্রবিধানমালা দ্রুত চূড়ান্তকরণ ও বাস্তবায়ন জরুরি।
.png)




-78ae87-256x144.webp)

