স্ট্রিম প্রতিবেদক

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (আইএসএফ) সেনা পাঠানোর বিষয়ে কোনো অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘কেবল একটি উন্মুক্ত সম্ভাবনা আছে।’
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এমন মন্তব্য করেন।
গাজায় সেনা পাঠানোর হালনাগাদ অবস্থা জানতে চাইলে বাংলাদেশের এই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, ‘গাজায় ফোর্স পাঠানো নিয়ে আসলে সত্যিকার অর্থে কোনো অগ্রগতিই হয়নি। শুধু একটা ওপেন সম্ভাবনা আছে যে বাংলাদেশ এতে অংশ হতেও পারে। এর চেয়ে বেশি কিছু না।’
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আর বলেন, ‘জিনিসটা এখনো ক্রিস্টালাইজও (পরিষ্কার) করেনি। কয়েকটি দেশ অবশ্য এরইমধ্যে তাদের স্পষ্ট আগ্রহ ব্যক্ত করেছে এবং তারা নিশ্চিন্ত যে এটা হবে। এসবের মধ্যেও যেকোনো একটা দেশের ব্যাপারে দেখা গেল যে আবার আরেক দেশ আপত্তি করে বসে আছে। আমি বলছি যে এরকম জিনিসটা হচ্ছে। কাজেই এটা ক্রিস্টালাইজ করুক। আবার যেটা বলছি, এখন তো আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এটা হবে না। কাজেই পরবর্তী সরকার তাদের নিজস্ব ওপেন, ইন্ডিপেন্ডেন্টলি সিদ্ধান্ত নিতে পারবে যে এটা করে তারা কী করবে।’
গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে (আইএসএফ) বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে। এর আগে গেল ১০ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা নীতিগতভাবে ব্যক্ত করেছেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন রাজনৈতিকবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যালিসন হুকার এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাব দেন। জবাবে আন্ডার-সেক্রেটারি হুকার বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে মিলে কাজ করতে ইচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্র।
গত বছরের নভেম্বরে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের অবসানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ২০ দফা পরিকল্পনায় সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব পাস করে। এই পরিকল্পনার ধারাগুলোর মধ্যে একটি ছিল গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির নিরাপত্তা ও তত্ত্বাবধানের জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠন। হুকার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য তার দৃঢ় সমর্থন অব্যাহত রেখেছে এবং ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা সম্পর্কে হুকারকে অবহিত করেন এবং নির্বাচনসহ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (আইএসএফ) সেনা পাঠানোর বিষয়ে কোনো অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘কেবল একটি উন্মুক্ত সম্ভাবনা আছে।’
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এমন মন্তব্য করেন।
গাজায় সেনা পাঠানোর হালনাগাদ অবস্থা জানতে চাইলে বাংলাদেশের এই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, ‘গাজায় ফোর্স পাঠানো নিয়ে আসলে সত্যিকার অর্থে কোনো অগ্রগতিই হয়নি। শুধু একটা ওপেন সম্ভাবনা আছে যে বাংলাদেশ এতে অংশ হতেও পারে। এর চেয়ে বেশি কিছু না।’
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আর বলেন, ‘জিনিসটা এখনো ক্রিস্টালাইজও (পরিষ্কার) করেনি। কয়েকটি দেশ অবশ্য এরইমধ্যে তাদের স্পষ্ট আগ্রহ ব্যক্ত করেছে এবং তারা নিশ্চিন্ত যে এটা হবে। এসবের মধ্যেও যেকোনো একটা দেশের ব্যাপারে দেখা গেল যে আবার আরেক দেশ আপত্তি করে বসে আছে। আমি বলছি যে এরকম জিনিসটা হচ্ছে। কাজেই এটা ক্রিস্টালাইজ করুক। আবার যেটা বলছি, এখন তো আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এটা হবে না। কাজেই পরবর্তী সরকার তাদের নিজস্ব ওপেন, ইন্ডিপেন্ডেন্টলি সিদ্ধান্ত নিতে পারবে যে এটা করে তারা কী করবে।’
গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে (আইএসএফ) বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে। এর আগে গেল ১০ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা নীতিগতভাবে ব্যক্ত করেছেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন রাজনৈতিকবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যালিসন হুকার এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাব দেন। জবাবে আন্ডার-সেক্রেটারি হুকার বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে মিলে কাজ করতে ইচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্র।
গত বছরের নভেম্বরে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের অবসানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ২০ দফা পরিকল্পনায় সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব পাস করে। এই পরিকল্পনার ধারাগুলোর মধ্যে একটি ছিল গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির নিরাপত্তা ও তত্ত্বাবধানের জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠন। হুকার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য তার দৃঢ় সমর্থন অব্যাহত রেখেছে এবং ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা সম্পর্কে হুকারকে অবহিত করেন এবং নির্বাচনসহ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাগজের পোস্টার ঘিরে একটি বিশেষ নির্বাচনী আমেজ তৈরি হতো। তবে এবার সেই পরিচিত দৃশ্যপট বদলে গেছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তে কাগজের পোস্টার নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রচারণার জায়গা দখল করেছে কাপড়ের ব্যানার।
২৭ মিনিট আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা ছাড়া আর্থিক খাতের টেকসই সংস্কার সম্ভব নয়। অবিলম্বে আইনি ও কাঠামোগত সংস্কারের দাবি জানিয়ে এই মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসারস ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল (বিবিওডব্লিউসি)।
৩১ মিনিট আগে
৫ আগস্ট আশুলিয়ায় যে নৃশংসতা চালানো হয়েছে, তা পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম। হিটলারের গ্যাস চেম্বারে মানুষ হত্যার পরেই এই ঘটনাকে নৃশংসতম বলা যায়। পরিকল্পিতভাবে ছয়জনকে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। এই সময়ে গুজব ও অপপ্রচার রোধকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্রান্ত ও বিদ্রূপাত্মক তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার সঙ্গে সমন্বয়ের কথা জানিয়েছে কমিশন।
১ ঘণ্টা আগে