স্ট্রিম সংবাদদাতা

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও ছাত্র নেতাদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রাকসু জিএস সালাউদ্দীন আম্মার ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের আহত হন। এর প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মাগরিবের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন রাকসু নেতাকর্মীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জোহা চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়।
রাবিতে বিক্ষোভকারীরা ‘জিএসের ওপর হামলা কেন—ইন্টারিম জবাব চাই’ এবং ‘হাদি হত্যার বিচার চাই’ স্লোগান দেন। রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুছ সাকিব বলেন, জুলাইয়ের শহীদের রক্তের ওপর গঠিত এই অন্তর্বর্তী সরকার এখন ন্যায়বিচারের বদলে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালাচ্ছে। তিনি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।
এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি ‘অদম্য ২৪’ ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশে ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক নাদিয়া রহমান অন্বেষা বলেন, সরকার হাদি হত্যার বিচার না করে উল্টো ইনকিলাব মঞ্চের নেতা জাবের ও ডাকসু নেত্রী জুমার ওপর হামলা চালিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করতে ব্যর্থ হয়েছে।
জাবি ছাত্রশক্তির সভাপতি জিয়া উদ্দিন আয়ান প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বলেন, ছাত্র-জনতা অনেক আশা নিয়ে আপনাকে দায়িত্ব দিয়েছিল, কিন্তু আপনি রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সমঝোতা করে জুলাইয়ের ও হাদি হত্যার বিচার বিলম্বিত করছেন। তিনি হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে করার দাবি জানান এবং চার্জশিটে ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম বাদ দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করেন।
উল্লেখ্য, হাদি হত্যার বিচার ও জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অবস্থান করছিল ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা । পরে পুলিশি সংঘর্ষে আম্মার-জাবেরসহ অনেক নেতাকর্মী আহত হন।

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও ছাত্র নেতাদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রাকসু জিএস সালাউদ্দীন আম্মার ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের আহত হন। এর প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মাগরিবের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন রাকসু নেতাকর্মীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জোহা চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়।
রাবিতে বিক্ষোভকারীরা ‘জিএসের ওপর হামলা কেন—ইন্টারিম জবাব চাই’ এবং ‘হাদি হত্যার বিচার চাই’ স্লোগান দেন। রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুছ সাকিব বলেন, জুলাইয়ের শহীদের রক্তের ওপর গঠিত এই অন্তর্বর্তী সরকার এখন ন্যায়বিচারের বদলে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালাচ্ছে। তিনি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।
এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি ‘অদম্য ২৪’ ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশে ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক নাদিয়া রহমান অন্বেষা বলেন, সরকার হাদি হত্যার বিচার না করে উল্টো ইনকিলাব মঞ্চের নেতা জাবের ও ডাকসু নেত্রী জুমার ওপর হামলা চালিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করতে ব্যর্থ হয়েছে।
জাবি ছাত্রশক্তির সভাপতি জিয়া উদ্দিন আয়ান প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বলেন, ছাত্র-জনতা অনেক আশা নিয়ে আপনাকে দায়িত্ব দিয়েছিল, কিন্তু আপনি রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সমঝোতা করে জুলাইয়ের ও হাদি হত্যার বিচার বিলম্বিত করছেন। তিনি হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে করার দাবি জানান এবং চার্জশিটে ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম বাদ দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করেন।
উল্লেখ্য, হাদি হত্যার বিচার ও জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অবস্থান করছিল ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা । পরে পুলিশি সংঘর্ষে আম্মার-জাবেরসহ অনেক নেতাকর্মী আহত হন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে