স্ট্রিম ডেস্ক

নির্বাচনী প্রচারণাকালে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষ আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে নির্দেশনার বিষয়টি জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনি প্রচারণাকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সচেতন ও সজাগ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।’
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে একটি নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে চাই, যেটি বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে রোলমডেল হয়ে থাকবে। সেজন্য জাতীয় নির্বাচনে জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন ও নিশ্চিতকরণে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ আমাদের নিকট সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আর এ লক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’
এ সময় তিনি জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হয়েছে। সেলে জরুরি যোগাযোগের জন্য টেলিফোন নম্বর হলো—০২-৪৭১১৮৭০০, ০২-৪৭১১৮৭০১, ০২-৪৭১১৮৭০২, ০২-৪৭১১৮৭০৩ এবং মোবাইল নম্বর : ০১৫৫০-০৬৪২২৬ (Whats app) ও ০১৫৫০-০৬৪২২৭। তিনি নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট যে কোনো অভিযোগের জন্য উল্লিখিত নম্বরগুলোতে যোগাযোগের অনুরোধ করেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি জনগণের আস্থার জায়গায় দাঁড়াতে পারে, তবে আইন প্রয়োগ সহজ হয়। আর যদি আস্থা হারায়, তবে শক্তি দিয়েও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না। সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন কোনো বেআইনি আদেশ, কোনো স্বার্থান্বেষী এজেন্ডা বা কোনো পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ না হয়—সে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। এমনকি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও অবৈধ ও বেআইনি আদেশ মানা যাবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা; জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন, নির্বাচনি প্রচারণাকালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ এর অগ্রগতি পর্যালোচনা; অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম; মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) বাহারুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিট (ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ) পর্যন্ত এটি চলবে।

নির্বাচনী প্রচারণাকালে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষ আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে নির্দেশনার বিষয়টি জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনি প্রচারণাকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সচেতন ও সজাগ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।’
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে একটি নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে চাই, যেটি বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে রোলমডেল হয়ে থাকবে। সেজন্য জাতীয় নির্বাচনে জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন ও নিশ্চিতকরণে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ আমাদের নিকট সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আর এ লক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’
এ সময় তিনি জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হয়েছে। সেলে জরুরি যোগাযোগের জন্য টেলিফোন নম্বর হলো—০২-৪৭১১৮৭০০, ০২-৪৭১১৮৭০১, ০২-৪৭১১৮৭০২, ০২-৪৭১১৮৭০৩ এবং মোবাইল নম্বর : ০১৫৫০-০৬৪২২৬ (Whats app) ও ০১৫৫০-০৬৪২২৭। তিনি নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট যে কোনো অভিযোগের জন্য উল্লিখিত নম্বরগুলোতে যোগাযোগের অনুরোধ করেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি জনগণের আস্থার জায়গায় দাঁড়াতে পারে, তবে আইন প্রয়োগ সহজ হয়। আর যদি আস্থা হারায়, তবে শক্তি দিয়েও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না। সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন কোনো বেআইনি আদেশ, কোনো স্বার্থান্বেষী এজেন্ডা বা কোনো পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ না হয়—সে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। এমনকি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও অবৈধ ও বেআইনি আদেশ মানা যাবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা; জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন, নির্বাচনি প্রচারণাকালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ এর অগ্রগতি পর্যালোচনা; অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম; মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) বাহারুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিট (ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ) পর্যন্ত এটি চলবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে