রিকশায় পতাকা বাঁধা নাফিজের নিথর দেহ
স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম হৃদয়বিদারক দৃশ্য—রিকশায় নিথর পড়ে আছে কিশোর গোলাম নাফিজ, কপালে বাঁধা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। রাজধানীর ফার্মগেটে সেই নাফিজসহ তিনজনকে হত্যা, মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং আহতদের চিকিৎসায় বাধা দেওয়ার ঘটনায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম ও অভিযোগ গঠনের আদেশের জন্য আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
শুনানি শেষে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা দেখেছিলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে একটি ছেলেকে গুলি করে হত্যার পর একজন রিকশাওয়ালা তাকে নিয়ে যাচ্ছেন এবং তার কপালে বাংলাদেশের পতাকা বাঁধা। এই ছেলেটির নাম ছিল গোলাম নাফিজ। ৪ আগস্ট ফার্মগেট এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় ২২ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নিয়েছেন এবং আসামিদের মধ্যে যারা পলাতক আছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।’
চীনা রাইফেল ও পুলিশের জবানবন্দি
ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার নথিপত্র ও প্রসিকিউশনের বক্তব্য অনুযায়ী, ৪ আগস্ট ফার্মগেট এলাকায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী চীনা রাইফেল ও শটগান ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রসিকিউটর তামীম জানান, ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তদন্ত সংস্থার কাছে সাক্ষ্য দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তারা স্বীকার করেছেন যে তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা তাদের চাইনিজ রাইফেল ব্যবহার করে গুলি করতে বাধ্য করেছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ৪ আগস্ট বিকেল ৪টা ২০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ফার্মগেটের বাবুল টাওয়ার, আনন্দ সিনেমা হল এবং কারওয়ান বাজার মেট্রো স্টেশন এলাকায় এই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। এতে গোলাম নাফিজ, তাহিদুল ইসলাম এবং রমিজ উদ্দিন আহমেদ (রূপ) নিহত হন।
পুলিশকে চাকরি খাওয়ার হুমকি ও শচীনের গুলি
অভিযোগে আসামিদের ভূমিকার বিস্তারিত বিবরণ উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন আসামি মো. হাফিজ আল-ফারুক (জুয়েল), রুবাইয়াত জামান এবং মোহাম্মদ মহসীন। তাঁরা অধস্তন পুলিশ সদস্যদের আন্দোলনকারীদের ওপর মারণাস্ত্র দিয়ে গুলি করার নির্দেশ দেন। যারা গুলি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং চাকরি থাকবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়।
এছাড়া আসামি শচীন মৌলিক (গ্রেপ্তার) শটগান দিয়ে রমিজ উদ্দিনের চোখে সরাসরি গুলি করেন, যার ফলে তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাসপাতালে নিতে বাধা: মানবতাবিরোধী অপরাধের ভয়াবহ নজির
গুলিবিদ্ধদের হাসপাতালে নিতে বাধা দেওয়ার মতো অমানবিক ঘটনার বিবরণও রয়েছে অভিযোগে। নথিতে বলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ গোলাম নাফিজকে যখন রিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল, তখন আসামি আনোয়ার হোসেন রিপন, আরিফুল ইসলাম ইমরান (পালসার আরিফ) এবং সাহাদাত হোসেন চৌধুরীসহ (মিন্টু চৌধুরী) ১৫-২০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি পথরোধ করে। আসামিদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় এই বাধা প্রদানের ফলে আহতদের মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়।
নেপথ্যে শুট অন সাইট পলিসি
ঘটনার প্রেক্ষাপট হিসেবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখান থেকেই প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার এবং ‘দেখা মাত্র গুলির (শুট অন সাইট) নির্দেশ আসে। এরই ধারাবাহিকতায় ৪ আগস্ট ফার্মগেট এলাকায় আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশে এই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
মামলায় মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, মো. হাফিজ আল ফারুক (জুয়েল), রুবাইয়াত জামান (ফাহিম), শচীন মৌলিক এবং মোহাম্মদ মহসীন।
আসামিদের বিরুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট, ১৯৭৩-এর ৩(২) ও ৪ ধারায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশন জানিয়েছে, ভিডিও ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই এই অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম হৃদয়বিদারক দৃশ্য—রিকশায় নিথর পড়ে আছে কিশোর গোলাম নাফিজ, কপালে বাঁধা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। রাজধানীর ফার্মগেটে সেই নাফিজসহ তিনজনকে হত্যা, মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং আহতদের চিকিৎসায় বাধা দেওয়ার ঘটনায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম ও অভিযোগ গঠনের আদেশের জন্য আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
শুনানি শেষে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা দেখেছিলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে একটি ছেলেকে গুলি করে হত্যার পর একজন রিকশাওয়ালা তাকে নিয়ে যাচ্ছেন এবং তার কপালে বাংলাদেশের পতাকা বাঁধা। এই ছেলেটির নাম ছিল গোলাম নাফিজ। ৪ আগস্ট ফার্মগেট এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় ২২ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নিয়েছেন এবং আসামিদের মধ্যে যারা পলাতক আছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।’
চীনা রাইফেল ও পুলিশের জবানবন্দি
ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার নথিপত্র ও প্রসিকিউশনের বক্তব্য অনুযায়ী, ৪ আগস্ট ফার্মগেট এলাকায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী চীনা রাইফেল ও শটগান ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রসিকিউটর তামীম জানান, ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তদন্ত সংস্থার কাছে সাক্ষ্য দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তারা স্বীকার করেছেন যে তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা তাদের চাইনিজ রাইফেল ব্যবহার করে গুলি করতে বাধ্য করেছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ৪ আগস্ট বিকেল ৪টা ২০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ফার্মগেটের বাবুল টাওয়ার, আনন্দ সিনেমা হল এবং কারওয়ান বাজার মেট্রো স্টেশন এলাকায় এই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। এতে গোলাম নাফিজ, তাহিদুল ইসলাম এবং রমিজ উদ্দিন আহমেদ (রূপ) নিহত হন।
পুলিশকে চাকরি খাওয়ার হুমকি ও শচীনের গুলি
অভিযোগে আসামিদের ভূমিকার বিস্তারিত বিবরণ উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেন আসামি মো. হাফিজ আল-ফারুক (জুয়েল), রুবাইয়াত জামান এবং মোহাম্মদ মহসীন। তাঁরা অধস্তন পুলিশ সদস্যদের আন্দোলনকারীদের ওপর মারণাস্ত্র দিয়ে গুলি করার নির্দেশ দেন। যারা গুলি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং চাকরি থাকবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়।
এছাড়া আসামি শচীন মৌলিক (গ্রেপ্তার) শটগান দিয়ে রমিজ উদ্দিনের চোখে সরাসরি গুলি করেন, যার ফলে তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাসপাতালে নিতে বাধা: মানবতাবিরোধী অপরাধের ভয়াবহ নজির
গুলিবিদ্ধদের হাসপাতালে নিতে বাধা দেওয়ার মতো অমানবিক ঘটনার বিবরণও রয়েছে অভিযোগে। নথিতে বলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ গোলাম নাফিজকে যখন রিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল, তখন আসামি আনোয়ার হোসেন রিপন, আরিফুল ইসলাম ইমরান (পালসার আরিফ) এবং সাহাদাত হোসেন চৌধুরীসহ (মিন্টু চৌধুরী) ১৫-২০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি পথরোধ করে। আসামিদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় এই বাধা প্রদানের ফলে আহতদের মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়।
নেপথ্যে শুট অন সাইট পলিসি
ঘটনার প্রেক্ষাপট হিসেবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখান থেকেই প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার এবং ‘দেখা মাত্র গুলির (শুট অন সাইট) নির্দেশ আসে। এরই ধারাবাহিকতায় ৪ আগস্ট ফার্মগেট এলাকায় আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশে এই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
মামলায় মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, মো. হাফিজ আল ফারুক (জুয়েল), রুবাইয়াত জামান (ফাহিম), শচীন মৌলিক এবং মোহাম্মদ মহসীন।
আসামিদের বিরুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট, ১৯৭৩-এর ৩(২) ও ৪ ধারায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশন জানিয়েছে, ভিডিও ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই এই অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১০ ঘণ্টা আগে