স্ট্রিম প্রতিবেদক

গাছে পেরেক লাগালে বা অন্য কোনো ধাতব বস্তুর মাধ্যমে গাছের ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) জারি করা ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এ এমন বিধান রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে এ গেজেট জারি করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ‘বাণিজ্যিক উৎপাদন ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে পেরেক বা কোনো ধাতব বস্তুর মাধ্যমে গাছের ক্ষতিসাধন করা যাবে না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে আদালত অপরাধী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবে।’
বন সংরক্ষণ কর্মকর্তার পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে ‘বন আইন, ১৯২৭’-এর ৪ ও ৬ ধারার অধীন গেজেটভুক্ত বন, অশ্রেণিভুক্ত রাষ্ট্রীয় বন, সামাজিক বন, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গণপরিসরের বৃক্ষ কর্তন ও অপসারণ করা যাবে। এ অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের জন্য প্রধান বন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার দায়িত্ব দেবেন।
গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশিত কর্তন-নিষিদ্ধ বৃক্ষের তালিকাভুক্ত অথবা বন অধিদপ্তর ঘোষিত বিপদাপন্ন কোনো বৃক্ষ কর্তন করা যাবে না। তবে অনুমতি সাপেক্ষে কর্তনযোগ্য বৃক্ষের তালিকায় থাকা ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির বৃক্ষ নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার পূর্বানুমোদন নিয়ে কর্তন করা যাবে।
এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে বৃক্ষের প্রজাতি, সংখ্যা, আনুমানিক উচ্চতা, কর্তনের কারণসহ নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই ও সরেজমিন পরিদর্শনের পর আবেদন প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত সিদ্ধান্ত দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে।
এ ছাড়া কর্তন নিষিদ্ধ বৃক্ষের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কিংবা বন অধিদপ্তর কর্তৃক সময় সময় বিপদাপন্ন ঘোষিত কোনো গাছ কাটলে ১ লাখ টাকা জরিমানা বা অতিরিক্ত দণ্ড হিসেবে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়নের বিষয়টিও আদালত বিবেচনা করতে পারবে।

গাছে পেরেক লাগালে বা অন্য কোনো ধাতব বস্তুর মাধ্যমে গাছের ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) জারি করা ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এ এমন বিধান রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে এ গেজেট জারি করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ‘বাণিজ্যিক উৎপাদন ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে পেরেক বা কোনো ধাতব বস্তুর মাধ্যমে গাছের ক্ষতিসাধন করা যাবে না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে আদালত অপরাধী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারবে।’
বন সংরক্ষণ কর্মকর্তার পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে ‘বন আইন, ১৯২৭’-এর ৪ ও ৬ ধারার অধীন গেজেটভুক্ত বন, অশ্রেণিভুক্ত রাষ্ট্রীয় বন, সামাজিক বন, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গণপরিসরের বৃক্ষ কর্তন ও অপসারণ করা যাবে। এ অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের জন্য প্রধান বন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার দায়িত্ব দেবেন।
গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশিত কর্তন-নিষিদ্ধ বৃক্ষের তালিকাভুক্ত অথবা বন অধিদপ্তর ঘোষিত বিপদাপন্ন কোনো বৃক্ষ কর্তন করা যাবে না। তবে অনুমতি সাপেক্ষে কর্তনযোগ্য বৃক্ষের তালিকায় থাকা ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির বৃক্ষ নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার পূর্বানুমোদন নিয়ে কর্তন করা যাবে।
এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে বৃক্ষের প্রজাতি, সংখ্যা, আনুমানিক উচ্চতা, কর্তনের কারণসহ নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই ও সরেজমিন পরিদর্শনের পর আবেদন প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত সিদ্ধান্ত দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে।
এ ছাড়া কর্তন নিষিদ্ধ বৃক্ষের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কিংবা বন অধিদপ্তর কর্তৃক সময় সময় বিপদাপন্ন ঘোষিত কোনো গাছ কাটলে ১ লাখ টাকা জরিমানা বা অতিরিক্ত দণ্ড হিসেবে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়নের বিষয়টিও আদালত বিবেচনা করতে পারবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে