স্ট্রিম প্রতিবেদক

অর্থনীতি, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে নারীরা অভাবনীয় সাফল্য পেলেও রাজনীতিতে তাঁদের অংশগ্রহণ উদ্বেগজনক হারে কমছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্ট্রিমের সম্পাদক গোলাম ইফতেখার মাহমুদ। তিনি বলেন, যেখানেই সুযোগ তৈরি হয়েছে, নারীরা সেখানে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। তবে সংসদ ও রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ ক্রমশ কমছে।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে ‘রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব: সংকট ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা স্ট্রিম, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম এবং ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশ যৌথভাবে এই আয়োজন করে। বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের (এফডাব্লিউপিআর) প্রতিনিধি মাহরুখ মহিউদ্দিন।
স্বাগত বক্তব্যে ইফতেখার মাহমুদ বলেন, “গত ২০ বছর ধরে আমরা একই পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করছি। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের কৃষিতে বর্তমানে ৫২ শতাংশ নারী নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ২০০৫ সালে এটি ছিল ৩৬ শতাংশ। কৃষিতে নারীর এই উন্নতির হার বিশ্বে সর্বোচ্চ। এ ছাড়া প্রযুক্তি খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের ৪০ শতাংশই নারী।”
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন আন্দোলনে নারীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে নারীরা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। কিন্তু ক্ষমতার ভাগাভাগির সময় বলা হয় নারীর বিষয় পরে দেখা হবে। এই দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে ক্ষমতা পুরুষের হাতে চলে যায়, যা দেশের অগ্রগতির পথে বাধা।
পারিবারিক উন্নয়নে নারীর অবদানের তথ্য তুলে ধরে স্ট্রিম সম্পাদক বলেন, “বিগত ১৫ বছরে দেখা গেছে, পুরুষপ্রধান পরিবারের তুলনায় নারীপ্রধান পরিবারে শিশুদের পুষ্টির হার ১১২ শতাংশ বেশি। অর্থনীতির সব সূচকে অগ্রগতি থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়নের ক্ষেত্রে নারীদের বিমুখ করছে।” এই বৈষম্যের অবসান হওয়া জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গোলটেবিল বৈঠকে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার ও সদস্য মীর নাদিয়া নিভিন অংশ নেন। আলোচক হিসেবে আরও ছিলেন সদস্য জেসমিন টুলি, জাহেদ উর রহমান এবং জাতীয় নির্বাচন তদন্ত কমিশনের সদস্য ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হুসাইন।
রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাহিদুল খান সোহেল উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর হাবিবা আক্তার চৌধুরী, এবি পার্টির নাসরিন সুলতানা মিলি ও সিপিবির তাহমিনা ইয়াসমিন নীলা বৈঠকে অংশ নেন।
বিশিষ্টজনদের মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর রওনক জাহান ও ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশের মহাসচিব সাদিক আল আরমান আলোচনায় যোগ দেন। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনীতি, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে নারীরা অভাবনীয় সাফল্য পেলেও রাজনীতিতে তাঁদের অংশগ্রহণ উদ্বেগজনক হারে কমছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্ট্রিমের সম্পাদক গোলাম ইফতেখার মাহমুদ। তিনি বলেন, যেখানেই সুযোগ তৈরি হয়েছে, নারীরা সেখানে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। তবে সংসদ ও রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ ক্রমশ কমছে।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে ‘রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব: সংকট ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা স্ট্রিম, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম এবং ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশ যৌথভাবে এই আয়োজন করে। বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের (এফডাব্লিউপিআর) প্রতিনিধি মাহরুখ মহিউদ্দিন।
স্বাগত বক্তব্যে ইফতেখার মাহমুদ বলেন, “গত ২০ বছর ধরে আমরা একই পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করছি। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের কৃষিতে বর্তমানে ৫২ শতাংশ নারী নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ২০০৫ সালে এটি ছিল ৩৬ শতাংশ। কৃষিতে নারীর এই উন্নতির হার বিশ্বে সর্বোচ্চ। এ ছাড়া প্রযুক্তি খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের ৪০ শতাংশই নারী।”
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন আন্দোলনে নারীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে নারীরা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। কিন্তু ক্ষমতার ভাগাভাগির সময় বলা হয় নারীর বিষয় পরে দেখা হবে। এই দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে ক্ষমতা পুরুষের হাতে চলে যায়, যা দেশের অগ্রগতির পথে বাধা।
পারিবারিক উন্নয়নে নারীর অবদানের তথ্য তুলে ধরে স্ট্রিম সম্পাদক বলেন, “বিগত ১৫ বছরে দেখা গেছে, পুরুষপ্রধান পরিবারের তুলনায় নারীপ্রধান পরিবারে শিশুদের পুষ্টির হার ১১২ শতাংশ বেশি। অর্থনীতির সব সূচকে অগ্রগতি থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়নের ক্ষেত্রে নারীদের বিমুখ করছে।” এই বৈষম্যের অবসান হওয়া জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গোলটেবিল বৈঠকে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার ও সদস্য মীর নাদিয়া নিভিন অংশ নেন। আলোচক হিসেবে আরও ছিলেন সদস্য জেসমিন টুলি, জাহেদ উর রহমান এবং জাতীয় নির্বাচন তদন্ত কমিশনের সদস্য ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হুসাইন।
রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাহিদুল খান সোহেল উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর হাবিবা আক্তার চৌধুরী, এবি পার্টির নাসরিন সুলতানা মিলি ও সিপিবির তাহমিনা ইয়াসমিন নীলা বৈঠকে অংশ নেন।
বিশিষ্টজনদের মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর রওনক জাহান ও ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশের মহাসচিব সাদিক আল আরমান আলোচনায় যোগ দেন। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে