স্ট্রিম প্রতিবেদক

হাইকোর্টে রিট খারিজ হওয়ার পর এবার ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) দায়ের করেছেন তিনি।
নাহিদ ইসলামের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) স্ট্রিমকে জানান, গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিলটি দায়ের করা হয়েছে। এতে কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা ও তাকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে।
শুনানি কবে হতে পারে, প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আগামীকাল রোববার কিংবা ভোটের আগেই আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এই আবেদনের শুনানির চেষ্টা করব।’
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং হলফনামায় সেই তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন নাহিদ ইসলাম। ৩ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ (সামারি রিজেক্টেড) করে দেন। হাইকোর্টের সেই আদেশের বিরুদ্ধেই এবার সর্বোচ্চ আদালতে গেলেন এনসিপির এই নেতা।
রিটকারী পক্ষের মূল অভিযোগ, এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতুর নাগরিক এবং তিনি নির্বাচনী হলফনামায় এই তথ্য গোপন করেছেন, যা সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী অযোগ্যতা।
৩ ফেব্রুয়ারি শুনানিতে নাহিদের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছিলেন, নির্বাচনের আপিল সময়সীমার মধ্যে বিষয়টি জানা না থাকায় তারা ইসিতে যেতে পারেননি, তাই সরাসরি হাইকোর্টে এসেছেন। তবে কাইয়ুমের আইনজীবীরা একে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব ও এআই ব্যবহার করে তৈরি ভিত্তিহীন তথ্য হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
সেদিন কাইয়ুমের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল আদালতে বলেছিলেন, ‘কাইয়ুম বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিকভাবে নির্যাতিত হয়ে মালয়েশিয়ায় অনেকটা রিফিউজি স্ট্যাটাসে ছিলেন এবং ৫ আগস্টের পর দেশে ফিরেছেন। তিনি ভানুয়াতু বা অন্য কোনো দেশের নাগরিক নন।’
তিনি আরও যুক্তি দিয়েছিলেন, প্রতীক বরাদ্দের পর ভোটের প্রচারণাকালে এমন রিট দায়ের করার আইনি সুযোগ নেই। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি চাইলে নির্বাচনের পর ইলেকশন পিটিশন দায়ের করতে পারেন। হাইকোর্ট শেষ পর্যন্ত কাইয়ুমের আইনজীবীদের যুক্তিতেই সায় দিয়ে রিটটি খারিজ করে দিয়েছিলেন।
গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা এম এ কাইয়ুমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। এরপর ২২ জানুয়ারি তাকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনি শেষ চেষ্টায় নেমেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

হাইকোর্টে রিট খারিজ হওয়ার পর এবার ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) দায়ের করেছেন তিনি।
নাহিদ ইসলামের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) স্ট্রিমকে জানান, গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিলটি দায়ের করা হয়েছে। এতে কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা ও তাকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে।
শুনানি কবে হতে পারে, প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আগামীকাল রোববার কিংবা ভোটের আগেই আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এই আবেদনের শুনানির চেষ্টা করব।’
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং হলফনামায় সেই তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন নাহিদ ইসলাম। ৩ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ (সামারি রিজেক্টেড) করে দেন। হাইকোর্টের সেই আদেশের বিরুদ্ধেই এবার সর্বোচ্চ আদালতে গেলেন এনসিপির এই নেতা।
রিটকারী পক্ষের মূল অভিযোগ, এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতুর নাগরিক এবং তিনি নির্বাচনী হলফনামায় এই তথ্য গোপন করেছেন, যা সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী অযোগ্যতা।
৩ ফেব্রুয়ারি শুনানিতে নাহিদের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছিলেন, নির্বাচনের আপিল সময়সীমার মধ্যে বিষয়টি জানা না থাকায় তারা ইসিতে যেতে পারেননি, তাই সরাসরি হাইকোর্টে এসেছেন। তবে কাইয়ুমের আইনজীবীরা একে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব ও এআই ব্যবহার করে তৈরি ভিত্তিহীন তথ্য হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
সেদিন কাইয়ুমের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল আদালতে বলেছিলেন, ‘কাইয়ুম বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিকভাবে নির্যাতিত হয়ে মালয়েশিয়ায় অনেকটা রিফিউজি স্ট্যাটাসে ছিলেন এবং ৫ আগস্টের পর দেশে ফিরেছেন। তিনি ভানুয়াতু বা অন্য কোনো দেশের নাগরিক নন।’
তিনি আরও যুক্তি দিয়েছিলেন, প্রতীক বরাদ্দের পর ভোটের প্রচারণাকালে এমন রিট দায়ের করার আইনি সুযোগ নেই। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি চাইলে নির্বাচনের পর ইলেকশন পিটিশন দায়ের করতে পারেন। হাইকোর্ট শেষ পর্যন্ত কাইয়ুমের আইনজীবীদের যুক্তিতেই সায় দিয়ে রিটটি খারিজ করে দিয়েছিলেন।
গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা এম এ কাইয়ুমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। এরপর ২২ জানুয়ারি তাকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনি শেষ চেষ্টায় নেমেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে