ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ৪৪
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

ডেঙ্গু প্রতিরোধ সবার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু সমস্যা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। শতভাগ সমাধান সম্ভব না হলেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তন আনতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে দেশ গঠন করতে চাইলে কোনো বাধাই তা ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।

প্রতি সপ্তাহে এক ঘণ্টা করে পরিচ্ছন্নতার জন্য সময় দিলে পরিস্থিতির পরিবর্তন আসবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে প্রত্যেক নাগরিকের ভূমিকা রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে পরিবর্তন সম্ভব। এবার রাষ্ট্রকে পরিবর্তন করি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডেঙ্গু-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভাপতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এমএ মুহিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম প্রমুখ।

ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ সময় বিবেচনায় ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। কর্মসূচির প্রতিপাদ্য– ‘নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ থাকি’ ও ‘নিয়মিত প্রতিদিন জমা পানি ফেলে দিন’।

আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী, বিএনসিসি, গালর্স গাইড, স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী নিয়ে ২৫ হাজার কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, সচিবসহ সরকারের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। এই আয়োজনে দেশের ৬৪টি জেলা প্রশাসক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

ঢাকাসহ সব মহানগর, বিভাগ, জেলা, উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কর্মসূচির আওতায় মহানগর এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকেরা কার্যক্রম সমন্বয় করবেন। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) স্থানীয় পর্যায়ের কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতামূলক এই অভিযানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত থাকবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত