স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ে দাফন করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ১১৪ শহিদের মরদেহের মধ্যে আটজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীরপ্রতীক। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকায় রায়ের বাজার কবরস্থান প্রাঙ্গণে সিআইডির আয়োজনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অজ্ঞাতনামা শহীদদের মরদেহ পরিচয় শনাক্তকরণ’ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
উপদেষ্টা বলেন, ‘এই কঠিন ও সংবেদনশীল কাজটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হয়েছে। বিশিষ্ট ফরেনসিক বিজ্ঞানী ড. মরিস টিডবল-বিনজ বাংলাদেশে এসে সিআইডির ফরেনসিক, ডিএনএ ও মেডিক্যাল ফরেনসিক টিমগুলোকে দুই দিনব্যাপী কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। পরবর্তী সময়ে ইউএনএইচসিআর-এর সহায়তায় ড. লুইস ফন্ডিব্রিডারের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কার্যক্রম মিনেসোটা প্রোটোকল অনুসরণ করে সম্পন্ন হয়েছে। কবর থেকে মোট ১১৪টি মৃতদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের মতো সংবেদনশীল কাজ অত্যন্ত সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।’
শনাক্তকৃতরা হলেন, ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার ফুলপুর গ্রামের গাজী মামুদ এবং জোসনা বেগমের ছেলে মো. মাহিন মিয়া (২৫); শেরপুরের শ্রীবরদীর আব্দুল মালেক এবং আয়েশা বেগমের ছেলে আসাদুল্লাহ; চাঁদপুরের মতলব থানার বারোহাতিয়া গ্রামের সবুজ বেপারী ও শামসুন্নাহারের ছেলে পারভেজ বেপারী; পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার সাতকাছিমা গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার সিকদারের ছেলে রফিকুল ইসলাম; মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-এর মো. লাল মিয়া ও রাশেদা বেগমের ছেলে সোহেল রানা; ফেনী সদরের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে রফিকুল ইসলাম; কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার কাচিমারা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ফয়সাল সরকার এবং ঢাকার মুগদা থানা লেনের বাসিন্দা মৃত বুলু মিয়া এবং শামেনা বেগমের ছেলে কাবিল হোসেন (৫৮)।
এসময় উপদেষ্টা ফারুক ই আজম আরো বলেন, ‘যদিও এখনো কিছু শহীদের পরিচয় উদঘাটন বাকি রয়েছে, এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং সব শহিদকে তাদের আপনজনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। এই শনাক্তকরণের ফলে শহিদদের পরিবারগুলো অন্ততপক্ষে জানতে পারছেন যে তাঁদের প্রিয়জনের ভাগ্যে কি ঘটেছে বা তাঁরা ঠিক কোন স্থানে শায়িত আছেন। যা তাদের এবং জাতির জন্য এক বিরাট মানসিক শান্তির কারণ হবে।’
এই কার্যক্রম কেবল আইন, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক মানদন্ডের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন নয়, এটি নিখোঁজ শহিদদের পরিচয় নির্ধারণ, পরিবারগুলোর অনিশ্চয়তা দূরীকরণ এবং ভবিষ্যতের বিচারিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণেও সহায়ক হবে বলেও উল্লেখ করেন উপদেষ্টা।
পরে শনাক্তকৃত শহিদদের কবর তাদের নিকট আত্মীয়দের বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এছাড়াও উপদেষ্টা শহিদদের স্মরণে কবরস্থানে স্থাপিত নামফলকের উদ্বোধন এবং মোনাজাত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ সোহেল রানার মা। এসময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ে দাফন করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ১১৪ শহিদের মরদেহের মধ্যে আটজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীরপ্রতীক। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকায় রায়ের বাজার কবরস্থান প্রাঙ্গণে সিআইডির আয়োজনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অজ্ঞাতনামা শহীদদের মরদেহ পরিচয় শনাক্তকরণ’ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
উপদেষ্টা বলেন, ‘এই কঠিন ও সংবেদনশীল কাজটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হয়েছে। বিশিষ্ট ফরেনসিক বিজ্ঞানী ড. মরিস টিডবল-বিনজ বাংলাদেশে এসে সিআইডির ফরেনসিক, ডিএনএ ও মেডিক্যাল ফরেনসিক টিমগুলোকে দুই দিনব্যাপী কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। পরবর্তী সময়ে ইউএনএইচসিআর-এর সহায়তায় ড. লুইস ফন্ডিব্রিডারের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কার্যক্রম মিনেসোটা প্রোটোকল অনুসরণ করে সম্পন্ন হয়েছে। কবর থেকে মোট ১১৪টি মৃতদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের মতো সংবেদনশীল কাজ অত্যন্ত সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।’
শনাক্তকৃতরা হলেন, ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার ফুলপুর গ্রামের গাজী মামুদ এবং জোসনা বেগমের ছেলে মো. মাহিন মিয়া (২৫); শেরপুরের শ্রীবরদীর আব্দুল মালেক এবং আয়েশা বেগমের ছেলে আসাদুল্লাহ; চাঁদপুরের মতলব থানার বারোহাতিয়া গ্রামের সবুজ বেপারী ও শামসুন্নাহারের ছেলে পারভেজ বেপারী; পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার সাতকাছিমা গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার সিকদারের ছেলে রফিকুল ইসলাম; মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-এর মো. লাল মিয়া ও রাশেদা বেগমের ছেলে সোহেল রানা; ফেনী সদরের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে রফিকুল ইসলাম; কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার কাচিমারা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ফয়সাল সরকার এবং ঢাকার মুগদা থানা লেনের বাসিন্দা মৃত বুলু মিয়া এবং শামেনা বেগমের ছেলে কাবিল হোসেন (৫৮)।
এসময় উপদেষ্টা ফারুক ই আজম আরো বলেন, ‘যদিও এখনো কিছু শহীদের পরিচয় উদঘাটন বাকি রয়েছে, এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং সব শহিদকে তাদের আপনজনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। এই শনাক্তকরণের ফলে শহিদদের পরিবারগুলো অন্ততপক্ষে জানতে পারছেন যে তাঁদের প্রিয়জনের ভাগ্যে কি ঘটেছে বা তাঁরা ঠিক কোন স্থানে শায়িত আছেন। যা তাদের এবং জাতির জন্য এক বিরাট মানসিক শান্তির কারণ হবে।’
এই কার্যক্রম কেবল আইন, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক মানদন্ডের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন নয়, এটি নিখোঁজ শহিদদের পরিচয় নির্ধারণ, পরিবারগুলোর অনিশ্চয়তা দূরীকরণ এবং ভবিষ্যতের বিচারিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণেও সহায়ক হবে বলেও উল্লেখ করেন উপদেষ্টা।
পরে শনাক্তকৃত শহিদদের কবর তাদের নিকট আত্মীয়দের বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এছাড়াও উপদেষ্টা শহিদদের স্মরণে কবরস্থানে স্থাপিত নামফলকের উদ্বোধন এবং মোনাজাত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ সোহেল রানার মা। এসময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১০ ঘণ্টা আগে